কুষ্টিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্র কুষ্টিয়া–ঝিনাইদহ মহাসড়কের কাছে উপজেলা মোড়ে দিশা টার্ক (DESHA TARC) হোটেলের অবস্থান। হোটেলটি অনেকের কাছে দিশা টাওয়ার নামেও পরিচিত। নতুন এই হোটেলটি দ্রুতই স্থানীয় পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশাল এই হোটেল এ রয়েছে আধুনিক থাকার ব্যবস্থা ও যেকোন ধরেন সামাজিক ও কর্পোরেট অনুষ্ঠান আয়োজনের সুবিধা। শহরের শাহপরান চত্বরের কাছাকাছি হওয়ায় যাতায়াতের সুবিধার দিক থেকে এই হোটেল সবাই পছন্দ করেন। যারা কুষ্টিয়ায় ব্যবসা, পর্যটন বা পারিবারিক ভ্রমণে আসবেন, তাদের জন্য দিশা টার্ক একটি আদর্শ পছন্দ হতে পারে।

রুম ভাড়া ও খরচ

দিশা টার্ক হোটেল এর রয়েছে প্রশস্ত বারান্দা সহ ১০২টি বিলাসবহুল রুম এবং স্যুট যা থেকে শহরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। এই হোটেলের সর্বনিম্ন ভাড়া ২,২০০ টাকা থেকে শুরু।

Room TypeRoom Price
Deluxe Couple2,200 Tk
Deluxe Twin2,700 Tk
VIP Deluxe Couple6,000 Tk
VIP Deluxe Twin6,800 Tk
Presidential Suite12,000 Tk

যোগাযোগ
দিশা টাওয়ার
উপজেলা মোড়, কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়ক, কুষ্টিয়া
মোবাইলঃ 01720-510330, 01720-510311, 09604-224433
ইমেইলঃ info.deshatarc@gmail.com
Website | Facebook Page
Google Map Location

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে বাস ও ট্রেনে কুষ্টিয়ায় যাওয়া যায়। রাজধানীর কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে নিউ এসবি সুপার ডিলাক্স, শ্যামলী, হানিফ পরিবহণের বাসে কুষ্টিয়া যেতে পারবেন। বাসের ভাড়া লাগবে নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ১০০০-১২০০ টাকা। 

ট্রেন এ যেতে চাইলে সুন্দরবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস এ যেতে পারবেন। সুন্দরবন এক্সপ্রেস সকালে ছেড়ে যায় ৮ টায়, মধুমতি এক্সপ্রেস বিকাল ৩ টায় ও বেনাপোল এক্সপ্রেস রাত ১১ টা ৩০ মিনিট এ কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়। ট্রেনের আসনভেদে টিকেট এর মূল্য ৪১০-৯৪৩ টাকা। ট্রেনে গেলে আপনাকে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে নামতে হবে। কুষ্টিয়া শহর থেকে রিকশা/ইজিবাইকের মত স্থানীয় পরিবহণে খুব সহজেই যেতে পারবেন হোটেলটিতে।

কোথায় খাবেন

কুষ্টিয়ার একমাত্র রুফটপ রেস্টুরেন্ট রয়েছে এই হোটেলেই। সবুজ গাছপালা ঘেরা এই রেস্টুরেন্টে বসে অতিথিরা দেশী খাবের পাশাপাশি খেতে পারেন ভারতীয়, ইতালিয়ান, থাই, রাশিয়ান ও চাইনিজ খাবার।

আশেপাশের দর্শনীয় স্থান

কুষ্টিয়া জেলার দর্শনীয় স্থান ও ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে অন্যতম হলো; লালন শাহের মাজার, লালন শাহ সেতু, মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা, টেগর লজরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি ও জাদুঘর

ভ্রমণ সংক্রান্ত যে কোন তথ্য ও আপডেট জানতে ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ এবং জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে

শেয়ার করুন সবার সাথে

দৃষ্টি আকর্ষণ: যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের দেশের সম্পদ। প্রকৃতি ও সৌন্দর্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন। অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল নাও থাকতে পারে। অনুগ্রহ করে আপনি কোথাও ভ্রমণে যাওয়ার পূর্বে বর্তমান তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে নিয়ে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এইসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই বাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।

মন্তব্য জানান

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।