ক্যাম্পিং শব্দটার সাথে প্রকৃতির আদিম এক অনুভূতি জড়িত। কয়েকজন মিলে নিখাদ প্রাকৃতিক পরিবেশে তাবু গেঁড়ে আড্ডা মুখর রাত্রিযাপন, নানারকম পাখি ও অজানা পোকার শব্দ মনকে এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরিয়ে তোলে। নগরের যান্ত্রিকতার বাইরে গিয়ে নৈস্বর্গিক পরিবেশে একটি রাত কাটানোর মুহূর্তগুলো আপনাকে দিবে অনাগত দিনে প্রাণবন্ত থাকার রসদ।

বাংলাদেশে শীতকাল ক্যাম্পিংয়ের জন্য সবচেয়ে আদর্শ সময়। আর “কোথায় ক্যাম্পিং করবো?” এটি একটি সার্বজনীন প্রশ্ন। কিন্তু বাস্তবতা হল, আপনার পছন্দ এমন যেকোন স্থানেই ক্যাম্পিং করতে পারেন। সাধারণত চর, নদীর তীর, সাগর পাড়, ঘন বন কিংবা বিলের আশেপাশের এলাকাগুলো ক্যাম্পিংয়ের জন্য বেশি জনপ্রিয়। চলুন জেনে নেয়া যাক বাংলাদেশে ক্যাম্পিংয়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কিছু স্থান সম্পর্কে।

নিঝুম দ্বীপ

নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত নিঝুম দ্বীপ মূলত বঙ্গপসাগরের বুকে জেগে উঠা একটি চর। হরিণের অভয়ারণ্য এই নিঝুম দ্বীপকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়ে থাকে। অক্টোবর থেকে এপ্রিলের মধ্যে যেকোন দিন ক্যাম্পিংয়ের উদ্দেশ্যে চলে যেতে পারেন নিঝুম দ্বীপে। জোছনা রাত কিংবা অমবশ্যা, প্রকৃতি নিরাশ করে না কোন প্রকৃতিপ্রেমীদের।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ

বাংলাদেশে ভ্রমণকারীদের জন্য সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের নাম সেন্টমার্টিন। সৈকতের প্রবাল পাথরে নীল জলের আছড়ে পড়ার শব্দ শুনতে শুনতে কখন যে প্রকৃতির কোলে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন বুঝতেই পারবেন না। আর সেটা যদি হয় কোন পূর্নিমার রাত তবে তো কোন কথাই নেই! ক্যাম্পিং করার জন্য সেন্টমার্টিন দ্বীপ শতভাগ নিরাপদ।

মনপুরা দ্বীপ

ভোলা জেলার বিচ্ছিন্ন ভূমি মনপুরা দ্বীপ ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় শীতকাল। নদী আর সাগরে ঘেরা মনপুরা দ্বীপ থেকেও কুয়াকাটার মত সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখা যায়। এছাড়া এই দ্বীপে আছে হরিণের অভয়াশ্রম, মনপুরা ল্যান্ডিং স্টেশন এবং চৌধুরী প্রজেক্ট। আর মনপুরায় ক্যাম্পিং ভ্রমণে বাড়তি মাত্রা যোগ করে।

সোনাদিয়া দ্বীপ

কক্সবাজারের মহেশখালি উপজেলার ৯ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সোনাদিয়া দ্বীপ ক্যাম্পিং করার জন্য একটি চমৎকার জায়গা। সমুদ্র সৈকত, জলাবন, নানা প্রজাতির পাখি এবং জীববৈচিত্রের অপূর্ব সমন্বয় দেহ ও মনে অপূর্ব প্রশান্তি এনে দেয়। ক্যাম্পফায়ার, রাতআড্ডা কিংবা বার-বি-কিউ সোনাদিয় দ্বীপ অপ্রতিদ্বন্দ্বী তার স্বমহিমায়।

আড়াইহাজার

নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত আড়াইহাজার উপজেলা রাজধানী ঢাকার কাছে ক্যাম্পিংয়ের জন্য একটি জনপ্রিয় জায়গা। মেঘনা নদীর বালুময় তীর, খেজুর বাগান, নদীতে ভাসমান ফেরি অথবা আপনার পছন্দমতো স্থানে ক্যাম্পিং করে থাকতে পারবেন। ক্যাম্পিংয়ের জন্য আড়াইহাজার বেশ নিরাপদ।

দ্যা বেস ক্যাম্প বাংলাদেশ

ঢাকার কাছে গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুরে বাংলাদেশের প্রথম আউটডোর এক্টিভিটির ক্যাম্প দ্যা বেস ক্যাম্প বাংলাদেশের অবস্থান। এখানে অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন আউটডোর এক্টিভিটি ও তাঁবুতে রাত্রিযাপনের সাথে সাথে ক্যাম্প ফায়ার এবং বার-বি-কিউ পার্টির আয়োজনের সুযোগ রয়েছে।

