ভুটান ভ্রমণ করার জন্য পর্যটকদের কাছ থেকে ট্রাভেল ট্যাক্স হিসেবে ভুটান সরকার ৬৫ ডলার এবং ভিসা ফি হিসেবে ৪০ ডলার নেওয়ার যে পরিকল্পনা করেছিল অবশেষে তারা সেই সিদ্ধান্ত হতে সরে এসেছে। অর্থাৎ এখন থেকে ভুটান ভ্রমণ করার জন্য কোন প্রকার অতিরিক্ত ফি দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

তবে ভুটানের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের প্রবেশ ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। যেসব স্থানের প্রবেশ ফি ৩০০ রুপি ছিল সেগুলো ৫০০ রুপি এবং ৫০০ রুপির প্রবেশ ফি বৃদ্ধি করে ১০০০ রুপি করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আইডি কার্ড প্রদর্শনপূর্বক আগের মতোই অর্ধেক প্রবেশ ফি প্রদান করতে পারবে।

গতবছর (২০১৯ সালে) বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপ এই তিন দেশের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা তুলে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে ভুটান সরকার। ভুটানের ট্যুরিজম কাউন্সিলের খসড়া পর্যটন নীতি ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে চালু হওয়ার কথা ছিল। ইকোনোমিক টাইমসের তথ্য মতে, ২০১৮ সালে মোট দুই লাখ ৭৪ হাজার পর্যটক ভুটান ভ্রমণ করেছেন, যার মধ্যে দুই লাখ পর্যটক ছিল উপমহাদেশের। আর শুধুমাত্র ভারত থেকে ভুটান গমনকারী পর্যটক সংখ্যা ছিল এক লাখ ৮০ হাজার।  

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।