নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার একঘেয়েমি কাটাতে মন প্রায়শই ব্যকুল হয় আর তখন ইচ্ছে থাকলেও সময়ের অযুহাতে দূরে কোথাও যাওয়া হয় না। সেইক্ষেত্রে ঢাকার কাছে রিসোর্ট থেকে পরিবার পরিজন বা বন্ধু বান্ধব নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। আজ ভ্রমণ গাইডের এই ব্লগে জানাবো ঢাকার কাছের জনপ্রিয় কয়েকটি রিসোর্ট সম্পর্কে। রিসোর্ট গুলো বাচাইয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভ্রমণকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত রিভিউ, গুগলে রেটিং, ঢাকা থেকে অবস্থান, খরচ, সুযোগ সুবিধা এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়েছে। প্রতিটি রিসোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে রিসোর্টের নামে ক্লিক করুন।

১. জল ও জঙ্গলের কাব্য

জল ও জঙ্গলের কাব্য (Jol O Jongoler Kabbo) বা পাইলট বাড়ি খ্যাত রিসোর্টটি গাজীপুর জেলাস্থ টংগীর পুবাইলে ৯০ বিঘা জমির উপর গড়ে তোলা হয়েছে। এই রিসোর্টি প্রকৃতিকে অবিকৃত রেখে বাঁশ আর পাটখড়ি দিয়ে সুনিপুণ ডিজাইনারের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে।

jol-o-jongoler-kabbo-gazipur
জল ও জঙ্গলের কাব্য, গাজীপুর

রাজধানী ঢাকার কাছে অল্প সময় ও স্বল্প খরচে সারাদিন কাটানোর জন্য জল জঙ্গলের কাব্য একটি চমৎকার স্থান। ঢাকার বেশ কাছে হওয়ায় দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায়। বাঁশ, পাটখড়ির বেড়া, ছনের ছাউনি আর দিগন্ত বিস্তৃত জলরাশি জন্ম দিয়েছে এক পরিচ্ছন্ন গ্রামীন ছোঁয়া। জল জঙ্গলের কাব্য রিসোর্টে নিজস্ব জমিতে চাষ করা শাক-সবজি, ধান এবং বিলের মাছ দিয়ে তৈরি খাবার পরিবেশন করা হয়। পেশাদারিত্বকে প্রাধান্য দেয়া এই রিসোর্টি একদিনের ছুটির অবসরে ঘুরে বেড়ানোর জন্য বিপুল জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

যোগাযোগ
বুকিং : +88 01885 00 7777
তথ্য : +88 01885 00 7777, +88 017 9292 9727, +88 01919 78 2245
ঠিকানা : Jol O Jongoler Kabbo, Pilot Bari, Demurpara, Pubail, Joydevpur-Pubail Road, Gazipur-7800, Bangladesh

২. ছুটি রিসোর্ট

ছুটি রিসোর্ট (Chuti Resort) গাজীপুরের সুকুন্দি গ্রামে প্রায় ৫০ বিঘা জায়গার উপর যত্নে গড়ে তোলা হয়েছে। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন গ্রামীণ আবহে তৈরী এই অবকাশ কেন্দ্রে রয়েছে নৌ ভ্রমণ এবং সংরক্ষিত বৃক্ষের বনে তাঁবু টানানোর ব্যবস্থা। আবাসনের জন্য ছুটি রিসোর্টে গড়ে তোলা হয়েছে ২১ টি এসি ও নন-এসি কটেজ।

chuti-resort-gazipur
ছুটি রিসোর্ট, গাজীপুর

এছাড়াও আছে ছনের তৈরী ঘর, কটেজ, মাছ ধরার ব্যবস্থা, বার্ড হাউস, ভেষজ গার্ডেন, ফল, সবজি ও ফুলের বাগান, আধুনিক রেস্টুরেন্ট, দুটি পিকনিক স্পট, গ্রামীণ পিঠার ব্যবস্থা, দুটি খেলার মাঠ এবং কিডস জোন। ছুটি রিসোর্টের পাখির কলরব, শিয়ালের হাঁক, বাঁদুড়, জোনাকি আলো ও ঝিঁঝিঁ পোকার গুঞ্জন আপনাকে প্রতি মূহুর্তে গাঁয়ের রাতের কথাই মনে করিয়ে দেবে। ছুটি রিসোর্টে আগত অথিতিদের নানা ধরনের মৌসুমি ফল উপহার দেওয়া হয়, আর সকালে নাস্তার আয়োজনে চালের রুটি, চিতই পিঠা, ডাল ভুনা, সবজি ও মুরগির গোশত পরিবেশন করা হয়।

