করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী কিছুদিন কোথাও ভ্রমণ থেকে বিরত থাকুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন ও সচেতন থাকুন। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সকল তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন

বাংলাদেশের সেরা হোটেলগুলো রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। এ সকল হোটেলে অতিথিদের আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদান করে হয়ে থাকে। রাজধানী শহর হবার কারণে ফাইভ স্টার, ফোর স্টার হোটেল থেকে শুরু করে সকল মানের হাজারের উপর আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট আছে ঢাকায়। শুধু ফাইভ স্টার নয় তার বাইরেও হোটেলের মান, পর্যটকদের রেটিং এবং রিভিউ অনুসারে চলুন দেখে নেই রাজধানী ঢাকার বেস্ট ১২টি হোটেল ও রিসোর্ট সম্পর্কে।

১. প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও (Pan Pacific)

বাংলাদেশের কোন পাঁচ তারকা হোটেলের নাম বলতে গেলে সবার প্রথমে যে নামটি উঠে আসে তা হলো প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও। বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন এই আবাসিক প্রতিষ্ঠানটি হোটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৭ সাল থেকে এই হোটেলটি অতিথিদের আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদান করে আসছে। এছাড়া এখানে আছে মাল্টি কুজিন, স্পা, জিম এবং সুইমিং পুলসহ নানারকম আধুনিক সুযোগ সুবিধা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সোনারগাঁও হোটেল প্রশংসার সাথে সেবার মান ধরে রেখেছে।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: পাঁচ তারকা হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও-এ নানা রেঞ্জের রুম বিলাসবহুল কক্ষ রয়েছে। এখানে ডিলাক্স রুমের ভাড়া ৯৬ ডলার থেকে শুরু এবং প্রিমিয়াম রুমের ভাড়া ১১৩ ডলার থেকে শুরু। আর এক্সক্লুসিভ স্যুইটের ভাড়া শুরু হয়েছে ২৩০ ডলার থেকে শুরু। প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁয়ে বাঙালি স্যুইট রুমের ভাড়া ৩৩৩ ডলার থেকে শুরু।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৪.৬/৫
ঠিকানা: ১০৭ নং কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা – ১২১৫।
বুকিং: www.panpacific.com

২. রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন (Radisson)

বিলাসবহুল ও আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন রয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে। পাঁচ তারকা হোটেল ভবনের স্থাপত্যশৈলী প্রথম দেখাতেই সবার মন কেড়ে নেয়। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাছে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিনিয়ত বিমানে ভ্রমণকারীদের কাছে এই হোটেলটির রয়েছে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা। ক্লাব ও লাউঞ্জ সার্ভিস সহ এখানে আছে স্পা, ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট এবং জিমসহ নানারকম সুযোগ সুবিধা।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: এখানে সুপেরিয়র রুমের ভাড়া ১৭৫ ইউএস ডলার। আর সাথে যদি স্পায়ের মতো সেবা থাকে তবে ভাড়ার পরিমাণ হবে ২৩০ ডলার এবং গলফ প্যাকেজ নিলে ভাড়া লাগবে ২৭০ ডলার। ডিলাক্স রুমের ভাড়া ২০০ ডলার। রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের অষ্টম তলায় রয়েছে সুবিশাল এক্সিকিউটিভ স্যুইট, যার ভাড়া ৫১৫ ডলার।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৪.৭/৫
ঠিকানা: এয়ারপোর্ট রোড, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা- ১২০৬।
বুকিং: www.radissonblu.com
ইমেইল: sales.dhaka@radisson.com এবং reserbations.dhaka@radisson.com

৩. দ্যা ওয়েস্টিন ঢাকা (The Westin)

