কড়াপুর মিয়াবাড়ি জামে মসজিদ (Mia Bari Mosque) বরিশাল জেলার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৮০০ শতকে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে মনে করা হয়। মূল মসজিদটি উঁচু একটি আয়াতকার বেসমেন্টের উপর নির্মাণ করা হয়েছে। আর নীচের বেসমেন্টের কক্ষগুলো বর্তমানে মাদ্রাসার ছাত্রদের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

মিয়াবাড়ি মসজিদে প্রবেশের জন্য দোতলা থেকে একটি প্রশস্ত সিঁড়ি মাটিতে নেমে এসেছে। আর মসজিদের ছাদে শোভা পাচ্ছে পাশাপাশি অবস্থানে নির্মিত তিনটি সুদৃশ্য গম্বুজ। এছাড়াও মসজিদের সামনে এবং পেছনের দেয়ালে চারটি করে মোট আটটি মিনার রয়েছে। কড়াপুর মিয়াবাড়ি মসজিদের পূর্বদিকে অবস্থিত বিশালাকার পুকুরটি মসজিদের সৌন্দর্য্যে যোগ করেছে ভিন্নমাত্রা।

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগে। গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন ভোর ৬ টা হতে রাত ১০ টা পর্যন্ত নিয়মিত বিরতিতে বেশকিছু বাস চলাচল করে। শাকুরা, ঈগল এবং হানিফ পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসের ভাড়া ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)।

ঢাকা থেকে বরিশাল যাওয়ার আদর্শ বাহন হচ্ছে লঞ্চ। সদরঘাট থেকে বরিশালগামী লঞ্চগুলো রাত ৮টা থেকে ৯ টার মধ্যে ছেড়ে যায় এবং ভোরে বরিশাল পৌঁছায়। সুন্দরবন ৭/৮, সুরভী ৮, পারাবত ১১, কীর্তনখোলা ১/২ লঞ্চের ডেকের ভাড়া ১৫০ টাকা, ডাবল কেবিন ১৬০০ টাকা এবং ভিআইপি কেবিনের ভাড়া ৪৫০০ টাকা।

বরিশাল শহরের হাতেম আলী কলেজ সংলগ্ন চৌমাথা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত মিয়াবাড়ি মসজিদে ইজি বাইকে সহজেই যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন

বরিশালে রাত্রিযাপনের জন্য বেশকিছু ভালো মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড পার্ক (01777-735172), হোটেল এথেনা ইন্টারন্যাশনাল (01712-261633), হোটেল সেডোনা, হোটেল আলি ইন্টারন্যাশনাল উল্লেখযোগ্য।

কোথায় খাবেন

বরিশালে অসংখ্য খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে। আর এসব হোটেল/রেস্টুরেন্ট থেকে আপনার পছন্দমত খাবার খুঁজে নিতে মোটেও বেগ পেতে হবে না।

ভ্রমণ সংক্রান্ত যে কোন তথ্য ও আপডেট জানতে ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ এবং জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে

ম্যাপে মিয়াবাড়ি জামে মসজিদ

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।