রাজধানী ঢাকার সদরঘাট এলাকায় অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (Jagannath University)। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৫৮ সালে যাত্রা শুরু করলেও ২০০৫ সালে জগন্নাথ কলেজ হতে এই প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়।

প্রায় ১১.১১ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪টি অনুষদ, ২৮টি বিভাগ, প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষার্থী এবং ৯৬০ জন শিক্ষক রয়েছে। এখানে সর্বমোট ভবন সংখ্যা ১০টি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি শহীদ মিনার এবং একাত্তরের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নামে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য রয়েছে।

ইতিহাস

সৃষ্টির চিরন্তন ধারা অনুসরণ করে ছোট থেকে বড়তে পরিনত হওয়ার যাত্রায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এক গৌরবময় ইতিহাসের মধ্য দিয়ে পর্যায়ক্রমে নিজের নামের পাশে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠার সময় ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যানিকেতনের নাম ছিল ‘ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুল’। ১৮৭২ সালে বালিয়াটির জমিদার কিশোরীলাল রায় চৌধুরীর বাবার নামে ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুল নাম বদলে রাখা হয় জগন্নাথ স্কুল। ১৮৮৪ সালে জগন্নাথ স্কুল দ্বিতীয় শ্রেণীর কলেজের মর্যাদা লাভ করে। পরবর্তীতে ১৯০৮ সালে প্রথম শ্রেণীর কলেজে পরিণত হয়।

কীভাবে যাবেন

ঢাকার যেকোন স্থান থেকে সদরঘাট এসে রিক্সায় বা পায়ে হেঁটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পৌঁছাতে পারবেন।

ফিচার ইমেজ: আবু হেনা

ম্যাপে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।