শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলায় সুরেশ্বর গ্রামে সুরেশ্বর দরবার শরীফ (Sureswar Darbar Sharif) অবস্থিত। পদ্মা পাড়ের এই জেলার সুরেশ্বর গ্রামে হযরত জান শরীফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রহঃ) জন্ম গ্রহণ করেন। অনেক ভক্তগণ শাহ্ সুরেশ্বরী (রহঃ) কে “জানু বাবা” এবং “দয়াল বাবা” বলে ডাকেন।

হযরত জানশরীফ শাহ সুরেশ্বরী (রহঃ) ছিলেন সুরের প্রেমিক। সুরেশ্বরী (রহঃ)আল্লাহ্ ও রাসুলের প্রতি প্রেমের সম্পর্ক স্থাপনে সুর বা সঙ্গীতকে বিশেষভাবে ব্যবহার করেন। তাঁর মতে, ‘সুর’ মনে ভাব ও প্রেমের জন্ম দেয়। প্রতি বছর অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী এবং সাধারণ মানুষ সুরেশ্বর দরবার শরীফ দর্শন করে থাকে।

কিভাবে যাবেন

ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্লোরি এক্সপ্রেস লিমিটেডের বাস সরাসরি নড়িয়ায় যায়। নড়িয়া থেকে সুরেশ্বর দরবার শরীফ যাওয়ার জন্য রিকশা বা অটোরিকশা পাওয়া যায়।

এছাড়া সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে যাত্রিক, নিরাপদ এবং সুরেশ্বর লঞ্চে নড়িয়া লঞ্চঘাট নেমে রিকশা কিংবা অটোরিকশা ভাড়া করে সহজে সুরেশ্বর দরবার শরীফ যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন

শরীয়তপুর জেলায় তেমন ভাল আবাসিক হোটেল ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। শরীয়তপুর জেলা সদরে অবস্থিত আবাসিক হোটেলের মধ্যে নুর হোটেল (0601-61461), চন্দ্রদাস রেস্ট হাউজ (0601-61256), হোটেল শের আলী (01711-244373) উল্লেখযোগ্য।

কোথায় খাবেন

নড়িয়ায় বেশ কয়েকটি সাধারণ মানের খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এদের মধ্যে ফুড হেভেন, প্রিয়জন হোটেল, লুইসা রাইসা ফ্রাইড চিকেন, প্রিয়জন রেস্টুরেন্ট এন্ড মিনি চাইনিজ উল্লেখযোগ্য।

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।