গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বলিয়াদী ইউনিয়নে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলিয়াদী জমিদার বাড়ী (Baliadi Jamider Bari) অবস্থিত। ১৬১২ খৃস্টাব্দে মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমান বলে প্রতিষ্ঠিত বলিয়াদী এস্টেটের প্রথম কর্ণধর ছিলেন ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিকী (রাঃ) বংশধর কুতুব উদ্দিন সিদ্দিকীর পুত্র সাদ উদ্দিন সিদ্দিকী।

বর্তমান বলিয়াদী এস্টেটের মোতওয়াল্লী চৌধুরী তানভীর আহম্মদ সিদ্দিকী খলিফা আবু বকর সিদ্দিকীর ৩৭তম বংশধর। বলিয়াদী জমিদার বাড়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের আওয়তাভুক্ত কোন সম্পত্তি নয় এবং জমিদারদের বংশধরাই বর্তমানে এই বাড়ির মালিক। বলিয়াদী জমিদার বাড়ীর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে রয়েছে শ্রীফলতলী জমিদার বাড়ি নামে আরও একটি জমিদার বাড়ি।

কিভাবে যাবেন

ঢাকার মহাখালী কিংবা অন্য যেকোন স্থান থেকে টাঙ্গাইলগামী বাসে কালিয়াকৈর বাইপাস নেমে রিকশা বা সিএনজি নিয়ে বলিয়াদী জমিদার বাড়ী পৌঁছাতে পারবেন। এছাড়া রাজধানী পরিবহণের বাস এয়ারপোর্ট এবং উত্তরা হয়ে কালিয়াকৈরের পথে চলাচল করে। রাজধানী পরিবহণের বাসে বলিয়াদী জমিদার বাড়ী কাছে শ্রীফলতলী মোড়ে নামতে পারবেন।

আবার গাবতলী বাস টার্মিনাল হতে মৌমিতা, ইতিহাস ও ঠিকানা পরিবহণের বাসে গাজীপুরের চন্দ্রা নামক স্থানে নেমে কালিয়াকৈর বাস স্ট্যান্ড এসে সেখান থেকে রিক্সা নিয়ে বলিয়াদী জমিদার বাড়ি যাওয়া যায়।

কোথায় খাবেন

কালিয়াকৈর বাইপাসের কাছে অবস্থিত ঘরোয়া রেস্তোরাঁর খাবার বেশ মানসম্মত। এছাড়া চাইলে ঢাকায় ফিরে এসে আপনার পছন্দমত রেস্টুরেন্টে খেতে পারবেন।

ফিচার ইমেজ: মোঃ মোফাজ্জল হোসেন

ম্যাপে বলিয়াদী জমিদার বাড়ী

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।