২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হোটেল দ্যা ওয়েস্টিন ঢাকা বাংলাদেশের পাঁচ তারকা হোটেলগুলোর মধ্যে সাজসজ্জা, আন্তর্জাতিক মানের অতিথিসেবার জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অল্প সময়ে ওয়েস্টিন বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। নানা আধুনিক সুবিধা নিয়ে হোটেলটি দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। এছাড়া ট্রান্সলেটর, লোকাল গাইড, কম্পিউটার রেন্টাল এবং বিউটি সেল্যুন সহ বৈচিত্র্যময় সেবা প্রদান হোটেলটি দিয়েছে বিশেষ স্বতন্ত্রতা। বলা যায় এমন কিছু নেই যা দ্যা ওয়েস্টিন ঢাকায় পাওয়া যাবে না।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: হোটেল দ্যা ওয়েস্টিনে ডিলাক্স কিং, ডিলাক্স টুইন, জুনিয়র স্যুইট, এক্সিকিউটিভ স্যুইট, চেয়ারম্যান স্যুইট ইত্যাদি বিভিন্ন ক্যাটাগরির কক্ষ রয়েছে। এ সকল রুম ও স্যুইটের কোন একটি ভাড়া নিতে ১৬৯ ডলার থেকে হাজার ডলার পর্যন্ত খরচ করতে হবে।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৯/১০
ঠিকানা: প্লট নং-০১, রোড নং-৪৫, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২,
ফোন: ৮৮০-২-৯৮৯১৯৮৮
বুকিং: www.westin.com

Le Meridien Dhaka
লা মেরিডিয়েন ঢাকা

৪. লা মেরিডিয়েন ঢাকা (Le Meridien)

১৯৮৯ সালে বেসরকারি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হোটেল লা মেরিডিয়েন ঢাকা খুব অল্প সময়ে পাঁচ তারকা হোটেল সেবা দিয়ে মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। ২৪ ঘন্টা রুম সার্ভিস প্রদান সহ এই হোটেলটি আধুনিক সব সুযোগ সুবিধার মোড়কে মোড়ানো। বছরের বিভিন্ন সময়ে নানা ধরণের উৎসবে মুখর এই হোটেলটি আবাসিক অনাবাসিক দুই ধরণের অতিথিদের উদারভাবে সম্ভাষণ জানায়। ব্যাপক চাহিদার কারণে যেকোন ধরনের উৎসব ও কনফারেন্সের জন্য অন্তত দুইদিন আগে রুম বুকিং দিতে হয়। এখানে বেকারী, স্পা, জিম, সুইমিং পুল, বার, ডিসকো, চেইনশপ, আউটডোর ও ইনডোর গেমস, সুভ্যেনির শপ রয়েছে। তবে ফরেন মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থা নেই।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: হোটেল লা মেরিডিয়েনের এক্সক্লুসিভ কিং স্যুইটের দৈনিক ভাড়া ৪১০ ইউএস ডলার, ডিলাক্স রুমের দৈনিক ভাড়া ২০০ ইউএস ডলার। ক্লাব কিং রুমের ভাড়া ২৭৫ ডলার।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৮.৮/১০
ঠিকানা: বাড়ী # ১১, সড়ক # ১২, সেক্টর # ৬, উত্তরা, ঢাকা।
ফোন: ০১৮২৩-০৬৩৩৫৮
ইমেইল: hdmeeridian@yahoo.com
বুকিং: le-meridien-dhaka-hotel.com

৫. লেকশোর হোটেল (Lakeshore Hotel)

ঢাকাকে ভিন্নভাবে আবিষ্কারের সুযোগ করে দিতে রুফটপ সুইমিংপুল ও রুফটপ রেস্টুরেন্টের সুবিধা নিয়ে ১৯৯১ সালে রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেল যাত্রা শুরু করে। আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদানকারী এই হোটেলের খাবার পরিবেশনা আগত অতিথিদের কাছে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে। লেকশোর ট্যুর ও ট্রেভেলসের মাধ্যমে হোটেলে অবস্থানরত অতিথিরা দেশে-বিদেশে নানা ধরণের ট্যুরে ঘুরে বেড়াতে পারেন। এছাড়া হোটেলটির রয়েছে বাই সাইকেল রেন্ট সুবিধা যা বিদেশী পর্যটকদের শহর ঘুরে দেখবার ভ্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করে।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: লেকশোর হোটেলে আধুনিক ও মার্জিত নকশার প্রায় ৬০ টি কক্ষ রয়েছে। ৬ ধরণের স্যুইট যথাক্রমে এক্সিকিউটিভ ডিলাক্স স্যুইট (৩২৯ ইউএস ডলার), এক্সিকিউটিভ প্রিমিয়াম ডিলাক্স স্যুইট (৩৪৯ ইউএস ডলার), এক্সিকিউটিভ টুইন স্যুইট (৪৪৯ ইউএস ডলার), স্টুডিও এপার্টমেন্ট (৪৪৯ ইউএস ডলার), ক্রাউন স্যুইট (৫৪৫ ইউএস ডলার) ও প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুইট (৮৯৫ ইউএস ডলার) অনন্য মাত্রা যোগ করেছে হোটেলটির সেবাদান কার্যক্রমে।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৮.৮/১০
ঠিকানা: বাড়ি: ৪৬, সড়ক: ৪১, গুলশান: ০২, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ।
ফোন: ৮৮০২-৮৮৫৯৯৯১, ৮৮৬১৭৮৭
ইমেইল: info@lakeshorehotel.com.bd
বুকিং: www.lakeshorehotel.com.bd

