হোসেনী দালান (Hossaini Dalan) বা ইমামবাড়া মূলত কারাবালার প্রান্তরে শাহাদাৎ বরণকারী ঈমাম হোসেনের স্মৃতির স্মরনে নির্মিত শিয়া সম্প্রদায়ের একটি উপসনালয়। পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত এই স্থাপনাটি প্রায় ৩০০ বছরের পুরানো। অনুমান করা হয় ১৭শ শতকে মোগল সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে হোসেনী দালান ভবনটি নির্মাণ করা হয়।

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক হোসেনী দালানের তোরণ দিয়ে প্রবেশ করলে শিয়া সম্প্রদায়ের কবরস্থান, মূল ভবন এবং একটি বিশাল বাগান দেখতে পাওয়া যায়। আর মূল ভবনের পেছনে রয়েছে একটি দীঘি। জাতীয় জাদুঘরে হোসেনী দালানের রূপা দিয়ে তৈরি একটি রেপ্লিকা রাখা আছে।

প্রতিবছর মহরম মাসের প্রথম ১০ দিন পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে হোসেনী দালান উৎসব মুখরিত হয়ে উঠে। সে সময় এখানে বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এছাড়াও মহরমের ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল এখান থেকেই যাত্রা করে।

পরিদর্শনের সময়সূচী : প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত হোসেনী দালান পরিদর্শন করা যায়।

কিভাবে যাবেন

ঢাকা শহরের যেকোন স্থান হতে আপনার সুবিধামত সায়দাবাদ অথবা গুলিস্থান এসে সরাসরি রিকশা নিয়ে চানখাঁরপুল এলাকায় অবস্থিত হোসেনী দালান বা ইমামবাড়া যাওয়া যায়।

পুরান ঢাকার অন্যান্য দর্শনীয় স্থান
আহসান মঞ্জিল
লালবাগ কেল্লা

Feature Image By David Stanley

ম্যাপে হোসেনী দালান

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।