গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরের শ্রীফলতলী গ্রামে শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি (Shreefaltali Court Of Estate) অবস্থিত। রহিম নেওয়াজ খান চৌধুরীর মাধ্যমে এই জমিদার বাড়ির গোড়াপত্তন ঘটে। রহিম নেওয়াজ খানের পিতা খোদা নেওয়াজ খান শ্রীফলতলী জমিদার এস্টেটের কর্ণধার ছিলেন। শ্রীফলতলী জমিদার বাড়িটি জমিদারী পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হত। রহিম নেওয়াজ খানের প্রচেষ্টার ফলে প্রায় ১০০ বছর আগে কালিয়াকৈর থানা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

যেকোন দর্শনার্থী শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ির দুই তরফ অংশটি ঘুরে দেখতে পারেন। ছোট তরফ অংশে জমিদারের বর্তমান উত্তরাধীকারীগণ বসবাস করেন ফলে এখানে প্রবেশের জন্য অনুমতির প্রয়োজন। বিভিন্ন ছবির শুটিংয়ের জন্য ছোট তরফ ভাড়া দেয়া হয়ে থাকে। বড় ও ছোট তরফের মাঝামাঝি স্থানে একটি মসজিদ রয়েছে।

যাওয়ার উপায়

ঢাকা হতে রাজধানী পরিবহণের বাস এয়ারপোর্ট এবং উত্তরা হয়ে কালিয়াকৈর যায়। রাজধানী পরিবহণের বাসে শ্রীফলতলী মোড়ে নামতে পারবেন। শ্রীফলতলী মোড় হতে মাত্র ৫-৬ মিনিট হাঁটলেই জমিদার বাড়ি পৌঁছে যাবেন।

গাবতলী বাস টার্মিনাল হতে মৌমিতা, ইতিহাস ও ঠিকানা পরিবহণের বাস গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত চলাচল করে। চন্দ্রা থেকে কালিয়াকৈর বাস স্ট্যান্ড এসে সেখান থেকে রিক্সা নিয়ে শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন

রাত্রিযাপনের জন্য গাজীপুরে বেশকিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। হ্যাপি ডে ইন, নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট, নন্দন ভিলেজ, হলিডে এক্স ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

ফিচার ইমেজ: সাজ্জাদুর রহমান শাউন

ম্যাপে শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।