বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন আমাদের দেশের অন্যতম আকর্ষনীয় ভ্রমণ স্থান। প্রতিবছরই প্রায় কয়েক লাখ পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করে থাকেন। তাই সেন্টমার্টিন নিয়ে অনেকে জানতে চান। কিভাবে যাবেন? কোথায় থাকবেন? জাহাজের আপডেট? নিচের প্রশ্ন ও উত্তর পড়লে আশা করি সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ বিষয়ক সব উত্তর পেয়ে যাবেন।

প্রশ্ন ১:

ক. সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল শুরু হয় কখন?
খ. সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল বন্ধ হয় কখন?
গ. সেন্টমার্টিন জাহাজ কতদিন চলে?
ঘ. ঈদের সময় কি জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে?

উত্তর : এই বছর (২০১৯) নভেম্বর ১ তারিখ থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। বর্তমানে অল্প কয়েকটি জাহাজ চলছে, কিছু দিনের মধ্যে আরও বেশ কিছু জাহাজ চলাচল শুরু করবে। সেন্টমার্টিন এর জাহাজ চলাচল সাধারণত আবহাওয়া এর উপর নির্ভর করে। প্রতিবছর নভেম্বর মাসে শুরু হয় এবং মার্চের শেষে কিংবা এপ্রিলের শুরুতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়। জাহাজ সামনের বছর এপ্রিলে বন্ধ হলে আবার শুরু হবে নভেম্বর মাসে। ঈদের সময় যেতে চাইলে ট্রলারে যেতে হবে।

প্রশ্ন ২ :

ক. জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে কি সেন্টমার্টিন যাওয়া যায় না?
খ. সেন্টমার্টিন কি শুধু শীতকালে যাওয়া যায়?
গ. জাহাজ ছাড়া সেন্টমার্টিনে যাওয়ার অন্য কোন উপায় আছে কি?

উত্তর : সেন্টমার্টিন জাহাজ ছাড়া স্পিড বোট, ট্রলারে বা মালবাহী বোটে সারা বছর যাওয়া যায়। তবে বর্ষাতে সিগন্যাল থাকলে ছাড়ে না।

প্রশ্ন ৩ :

ক. ট্রলার, স্পিড বোট বা মালবাহী বোটে কিভাবে যাব, কোথায় থেকে ছাড়ে?
খ. ট্রলারে যাব কিভাবে? কতক্ষণ সময় লাগে?
গ. ভাড়া কত?
ঘ. ট্রলারে যাওয়া কি খুব বিপদজনক?

উত্তর : টেকনাফ নামারবাজার ব্রিজ বা জেটি ঘাট থেকে ট্রলার, স্পিডবোট ও মালবাহী ছাড়ে। সিজনের সময় জাহাজ ঘাটের পাশ থেকে ও ট্রলার ছাড়ে। সাধারণত ট্রলার ও মালবাহী বোট ১৫০-৩৫০ টাকা নেয়। এটা সিজন ও যাত্রীভেদে কম বেশি হয়ে থাকে। সময় লাগে ২-৩ ঘন্টা। ট্রলারে যেতে কোন ঝুকি আছে বলে আমার মনে হয় না বরং এডভেঞ্চার মনে হয়। তবে যাদের হার্ট দুর্বল বা পানি রোগ আছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াতে ট্রলারে না যাওয়াই

প্রশ্ন ৪ :

ক. বর্ষাতে বা অফ সিজনে কি সেন্টমার্টিন যাওয়া যায়?
খ. বর্ষাতে সেন্টমার্টিনে যাওয়া কতটুকু নিরাপদ?
গ. অফ সিজনে সেন্টমার্টিনে গেলে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা কি? হোটেল ও খাবার দোকান কি এভেইলেবল?

