ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্র সংসদ ভবন সংলগ্ন ক্রিসেন্ট লেকের পাশে চন্দ্রিমা উদ্যান (Chandrima Uddan) অবস্থিত। চন্দ্রিমা উদ্যান নামকরণ নিয়ে ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। কেউ কেউ মনে করেন এখানে একটি বাড়ি ছিল, যার মালিকের নাম চন্দ্রিমা। আবার কারো মতে, অর্ধচন্দ্রাকৃতির ক্রিসেন্ট লেকের সাথে মিলিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ এটির নাম রাখেন চন্দ্রিমা উদ্যান।

১৯৮১ সালের পূর্বে শেরে বাংলা নগরের এই চন্দ্রিমা উদ্যান চাষাবাদ এবং গবাদিপশুর খামারের জন্য ব্যবহার করা হত। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে এখানে সমাহিত করে এলাকাটিকে দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হয়। বাংলাদেশের সরকার গঠনকারী দলের ক্ষমতার পালাবদলের সাথে সাথে এই উদ্যানের নামও বার বার চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে জিয়া উদ্যান, আবার জিয়া উদ্যান থেকে চন্দ্রিমা উদ্যানে পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে স্থানটি এই দুই নামেই সমানভাবে পরিচিতি লাভ করেছে।

প্রায় ৭৪ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত চন্দ্রিমা উদ্যানে আছে মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি কমপ্লেক্স, ক্যান্টিন, ঝুলন্ত সেতু, মেমোরিয়াল হল এবং মসজিদ। এছাড়া উদ্যানের কাছে অবস্থিত ক্রিসেন্ট লেকের উপর ঝুলন্ত সেতু ও ফোয়ারা আগত দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। চন্দ্রিমা উদ্যান সারা বছর দর্শনার্থীদের পদভারে মুখর থেকে। আর বিশেষ দিনগুলোতে প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটাতে সকল বয়সী মানুষের আগমণ ঘটে চন্দ্রিমা উদ্যানে।

কিভাবে যাবেন

ঢাকা শহরের যেকোন স্থান থেকে সিএনজি, বাস, প্রাইভেটকার কিংবা মোটর রাইড সার্ভিসে করে শেরে বাংলা নগরের অবস্থিত চন্দ্রিমা উদ্যানে আসতে পারবেন।

ফিচার ইমেজ:সাজং চাকমা

ম্যাপে চন্দ্রিমা উদ্যান

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।