যমুনা ফিউচার পার্ক (Jamuna Future Park) দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ বহুতল শপিং মল হিসাবে পরিচিত। ২০০২ সালে যমুনা বিল্ডার্স লিমিটেড প্রায় ৪,১০০,০০ বর্গফুট আয়তনের এই সুবিশাল শপিং কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শুরু করে। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর যমুনা ফিউচার পার্ক সফলভাবে খুলে দেয়া হয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটু দূরে কুড়িল ফ্লাইওভার কাছে অবস্থিত যমুনা ফিউচার পার্ক প্রাঙ্গণে প্রবেশের শুরুতেই রয়েছে স্কাইড্রপ, রোলার কোস্টার, পাইরেট শিপ, ম্যাজিক উইন্ডমিল, ফ্লাইং ডিসকো ও টাওয়ার চ্যালেঞ্জারের মতো শিহরণ জাগানিয়া ৬টি রোমাঞ্চকর আউটডোর রাইড।

যমুনা ফিউচার পার্কে আছে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ব্রান্ডের বিক্রয় কেন্দ্র, ফুডকোর্ট, রেষ্টুরেন্ট, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, প্লেয়ারস জোন এবং সুপরিসর কার পার্কিং। কেনাকাটার পাশাপাশি চিত্তবিনোদনের জন্য এই শপিং কমপ্লেক্সে প্রচুর দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।

যমুনা ফিউচার পার্কের সময়সূচী

যমুনা ফিউচার পার্ক বুধবার বন্ধ থাকে। এছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

যোগাযোগ
ক-২৪৪, কুড়িল, প্রগতি সরণি, বারিধারা
ফোন: ৮৪১৬০৫১-২
মোবাইল: ০১৯৩৭-৪০০২০৫ থেকে ২২ পর্যন্ত
ওয়েবসাইট: www.jamunafuturepark.com

কিভাবে যাবেন

ঢাকা শহরের যেকোন স্থান থেকে কুড়িল বিশ্বরোড এসে বাস, সিএনজি অথবা রিকশা যোগে যমুনা ফিউচার পার্ক যেতে পারবেন। এছাড়া ঢাকার বিভিন্ন স্থান হতে প্রগতি সরণি/বাড্ডা/বারিধারা হয়ে গমনকারী যেকোন বাসে এই শপিং এর সামনে নেমে যেতে পারবেন।

ফিচার ইমেজ: যমুনা ফিউচার পার্ক

ম্যাপে যমুনা ফিউচার পার্ক

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।