বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত অনন্য এক ভূখণ্ডের নাম সেন্টমার্টিন দ্বীপ। প্রকৃতির অসাধারণ রূপের নিদর্শন এই দ্বীপ প্রায় সারা বছরই ভ্রমণ পাগল মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। আর ভ্রমণ মৌসুমে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ পূর্ণ হয়ে উঠে হাজারো পর্যটকদের পদচারনায়।

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনের দূরত্ব ৩২ কিলোমিটার এবং টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে দূরত্ব ৯ কিলোমিটার। সেন্টমার্টিন দ্বীপকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা পর্যটন শিল্পকে সমৃদ্ধ করতে স্থানীদের বাহন কাঠের নৌকা আর ইঞ্জিনচালিত বোটের পাশাপাশি অত্যাধুনিক বিলাসবহুল জাহাজ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে চলাচল করে।

সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ চলাচল সাধারণত মৌসুমের উপর নির্ভর করে। আর চলতি বছর ০১-১১-২০১৯ তারিখ থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাওয়ার পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে বর্তমানে এমভি ফারহান, কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন এবং দ্যা আটলান্টিক নামের তিনটি জাহাজ চলাচল শুরু করেছে। ভবিষ্যতে জাহাজের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজগুলো চলাচল করতে পারে। কেয়ারি ঘাট হতে জাহাজে চড়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপ পৌঁছাতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে।

সেন্টমার্টিন বেড়ানোর বিস্তারিত জানতে পড়ুন আমাদের সেন্টমার্টিন ভ্রমণ গাইড

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।