যোগাযোগ
শুকুন্দি, আমতলি, জয়দেবপুর, গাজীপুর
মোবাইলঃ +8801777114488, +8801777114499
ই-মেইলঃ reservation@chutibd.com
Website | Facebook Page

৩. রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট

রাজেন্দ্রপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে শালবনের ভেতরে প্রায় ৮০ বিঘা জমি নিয়ে যৌথ মালিকানায় গড়ে তোলা হয়েছে রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট (Rajendra Eco Resort)। বনের স্বাভাবিক সৌন্দর্য্যকে অক্ষুন্ন রাখতে এখানে পরিকল্পিতভাবে আরো বনায়ন করা হয়েছে।

rajendra-eco-resort-gazipur
রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট

রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টে ২৬ টি কটেজ পার্ক ছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকটি মাটির ঘর। এখানে আগত অতিথিরা চাইলে রিসোর্টের লেকে মাছ ধরা, নৌকা ও সাইকেল চালানো কিংবা শাক-সবজি ও ফার্ম ঘুরে দেখতে পারেন। রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টে আরো রয়েছে একটি সুইমিং পুল, ম্যাসেজ পার্লার ও ক্যাফেটেরিয়া। ঘন অরণ্যের ভেতরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা ৪ তলা বিশিষ্ট প্রতিটি ভবনের ছাদে পাখির চোখে বন পর্যবেক্ষনের জন্য রয়েছে অবজারভেশন টাওয়ার। তাই শহরের বেশ কাছে ঝুল বারান্দায় বসে বন্য প্রকৃতি আর চোখ জুড়ানো সবুজের স্বাদ নিতে চলে আসতে পারেন রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্টে।

যোগাযোগ
ঢাকা-ময়মনসিংহ হাইওয়ে, মাওনা ভাবানিপুর, গাজীপুর
মোবাইলঃ 01713638723
ই-মেইলঃ support@howello.com
Website | Facebook Page

৪. পদ্মা রিসোর্ট

ঢাকা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলায় পদ্মা নদীর পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে নয়নাভিরাম পদ্মা রিসোর্ট (Podma Resort)। পদ্মা রিসোর্টে মোট ১৬ টি ডুপ্লেক্স কটেজ রয়েছে।

podma-resort-munshiganj
পদ্মা রিসোর্ট

প্রতিটি কটেজই একটি বড় বেডরুম, দুটি সিঙ্গেল বেডরুম এবং একটি ড্রইংরুমের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া রয়েছে দুটি সুন্দর ব্যালকনি ও একটি বাথরুম। বাঁশ ও তাল গাছের কাঠ দিয়ে তৈরী প্রতি কটেজে ৮ জন অনায়াসেই থাকা যায়। কটেজগুলো বেশ সাজানো-গুছানো এবং পরিষ্কার-পরিছন্ন। ১২ টি কটেজের নামকরণ করা হয়েছে বাংলা ১২ মাসের নাম অনুযায়ী আর বাকি ৪ টি কটেজের নাম দেয়া হয়েছে ঋতুর নামে। নৌকা ভ্রমণ করতে চাইলে বিভিন্ন ছোট বড় নৌকার ব্যবস্থা করা আছে এই পদ্মা রিসোর্টে।

যোগাযোগ
ঢাকা অফিসঃ গ্রাউন্ড ফ্লোর, হাউজ – ৩৮০, রোড – ২৮, মহাখালি নিউ DOHS
মোবাইলঃ 01752987688, 01680550598
রিসোর্টঃ 01746026134, 01625788920
ই-মেইলঃ info@padmaresort.net

৫. নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট

নাট্য অভিনেতা, পরিচালক, স্থপতি তৌকির আহমেদ এবং অভিনেত্রী বিপাশা হায়াত বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুরে দৃষ্টিনন্দন নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট (Nokkhottrobari Resort) প্রতিষ্ঠা করেন।

nokkhottrobari-resort-gazipur
নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট, গাজীপুর

