নাগরপুর উপজেলায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী মোকনা জমিদার বাড়ি (Munkona Zamidar Bari) টাঙ্গাইল জেলার প্রাচীন জমিদার বাড়ীগুলোর মধ্যে অন্যতম এক দর্শনীয় স্থান। দ্বিতল ভবন বিশিষ্ট মোকনা জমিদার বাড়িটি ফুল লতা-পাতার বিভিন্ন কারুকার্যে সুসজ্জিত। কালের বিবর্তনে জমিদার বাড়ির আদিম সৌন্দর্য ও কারুকার্যময় নকশা বিলীন হয়ে গেলেও নাগরপুরের তৎকালীন জমিদারিত্বের প্রতীক হিসেবে শত বছরের পুরনো এই জমিদার বাড়িটি আজো টিকে আছে।

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে মোকনা জমিদার বাড়ীতে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে টাঙ্গাইল শহরে আসতে হবে। ঢাকার মহাখালি বা কল্যাণপুর থেকে টাঙ্গাইল বা ধনবাড়ীগামী বাসে টাঙ্গাইল যাওয়া যায়। টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থেকে মামুদনগর ইউনিয়ন পরিষদের ধলেশ্বরী নদী পার হয়ে মোকনা জমিদার বাড়ীতে যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের মোকনা জমিদার বাড়ী ঘুরে সন্ধ্যার মধ্যেই ঢাকায় ফিরে আসা সম্ভব। তবে রাত্রি যাপনের প্রয়োজনে টাঙ্গাইল শহরের মসজিদ রোড ও নিরালা মোড়ে অবস্থিত আল ফয়সাল, হোটেল প্রিন্স, ব্যুরো হোটেল, আফরিন হোটেল, হোটেল সিলিকন, আযান রেসিডেন্সিয়াল, হোটেল প্যারাডাইস ইন, হোটেল সাগরে যোগাযোগ করতে পারেন।

কোথায় খাবেন

টাঙ্গাইলের নিরালা মোড়ে নিরালা ঘর, কবিরস ও নিউ তৃপ্তির মতো বেশ কিছু রেস্তোরা আছে। নাগরপুর বাজারে হালকা নাস্তা করার মত দোকান রয়েছে। সুযোগ থাকলে টাঙ্গাইলের বিখ্যাত পোড়াবাড়ীর চমচমের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।

অন্যান্য দর্শনীয় স্থান

টাঙ্গাইলের অন্যান্য জমিদার বাড়ীর মধ্যে ধনবাড়ী, করটিয়া জমিদার বাড়ি, মহেরা জমিদার বাড়ি এবং পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী উল্লেখযোগ্য।

ম্যাপে মোকনা জমিদার বাড়ি

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।