উত্তর: অফ সিজনে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকলে ও ট্রলার বা মালবাহী বোট চলাচল করে। ঐ সময় আবহাওয়া ও সমুদ্র উত্তাল থাকে বলে ট্রলারে বা বোটে যাওয়া নিরাপদ না। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া না থাকলে যাওয়া যায়। তবে সত্যিকার অর্থে তখন সেন্টমার্টিন ভ্রমণ খুব আরাম ও আনন্দের হয়। লোকজন কম থাকে, দ্বীপ নির্জন থাকে। হোটেল, কটেজ ও রেষ্টুরেন্ট প্রায়ই বন্ধ হয়ে যায়, মাঝে মাঝে ২-১ টা চালু থাকে। সেক্ষেত্রে স্থানীয় লোকের সাহায্য নেওয়া যায়।

প্রশ্ন ৫:

ক. ছেড়া দ্বীপ কি সেন্টমার্টিনের মত আরেকটি দ্বীপ? ছেড়া দ্বীপ কিভাবে যাব?
খ. ছেড়া দ্বীপ যাওয়ার জন্য স্পিড বোট বা ট্রলার কোথায় পাওয়া যায়, ভাড়া কত নেয়?
গ. ছেড়া দ্বীপ কি হেটে যাওয়া যায়?
ঘ. ছেড়া দ্বীপ কি সাইকেলে চালিয়ে যাওয়া যায়? সেন্টমার্টিনে কি সাইকেল ভাড়া পাওয়া যায়, ভাড়া কত?

উত্তর: ছেড়া দ্বীপ সেন্টমার্টিনের একটি অংশ। জোয়ারের সময় সেন্টমার্টিন মুল দ্বীপ থেকে কিছু অংশ আলাদা হয়ে যায় বলে এটার নাম ছেড়া দ্বীপ। ছেড়া দ্বীপ স্পিড বোট, লাইফ বোট বা ড্যানিশ, কাঠের ছোট বোট (ইঞ্জিনচালিত) সাইকেল কিংবা হেটে ও যাওয়া যায়।
ভাড়া: জনপ্রতি
কাঠের ছোট বোট (ইঞ্জিনচালিত) – ১৫০ টাকা (৮-১০ জন)
লাইফ বোট বা ড্যানিশ – ২০০ টাকা (১০-১৫ জন)
স্পিডবোট – ৩০০ টাকা (৬ জন বসা যায়)

সাইকেল ভাড়া – প্রতিঘন্টা ৩০-৫০ টাকা

জোয়ার থাকলে ও হেটে ছেড়া দ্বীপ যাওয়া যায়। যে জায়গায় পানি থাকে সেটা ছোট নৌকা দিয়ে পারাপার হতে ২০ টাকা লাগে।

প্রশ্ন ৬ :

ক. ঢাকা থেকে সেন্টমার্টিন কিভাবে যাব?
খ. চিটাগাং থেকে সেন্টমার্টিন কিভাবে যাব?
গ. কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন কিভাবে যাব?
ঘ. টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন কিভাবে যাব?
ঙ. সেন্টমার্টিন কোন কোন বাস যায়? ট্রেনে বা বিমানে কি সেন্টমার্টিন যাওয়া যায়?
চ. টেকনাফ থেকে রাতে কক্সবাজার ফিরব কিভাবে? কক্সবাজারের লাস্ট বাস কয়টায়?

উত্তর : ঢাকা থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়া সবচেয়ে সহজ। সন্ধ্যা ৭ টার গাড়িতে উঠলে সকালে ৬- ৭ টার মধ্য দমদমিয়া জাহাজ ঘাট বা টেকনাফ শহরে নেমে জাহাজ বা ট্রলারে যেতে পারেন। তবে লম্বা বন্ধ থাকলে ঢাকা- চিটাগাং রোড়ে যানজট বেশি হওয়ার কারণে অনেকের পৌছাতে দেরি হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে জাহাজ মিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ সব জাহাজ ৯:৩০ টায় ছেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে ট্রলারে করে যাওয়া যায়।

প্ল্যান ১ : ঢাকা থেকে বাসে সরাসরি টেকনাফ
বাসের নাম: শ্যামলি, সেন্টমার্টিন পরিবহন (এসি, নন এসি), এস আলম, মডার্ণ, ঈগল, সৌদিয়া রিল্যাক্স।

ভাড়া : নন এসি ৯০০ টাকা, এসি ১৫০০-২০০০ টাকা

প্ল্যান ২ : ঢাকা থেকে ট্রেনে চিটাগাং, চিটাগাং থেকে বাসে সরাসরি টেকনাফ।
ঢাকা থেকে বিকেলে সুবর্ণ ট্রেনে এসে রাত ১২ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত সিনেমা প্যালেস থেকে এস আলম ও সৌদিয়া বাস সরাসরি টেকনাফে যায়। তাছাড়া গরিবুল্লাহ শাহ মাজার থেকে ও যাওয়া যায়।
বাসের নাম: এস আলম, সৌদিয়া
ছাড়ার সময় : রাত ১২-২ টা
ছাড়ার স্থান : সিনেমা প্যালেস ও জিইসি গরিবুল্লাহ শাহ এর মাজার
ভাড়া : ৪০০ টাকা।