প্রায় ২৫ বিঘা জমির উপর নিমির্ত এই রিসোর্টে রয়েছে দিঘী, কৃত্রিম ঝর্ণা, কনফারেন্স হল, সুইমিং পুল, রেস্টুরেন্ট, একটি আবাসিক ভবন বা বিল্ডিং কটেজ এবং কাঠ, বাঁশ ও ছনের তৈরী শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ১১ টি কটেজ। এখানে আছে শুটিং স্পট, লাইব্রেরী, মুভি থিয়েটার, বাচ্চাদের খেলার জায়গা, নৌকায় ঘুরে বেড়ানো ও মাছ ধরার ব্যবস্থা। বলতে গেলে অবসর কাটানোর জন্যে সকল ধরণের আনন্দ আয়োজন নিয়েই প্রস্তুত নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট।

যোগাযোগ
রাজাবাড়ি বাজার, শ্রীপুর, গাজীপুর
মোবাইলঃ +880 1772224281, +880 1772224282
ই-মেইলঃ sales@nokkhottrobari.com
Website | Facebook Page

৬. মাওয়া রিসোর্ট

রাজধানী ঢাকা শহর থেকে মাত্র ৩৮ কিলোমিটার দূরে মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কান্দিপাড়া গ্রামে নির্মিত মাওয়া রিসোর্ট (Mawa Resort) – কে ভ্রমণের জন্য একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে আখ্যায়িত করা যায়। মাওয়া ১নং ফেরিঘাট থেকে মাত্র ৫০০ গজ দূরে মাওয়া-ভাগ্যকূল রাস্তার পাশে পদ্মার পাড়ে নির্মিত মাওয়া রিসোর্ট প্রতিনিয়ত দেশি-বিদেশি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছে।

mawa-resort-munshiganj
মাওয়া রিসোর্ট, মুন্সিগঞ্জ

সবুজে মোড়া মাওয়া রিসোর্টের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করলে চারদিকে সারি সারি নারিকেল ও সুপারি গাছে ঘেড়া একটি সুন্দর দীঘি রয়েছে। দীঘিতে রয়েছে আধুনিক বোটে দীঘির শান্ত জলে ঘুরে বেড়ানো আয়োজন। দীঘির এক পাড়ে রয়েছে একটি ক্যাফেটেরিয়া এবং দীঘির পূর্ব পাড়ে রয়েছে ১৮ টি সারিবদ্ধ কটেজ। আর কটেজে যাওয়া আসার রঙিন দৃষ্টিনন্দন কাঠের সেতুগুলো কটেজ গুলোকে করেছে আরো আকর্ষণীয়।

যোগাযোগ
কান্দিপাড়া রোড, মাওয়া, ঢাকা
মোবাইলঃ 01711057947, 01755592585, 01755592584
ই-মেইলঃ mawaresort12@gmail.com
Website | Facebook Page

৭. বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট

বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর কাছে যমুনা নদীর পূর্ব পাশে গড়ে তোলা হয়েছে থ্রি স্টার মানের বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট (Bangabandhu Setu Resort)। এই রিসোর্টের পূর্ব নাম ছিল যমুনা রিসোর্ট (Jamuna Resort)। টাংগাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলার মাঝামাঝি স্থানে এই রিসোর্টি অবস্তিত। বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট এ রয়েছে জিম, হেলথ ক্লাব, সুইমিংপুল, বেকারি, ফরেন মানি এক্সচেঞ্জ এবং স্যুভেনির শপ। খেলাধুলার সুবিধা হিসাবে এখানে আছে ফুটবল, হকি, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন ও দাবার ব্যবস্থা।

jamuna-resort-tangail
বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট, টাংগাইল

থাকার জন্য বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট এ রয়েল সুইট, ডিলাক্স এক্সিকিউটিভ সুইট, ২ ও ৩ বেডরুমের কটেজ, ডরমিটরি এবং এক্সট্রা বেড সুবিধা রয়েছে। যমুনা রিসোর্টে একসাথে ১৫০ জন বসে খাবার গ্রহনের একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এখানে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নামে প্রায় ২০০ মানুষের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন দুইটি হলরুম আছে। এছাড়াও যমুনা রিসোর্টে নৌভ্রমণ এবং রিসোর্টের সাইট ভ্রমণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

যোগাযোগ
কর্পোরেট অফিসঃ
প্রগতি ইন্স্যুরেন্স ভবন (৭ম তলা) ২০-২১
কাওরান বাজার, ঢাকা ১২১৫
মোবাইলঃ 01715-852997, 01975-852997

