গাইবান্ধা পৌর পার্ক, গাইবান্ধা পৌরসভার নিয়ন্ত্রনাধীন সামাজিক বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে অতি সুপরিচিত একটি উন্মুক্ত স্থান। গাইবান্ধা জেলা শহরে বসবাসকারীদের চিত্তবিনোদনের কথা বিবেচনা করে ১৯২৭ সালে জমিদার গোবিন্দ লাল রায়ের দান করা ১ একর ৭ শতক জমিতে গাইবান্ধা পৌর পার্ক (Gaibandha Pouro Park) যাত্রা শুরু করে। একটি পুকুরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা পার্কে বিভিন্ন রকমের ফুল, ফল ও বনজ গাছ রয়েছে। আর পুকুরের মাঝখানে পানির ফোয়ারা এবং এক পাশে সান বাধানো ঘাট আছে। শান্ত সুন্দর এই পুকুরের পাড়ে বসে নিশ্চিন্তে একটি বিকেল কাটিয়ে দেয়া যায় তাই বেলা বাড়ার সাথে সাথে এখানে দর্শনার্থীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

পুকুর ঘাট, রঙিন মাছ, সারি সারি বেঞ্চ, ক্যান্টিন, গ্যালারি এবং বিভিন্ন প্রানীর প্রতিকৃতির সাথে খোলা আকাশ এবং বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক পরিবেশ সকল বয়সী মানুষকে গাইবান্ধা পৌরপার্কে টেনে আনে।

কিভাবে যাবেন

গাইবান্ধা জেলায় যাওয়ার জন্য রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থান হতে এসি/নন-এসি বেশকিছু বাস চলাচল করে। এদের মধ্যে শ্যামলী পরিবহন, আল হামরা পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস প্রাঃ লিঃ এবং অরিন ট্রাভেলস উল্লেখযোগ্য। জনপ্রতি বাস ভাড়া বাসের ধরণ অনুযায়ী ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত।

এছাড়া ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে রংপুর এক্সপ্রেস এবং লালমনিরহাট এক্সপ্রেস নামে দুইটি ট্রেন সকাল এবং রাতে যাত্রা করে।

গাইবান্ধা জেলা বাসস্ট্যান্ড হতে রিক্সা, অটোরিক্সা দিয়ে সহজেই গাইবান্ধা পৌরপার্ক যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন

গাইবান্ধায় রাত যাপনের জন্যে আছে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজ, এসকেএস ইন হোটেল ও গণ উন্নয়ন কেন্দ্র। কলেজ রোডে অবস্থিত এসকেএস ইন সবচেয়ে ভালো অপশন। রুমের সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী ভাড়া ৩৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা।

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।