প্ল্যান ৩ : ঢাকা থেকে বিমানে বা বাসে সরাসরি কক্সবাজার এসে টেকনাফ স্পেশাল সার্ভিসে করে টেকনাফ যাওয়া যায়।

বাসের নাম : স্পেশাল সার্ভিস (২ ধরণের বাস আছে একটা ক্লোজ ডোর, আর একটা হ্নীলাতে বিরতি দেয়।
ছাড়ার সময়: ভোর ৫:৩০ থেকে ছাড়ে লালদিঘীর পাড় থেকে।
বাস ছাড়ার স্থান : লাল দিঘীর পাড় ও বাস টার্মিনাল
ভাড়া : ১৪০-১৫০ টাকা ( এজেন্ট এর মাধ্যমে গেলে ২০০ নিবে)

প্ল্যান ৪: টেকনাফ নামারবাজার ঘাট থেকে ট্রলার ও বোট ছাড়ে। জাহাজে যেতে হলে বাসে বা সিএনজি তে দমদমিয়া ঘাটে গিয়ে সেখান থেকে জাহাজে যাওয়া যায়। জাহাজ ছাড়ার কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে কিছু ট্রলার ও ছাড়ে। টেকনাফ থেকে দমদমিয়া ঘাট বাস ভাড়া -২০ টাকা।

দমদমিয়া জাহাজ ঘাট থেকে টেকনাফ স্পেশাল বাস সার্ভিসে আপনি কক্সবাজার ফিরতে পারেন। ঘাটে সিট না পেলে টেকনাফ শহরে গিয়ে উঠতে পারেন। ভাড়া ১৪০-১৫০। সর্বশেষ বাস ছাড়ে রাত ৮ টায়।

প্রশ্ন ৭:

ক. সেন্টমার্টিন কোন কোন জাহাজ চলে?
খ. সেন্টমার্টিন যাওয়ার আরামদায়ক জাহাজ কোনটা?
গ. কম সময়ে সেন্টমার্টিন পৌছে কোন জাহাজ?
ঘ. পারিজাত ও কুতুবদিয়া ও গ্রীন লাইন জাহাজ কি এখন চলে?
ঙ. এম ভি টিপু নাকি টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যায়, কতটুকু সত্য?

উত্তর : বর্তমানে টেকনাফ- সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলে কেয়ারি সিন্দাবাদ, কেয়ারি ক্রুজ এন্ড ডাইন, বেক্রুজ ও সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে এম ভি টিপু ৭। গ্রীন লাইন, পারিজাত ও কুতুবদিয়া আগে চলাচল করলে ও অনুমুতি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে এখন বন্ধ আছে। কম সময়ে যাওয়ার জন্য বেক্রুজ ও এম ভি টিপু ৭ এ যেতে পারেন। দ্রুত ও আরামদায়ক ভ্রমণ চাইলে বেক্রুজে যেতে পারেন (শীততাপ নিয়ন্ত্রিত), সময় লাগে ১ঘন্টা ৩০ মিনিট।

*** ২০১৯ এর তথ্য এখনো পুর্ণভাবে আমাদের কাছে নাই, পাওয়া মাত্র এই সেকশন আপডেট করা হবে।

প্রশ্ন ৮:

ক. জাহাজ টেকনাফ থেকে কয়টায় ছাড়ে এবং সেন্টমার্টিন থেকে কয়টায় ছাড়ে?
খ. টিকেট এ কি শুধু যাওয়ার ভাড়া নেয় না যাওয়া আসার ভাড়া একসাথে?
গ. জাহাজে যেদিন যাব ঐদিন কি ফিরে আসতে হবে? যদি ১ দিন বা ২ দিন পরে সেন্টমার্টিন থেকে ফিরে আসি সেক্ষেত্রে কি আমাকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে?