৬. ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল (Intercontinental)

রাজধানী ঢাকার সবচেয়ে পুরনো পাঁচ তারকা হোটেল শেরাটন সরকারি মালিকানাধীনে এসে রূপসী বাংলা হোটেল নামে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এরপর আবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল। আকর্ষণীয় ও অভিজাত এই হোটেলটির চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ঐতিহ্যময় নানা স্থাপত্য। নিজস্ব বলরুম সহ হোটেলে আছে রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, বার, লাউঞ্জ ও গার্ডেন। নিজস্ব শাটল ব্যবস্থা বাদে সার্বক্ষণিক পার্কিং, আউটডোর গেমস, হেলথ ক্লাব ইত্যাদি সুযোগ নিয়ে প্রতিনিয়ত হোটেলটি অথিতিদের সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: এই হোটেলে সাধারণত তিন ধরণের রুম রয়েছে। সিঙ্গেল রুমের ভাড়া এখানে দৈনিক ১৬৮ ইউএস ডলার, ডাবল রুমের ভাড়া ১৯৪ ইউএস ডলার এবং স্যুইটের ভাড়া শুরু ৪৫৩ ইউএস ডলার থেকে।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৮.৫/১০
ঠিকানা: ১, মিন্টু রোড, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।
ফোন: ৮৩৩০০০১
ই-মেইল: sales@ruposhibangla.com
বুকিং: www.intercontinental.com

৭. আমারি ঢাকা (Amari)

থাইল্যান্ডের ব্র্যান্ড চেইন আমারি ঢাকা মহাখালী বাস স্টেশন থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। রাজধানীর ব্যবসায়িক ও কূটনৈতিক এলাকায় অবস্থিত এই হোটেলটি তার আউটডোর সুইমিং পুল, জিম এবং পরিবেশের জন্য অভিজাতদের কাছে বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে। ইন্ডিয়ান, জাপানিজ, চাইনিজ ও থাই কুজিনের খাবার পরিবেশনের জন্য এখানে আলাদা ৪ টি কিচেনের একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ রেস্টুরেন্ট রয়েছে। আর ডেক ৪১ নামের রুফটপ রেস্টুরেন্টের আছে বিশেষ সুনাম।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: আমারি ঢাকা হোটেলের সর্বনিম্ন ভাড়া ১৫২০০ টাকা থেকে শুরু। ডিলাক্স কুইন কিং ও টুইন রুমের ভাড়া দৈনিক ২০০ থেকে ৩০০ ইউএস ডলারের মধ্যে। স্যুইটের জন্য দৈনিক খরচ হবে ৩৫০ থেকে ৪০০ ইউএস ডলার।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৮.৪/১০
ঠিকানা: ৪৭, রোড- ৪১, গুলশান ২, ধাকা-১২১২
বুকিং: www.amari.com

৮. হোটেল ৭১ (Hotel 71)

ঢাকার প্রাণকেন্দ্র বিজয়নগরে অবস্থিত হোটেল ৭১ বেশ অনেক বছর ধরে ঢাকার সেরা ১০ হোটেলের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। তিন তারকা বিশিষ্ট এই হোটেলটি একটি ২০ তলা ভবনে অবস্থিত, যার স্বকীয় ইন্টেরিয়র ডিজাইনের জন্য সবার কাছে বেশ নন্দিত। দেশের ভাষা আন্দলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন চিত্রকর্ম কাঠের কারুকার্যে খোঁদাই করে সাজানো হয়েছে হোটেল ৭১।

