রাজধানী ঢাকার সাভার উপজেলার মজিদপুরে রয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা রাজা হরিশচন্দ্রের ঢিবি (Raja Harishchandra Dhibi)। রাজা হরিশচন্দ্রের ঢিবি স্থানীয় মানুষের কাছে রাজা হরিশচন্দ্রের বাড়ি/রাজা হরিশচন্দ্রের ভিটা/রাজা হরিশচন্দ্রের প্রাসাদ ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। মজিদপুরের রয়েছে ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সপ্তম-অষ্টম শতকে এখানে প্রাচীন বংশাবতী নদীর তীরে পাল বংশীয় রাজা হরিশ্চন্দ্রের শাসনাধীন সর্বেশ্বর রাজ্যের রাজধানী ছিল। ধারণা করা হয় রাজা হরিশ্চন্দ্রের রাজধানী সম্ভার থেকেই পর্যায়ক্রমে সাভার নামের উৎপত্তি হয়।

নব্বইয়ের দশকে এক খননের ফলে এই প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের সন্ধান পাওয়া যায়। রাজা হরিশচন্দ্রের ঢিবি থেকে প্রাপ্ত নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে হরিকেল রৌপ্যমুদ্রা, স্বর্ণমুদ্রা এবং ব্রোঞ্জের তৈরি বুদ্ধমূর্তি। যা বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

কিভাবে যাবেন

ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে সাভারগামী বেশকিছু বাস সার্ভিস চালু আছে। গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে সাভারের দূরত্ব প্রায় ২৪ কিলোমিটার। সাভার পৌরসভার রাজাসন এলাকার মজিদপুরে রয়েছে রাজা হরিশচন্দ্রের ঢিবি। সাভার বাজার বাসষ্ট্যান্ড থেকে পূব দিকের রাস্তায় রিক্সা ভাড়া নিয়ে অথবা পায়ে হেঁটে রাজা হরিশচন্দ্রের ঢিবি যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন

রাজধানী ঢাকার প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই কম বেশি আবাসিক হোটেল রয়েছে। এখানে ৫ তারকা মানের হোটেল থেকে শুরু করে সাধারণ মানের হোটেলও পাবেন। ৫ তারকা হোটের মধ্যে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ, হোটেল লা মেরিডিয়েন, র‍্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

ফিচার ইমেজ: লাবনী আক্তার

ম্যাপে রাজা হরিশচন্দ্রের ঢিবি

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।