৮. নামীর গ্রীন রিসোর্ট

নগর জীবনের ব্যস্ততার অবসাদ থেকে মুক্তি পেতে রাজধানী ঢাকার কাছে গাজীপুরের সালনাতে গড়ে উঠা নামীর গ্রীন রিসোর্ট (Namir Green Resort) একটি আদর্শ স্থান। পরিবার, প্রিয়জন কিংবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে পিকনিক অথবা হ্যাংআউটের উদ্দেশ্যে যে কোনো দিন স্প্রিং ভ্যালি রিসোর্টে চলে আসতে পারেন।

springvalley-resort-bd-gazipur
নামীর গ্রীন রিসোর্ট, গাজীপুর

১২ বিঘা জমির উপর গ্রামীণ আবহে নির্মিত এই রিসোর্টটি ট্রিপসিলো নামক একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। সুইমিংপুল, কিডস জোন, বিশাল মাঠ আর দেশীয় রান্নার স্বাদ আপনাকে নিয়ে যাবে শহুরে যান্ত্রিক জীবন থেকে চিরচেনা অনুভূতির জীবনে।এখানে বিয়ে ,জন্মদিন এর পার্টি, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান এবং পিকনিক করার সুব্যবস্থা আছে। ঢাকার বেশ কাছাকাছি দূরত্বে কম খরচে চিত্তবিনোদনের জন্য রিসোর্টটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, তাই ছুটির দিনের জন্য অগ্রিম বুকিং দিয়ে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

যোগাযোগ
মৈশান বাড়ি, টেক কাথোরা, সালনা বাজার, গাজীপুর
মোবাইলঃ 01955124132,01955124133
ই-মেইলঃ namirgreenresort@gmail.com

৯. সোহাগ পল্লী

১১ একর সবুজে ঘেরা জমিতে নির্মিত হয়েছে সোহাগ পল্লী(Shohagh Palli)। রিসোর্টের অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত ঝুলন্ত সাঁকো ও বেলকনিতে খোঁদাই করা বিভিন্ন কারুকাজ দর্শনার্থীদের বেশি আকৃষ্ট করে। সোহাগ পল্লীতে কটেজগুলোকে এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যেন এটি ইতালির কোন সাজানো গ্রামের প্রতিচ্ছবি। আর কটেজগুলোর ঠিক সামনে দিয়ে বয়ে গেছে লেক।

shohagh-polli-gazipur
সোহাগ পল্লী

কৃত্রিমভাবে নির্মিত লেকে সারাবছর পানি থাকে, আর লেকের পানিতে দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের বিচরণ। আর এখানে রয়েছে সুইমিং পুল ও কনফারেন্সের জন্য হলরুম। সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার জন্য সোহাগ পল্লীতে রয়েছে ৪০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়জনের জন্য এখানে সব রকম ব্যবস্থা রয়েছে। আর বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য এখানে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি।

যোগাযোগ
কালামপুর রোড, চন্দ্রা
মোবাইলঃ 01321213232, 01321156888
ই-মেইলঃ hello@shohagpolli.com
Website

১০. আনন্দ রিসোর্ট

আনন্দ পার্ক রিসোর্ট বা আনন্দ রিসোর্ট (Ananda Park & Resort) গাজীপুরের কালিয়াকৈরের একটি পরিচিত নাম। ৪২ বিঘা জায়গায় বিনোদনের বিভিন্ন আয়োজন নিয়ে গড়ে উঠা আনন্দ রিসোর্টটির সাথে নামের যথার্থতা লক্ষ্য করা যায়।

ananda-park-resort-gazipur
আনন্দ পার্ক রিসোর্ট

কালিয়াকৈরের সিনাবহের তালতলি এলাকায় অবস্থিত এই রিসোর্টে বিভিন্ন রকম রাইডের পাশাপাশি রয়েছে সরাসরি বিল থেকে মাছ শিকারের ব্যবস্থা। কার পার্কিং ও ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিসের সুবিধা সম্বলিত আনন্দ পার্ক রিসোর্টে রাত্রি যাপনের জন্য রয়েছে এসি, নন-এসি ৬ টি কটেজ। এছাড়া আনন্দ রিসোর্টে রয়েছে ছোট বাচ্চাদের খেলার বিভিন্ন উপকরণ ও আকর্ষণীয় রাইড, সুইমিং পুল, বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ এবং ফুলের বাগান।

যোগাযোগ
মোবাইলঃ 01717401919
ই-মেইলঃ info@anandaresort.com.bd

ভ্রমণ সংক্রান্ত যে কোন তথ্য ও আপডেট জানতে ফলো করুন আমাদের ফেসবুক পেইজ এবং জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক গ্রুপে

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।