রুম রেঞ্জ/ ভাড়া: হোটেল ৭১ এর রুম এবং স্যুইট গুলোর নাম বেশ চমকপ্রদ। স্যুইট স্বদেশ, স্যুইট মুক্তি ও স্যুইট বিজয় নামের স্যুইট গুলো যেন দেশের পরিচয় বহন করে। এই সব স্যুইটের দৈনিক ভাড়া যথাক্রমে ১২০, ১০০ ও ৯০ মার্কিন ডলার। সুপার ডিলাক্স বেডরুম শাপলার ভাড়া ৭০ ডলার, লাল সবুজ নামের ডাবল টুইন বেডরুমের ভাড়া ৬৫ ডলার এবং প্রিমিয়ার সিঙ্গেল রুমের ভাড়া ৪০ ডলার।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৮.৯/১০
ঠিকানা: কাইজুদ্দিন টাওয়ার, ১৭৬, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরনি (পুরাতন ৪৭, বিজয়নগর), ঢাকা ১০০০।
বুকিং: www.hotel71bd.com
ইমেইল: info@hotel71bd.com

৯. হোটেল দি ক্যাপিটাল (The Capital)

মনোরম হ্রদের পাশে অবস্থিত তিন তারকা বিশিষ্ট হোটেল দি ক্যাপিটাল। আন্তর্জাতিক বুকিং সাইট গুলোতে ট্রাভেলারদের তালিকার প্রথম দিকে রয়েছে এই হোটেলটির নাম। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, বন্ধুবৎসল কর্মী ও সুবিধাজনক অবস্থানের জন্য অনেকেই এই হোটেলটিকে পছন্দ করেন। ফ্রি ওয়াইফাই, পার্কিং, কন্টিনেন্টাল ব্রেকফাস্ট ছাড়াও এ হোটেলে রয়েছে নানারকম খাবারের রেস্টুরেন্ট সুবিধা।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: এখানে অল্প অর্থ ব্যয়ে নানা ধরণের সুযোগ সুবিধা সম্বলিত রুম পাওয়া যায়। এসি ফ্যামিলি রুমের দৈনিক ভাড়া ২৪৫০ টাকা, এসি ডাবল ও ট্রিপল রুমের ভাড়া যথাক্রমে ২৭০০ থেকে ৩০০০ টাকা এবং ৩৫০০ টাকা। নন-এসি সিঙ্গেল রুমের ভাড়া ১০০০ থেকে ১৩৫০ টাকা। নন-এসি ডাবল ও ট্রিপল রুমের ভাড়া ১৯০০ ও ২৭০০ টাকা।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৯.১/১০
ঠিকানা: ৬৯, নয়াপল্টন, ভি আই পি রোড, ঢাকা-১০০০।
ফোন – ৯৩৫০২৪৬, ৯৩৫৮২৬৯
মোবাইল – ০১৭২১-৫৯৫৫৬৮

Hotel Razmoni Isha Kha
হোটেল রাজমণি ঈশা খাঁ

১০. হোটেল রাজমণি ঈশা খাঁ (Hotel Razmoni)

১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত তিন তারকা বিশিষ্ট রাজমণি ঈশা খাঁ হোটেল ঢাকার এক সময়ের জনপ্রিয় হোটেলের মধ্যে একটি। বর্তমানে আগের মতো জনপ্রিয় না হলেও সেবার মানের জন্য মানুষের মনের মণিকোঠায় এই হোটেলের অবস্থান অবিনশ্বর। ১২ তলা বিশিষ্ট ব্যাক্তি মালিকানাধীন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রাজমনি ঈশা খাঁ হোটেলটি বিভিন্ন কর্পোরেট কনফারেন্স ও মিটিঙের জন্য বিখ্যাত। নিজস্ব মিনিবাসের মাধ্যমে হোটেলটি অথিতিদের এয়ারপোর্টে শাটল সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এছাড়া লোকাল গাইড, হাই সিকিউরিটি, ফার্স্ট এইড সহ আধুনিক হোটেলের প্রায় সমস্ত সেবা হোটেল রাজমনি ঈশা খাঁ প্রদান করে থাকে।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: ডাবল বেডের সুপিরিয়র সিটি ভিউ রুমের ভাড়া ৪৭০০ টাকা এবং সিঙ্গেল বেডের ডিলাক্স সিটি ভিউ রুমের ভাড়া ৩১৫০ টাকা। কনফারেন্স রুমের সর্বনিম্ন ভাড়া ৫০,০০০ টাকা। প্রতি ভাড়ার সাথে ১৫% ট্যাক্স আলাদাভাবে প্রদান করতে হয়।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৮.৯/১০
ইমেইল: razmoni@bdcom.com
ঠিকানা: ৮৯/৩, ভি,আই পি রোড কাকরাইল, ঢাকা।
বুকিং: hotelrazmoni.com

