পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে থাকা পাহাড় ঘেরা দেশ ভুটান। বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপ এই তিনটি দেশ ভুটানে অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা পেয়ে আসছে। সম্প্রতি ভুটান সরকার এই তিন দেশের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা তুলে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আর এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ভুটান ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপের পর্যটকদের বাড়তি ফি গুনতে হবে।

ভুটানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা তুলে নেয়ার পর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আগে থেকেই বাংলাদেশি পর্যটকদেরকেও ভুটানের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। আবেদনের জন্য ব্যয় হবে বাড়তি অর্থ। ভুটান ভ্রমণের জন্য বিদেশি পর্যটকদের প্রতিদিন ২৫০ মার্কিন ডলার অর্থাৎ প্রায় ২১ হাজার ২৫০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। যার মধ্যে টেকসই উন্নয়ন ফি ৬৫ ডলার এবং ভিসা ফি ৪০ ডলার।

নতুন এ নিয়ম চালু হলে ভুটান যেতে অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশী ভ্রমণকারীদের উন্নয়ন ফি বাবদ প্রতিদিন গুণতে হবে ৬৫ ডলার অর্থাৎ প্রায় পাঁচ হাজার ৬০০ টাকা। একদিনের জন্য ভুটান গেলে একজন বাংলাদেশিকে অবশ্যই ভিসা ফির ৩ হাজার ৪০০ টাকা (৪০ ডলার) এবং উন্নয়ন ফির ৫ হাজার ৬০০ টাকা নিয়ে অন্তত ৯ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

ভুটানের ট্যুরিজম কাউন্সিলের খসড়া এই পর্যটন নীতিটি আগামী ডিসেম্বর মাসে চূড়ান্ত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। যা ২০২১ সাল থেকে সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে। ইকোনোমিক টাইমসের তথ্য মতে, ২০১৮ সালে মোট দুই লাখ ৭৪ হাজার পর্যটক ভুটান ভ্রমণ করেছেন, যার মধ্যে দুই লাখ পর্যটক ছিল উপমহাদেশের। আর শুধুমাত্র ভারত থেকে ভুটান গমনকারী পর্যটক সংখ্যা ছিল এক লাখ ৮০ হাজার।

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।