উত্তর: টেকনাফ থেকে জাহাজ ছাড়ে ৯:৩০, রিপোর্টিং টাইম ৯:০০, সেন্টমার্টিন থেকে ছাড়ে ৩:০০, রিপোর্টিং টাইম ২:৩০। সব জাহাজ একই সময় ছাড়ে আবার একই সময় ফিরে আসে। জাহাজের ভাড়া যাওয়া আসা একসাথে নিয়ে নেয়। আপনি টিকেট করার সময় যাওয়া এবং আসার তারিখ উল্লেখ করে দিবেন। কোন কারণে ১ দিন আগে বা পরে আসতে চাইলে ও আসতে পারবেন। তবে সেক্ষত্রে আপনার সিট বা আসন না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, দাঁড়িয়ে আসতে হবে। ১ দিন আগে বা পরে আসার জন্য কোন অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে না। কোন কারণে যদি আপনি জাহাজ মিস করেন তাহলে কোম্পানি টাকা রিটার্ণ করবে না। সেক্ষেত্রে ট্রলারে আসতে হবে।

প্রশ্ন ৯:

ক. জাহাজের ভাড়া কত?
খ. জাহাজের অগ্রিম টিকেট বুক দিব কিভাবে?
গ. জাহাজের ঠিকানা ও ফোন নাম্বার পাওয়া যাবে কিভাবে?
ঘ. কোন জাহাজে গেলে দ্রুত ও আরামে যেতে পারব?

উত্তর: বর্তমানে কেয়ারি ক্রুজ, এম ভি ফারহান, আটলান্টিক চলাচল করছে। কিছুদিনের মধ্যে বাকি আরও কিছু জাহাজ পার্মিশন পেলে চলাচল শুরু করবে। নিচের ভাড়া গুলো যাওয়া ও আসার (আপ ডাউন) একসাথে ভাড়া। সব প্রশ্নের বিস্তারিত পড়ুন এই লিংক থেকেঃ টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়ার উপায়

প্রশ্ন ১০ :

ক. সেন্টমার্টিনে কোথায় থাকব?
খ. সেন্টমার্টিনে রাতে থাকার ব্যবস্থা কি?
গ. সেন্টমার্টিনে থাকার জন্য কোন হোটেল বা কটেজের নাম্বার দিতে পারবেন?
ঘ. পশ্চিম বীচ, বাজারের পাশে অমুক হোটেল বা কটেজের নাম্বারটা দেওয়া যাবে?
ঙ. সেন্টমার্টিনে কোন হোটেল বা কটেজ বেস্ট হবে?

উত্তর : সেন্টমার্টিনে যাওয়ার আগে পর্যটকদের উৎকন্ঠার শেষ থাকে না, কোথায় থাকব, রুম পাব কিনা? সাধারণত লম্বা বন্ধ পড়লে বা শুক্র ও শনিবার ছাড়া রুম পাওয়া যায়। রুম নিজে এসে দেখে দরদাম করে নিতে পারলে সুবিধা। তবে বন্ধের দিন এবং বড় গ্রুপ হলে আগে বুকিং করা উত্তম। নিচে হোটেলের নাম, অবস্থান, ভাড়া ও যোগাযোগ নাম্বার সহ বিস্তারিত সিরিয়ালি দেওয়া হয়েছে। এখান থেকে আপনার পছন্দের হোটেল বা কটেজটি বুক করে নিতে পারেন। তবে সবগুলো হোটেল বা কটেজে যেহেতু আমার থাকা হয় নাই তাই শিউর না হয়ে বলা মুশকিল কোনটা ভাল হবে। আপনরা যাচাই করে থাকবেন।

পড়ুনঃ সেন্টমার্টিনের রিসোর্ট ও হোটেলের তথ্য

আশা করি সেন্টমার্টিন সম্পর্কিত সব প্রশ্ন চলে আসছে। উপরের প্রশ্নগুলো ছাড়া নতুন কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে আমাদের জানাতে পারেন, আমরা যথা সাধ্য চেষ্টা করবো আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে। আপনার পরিচিত সবাইকে এই তথ্য গুলো জানাতে শেয়ার করুন ফেসবুকে। শুভ হোক আপনার ভ্রমণ।

মূল তথ্য সহযোগিতায়ঃ রানা মোহাম্মদ ইউসুফ

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।