১১. সুন্দরবন হোটেল (Sundarban Hotel)

দুই তারকা বিশিস্ট হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল সুন্দরবনের রয়েছে আলাদা পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই হোটেলটি আলহাজ কাদের এন্ড সন্স লিমিটেডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান। দেশী ও বিদেশী নানা পর্যটকদের রুচি ও অভ্যাসের কথা মাথায় রেখে হোটেলটির নিচ তলায় রয়েছে নিজস্ব মাল্টিকুজিন রেস্টুরেন্ট। তবে অন্যান্য আধুনিক হোটেলের মতো এই হোটেলটির কোন নিজস্ব এয়ারপোর্ট শাটল ব্যবস্থা, হেলথ ক্লাব সুবিধা না থাকলেও এখানে বিদেশী পর্যটকদের জন্য ফরেন কারেন্সি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থা রয়েছে।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: সুন্দরবন হোটেল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রায় ১০০ টি কক্ষ রয়েছে।প্রতিটি রুমের সাথেই প্রাইভেট এটাচড বাথরুম ও বারান্দা রয়েছে। ডাবল রুমের ভাড়া এখানে ৪৭০০ টাকা এবং সিঙ্গেল রুমের দৈনিক ভাড়া ৪২০০ টাকা।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৭.৫/১০
ঠিকানা: ১১২, বীর উত্তম সি.আর. দত্ত রোড, ঢাকা – ১২০৫।
ইমেইল: suntech@citechco.net
ফোন: ৮৬৩১৩৯৪-৫

১২. হোটেল সিটি হোমস (City Homes)

রাজধানীর উত্তরায় দেশি ও বিদেশী পর্যটকদের আবাসিক সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে ২০০৩ সালে হোটেল সিটি হোমস যাত্রা শুরু করে। ঢাকার বাইরে থেকে আগত অতিথিরা রুম খালি থাকার সাপেক্ষে যেকোন সময় এই হোটেলে রুম ভাড়া নিতে পারেন। এই হোটেলটি তার অতিথিদের ফরেন এক্সচেঞ্জ, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য সকল আধুনিক সুবিধা দিয়ে থাকে। এছাড়া এখানে অগ্রিম রুম বুকিং দিলে অতিথিদের হোটেলে নিয়ে আসার সুবিধা রয়েছে।

রুম রেঞ্জ/ভাড়া: হোটেল সিটি হোমস ২৬ টি কক্ষ আছে এবং কক্ষগুলো স্ট্যান্ডার্ড, ডিলাক্স ও স্যুইট এই তিন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। ২টি সিঙ্গেল বেড সম্বলিত স্ট্যান্ডার্ড রুমের ভাড়া ১৮০০ টাকা (ভ্যাট ব্যতীত)। ১টি সিঙ্গেল বেড ও ১টি কাপল বেডের ডিলাক্স রুমের ভাড়া ২০০০ টাকা (ভ্যাট ব্যতীত)। ২টি কাপল বেড সম্বলিত স্যুইটের ভাড়া ৪০০০ টাকা (ভ্যাট ব্যতীত)।

ট্রাভেলারদের এভারেজ রেটিং: ৭.১/১০
ঠিকানা: সিটি হোমস, বাড়ী# ৪, রোড# ৩/বি, সেক্টর# ৬ (আজমপুর), উত্তরা, ঢাকা।
ইমেইল: cityhomes@dhaka.net
ফোন: ০২-৮৯৫১৪৬৩, ০২- ৮৯৩১২৮০

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।