ক্যাম্পিং এর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার দিকটি অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে। দুর্গম জায়গা গুলোতে ক্যাম্পিং করতে যাওয়ার আগে সেখানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে এমন কারও পরামর্শ নিন।


কুতুবদিয়া দ্বীপ

নানান রকম বৈচিত্র্য ভরা ২১৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের কুতুবদিয়া কক্সবাজারের একটি দ্বীপ উপজেলা। এই দ্বীপে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র, সমুদ্র সৈকত, লবণ চাষ, বাতিঘর এবং কুতুব আউলিয়ার মাজার। নিরিবিলি সৈকতের ক্যাম্পিং করার জন্যে অনেকে এই দ্বীপকে বেছে নেন। আর নিরাপত্তা নিয়ে এখানে কোন সংশয় নেই।

সন্দ্বীপ

চট্টগ্রামের মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ। অবারিত সবুজ মাঠ, নদীর বুকে জেগে উঠা চর কিংবা দ্বীপের সহজ সরল মানুষ, এক কথায় এই দ্বীপের সবকিছুই ভালো লাগার মত। এছাড়া সাগর নদী পরিবেষ্টিত এই দ্বীপে দেখার মত বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে। ক্যাম্পিং করার জন্যে সন্দ্বীপের পশ্চিম দিকের নদী পাড় (রহমতপুর) সবচেয়ে আদর্শ স্থান।

হাজারিখিল অভয়ারণ্য

অনেক সময় ক্যাম্পিং গিয়ারের কারণে চাইলেও নিঝুম বনের বৈচিত্রতায় রাত্রিযাপন থেকে নিজেকে বঞ্চিত করতে হয়। কিন্তু চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির হাজারিখিল অভয়ারণ্যে ক্যাম্পিংয়ের বিভিন্ন উপকরণ ভাড়ায় পাওয়া যায়। আর নিজের ক্যাম্প গিয়ার থাকলেও কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সাহায্য নিতে পারবেন।

তিন্দু

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় অবস্থিত তিন্দুকে বাংলাদেশের ভূ-স্বর্গ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। মেঘ, নদী, পাহাড়, ঝর্ণা ও রোমাঞ্চ এই সবকিছু মিলিয়ে তিন্দু অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় ভ্রমণকারীদের কাছে এক রহস্যের নাম। শঙ্খ নদীর তীরে তিন্দুর অসাধারণত্ব দেখতে দেখতে অনায়াসে একটি রাত কাটিয়ে দিতে পারবেন। এখানে ক্যাম্পিং করতে চাইলে প্রয়োজনীয় সবকিছুই আপনাকে সাথে করে নিয়ে যেতে হবে।

নাফাখুম

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম বড় জলপ্রপাতের নাম নাফাখুম। বাংলার নায়াগ্রা খ্যাত নাফাখুমের দ্রুত গতিতে নেমে আসা পানির জলীয় বাষ্পে সূর্য্যের আলোয় রংধনু খেলা করে। নাফাখুম যেতে হলে আপনাকে অবশ্যই একজন গাইডের সাহায্য নিতে হবে এবং সেই সাথে ক্যাম্পিংয়ের যাবতীয় উপকরণ।

মহামায়া লেক

চট্রগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম কৃত্রিম হৃদ মহামায়াতেও রয়েছে ক্যাম্পিংয়ের সুযোগ। কতৃপক্ষকে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে ক্যাম্পিংয়ের জন্য বুকিং দিতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৩০ জন থেকে সর্বনিন্ম ৪ জন ক্যাম্পিং করতে পারবেন এখানে। সেই সাথে আছে লেকের জলে সাতার কাটা এবং কায়াকিংয়ের ব্যবস্থা।

চর কুকরী মুকরী

ভোলা জেলা শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপাসাগরের কোল ঘেষা মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত চর কুকরী মুকরী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসাবে সুপরিচিত। এই চরের বালুর ধুম নামক স্থানে কক্সবাজার/কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের আবহ পাওয়া যায়। চর কুকরি মুকরির নিরিবিলি ও পরিছন্ন সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্থের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়। শীতকালে এখানে ক্যাম্পিং করার জন্য উপযুক্ত সময়।

খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান

চারপাশে জানা অজানা পাখ-পাখালি ও ঝিঁঝিঁ পোকার কূজনে মুখর গহীন বন খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান সিলেট জেলার সদর উপজেলায় অবস্থিত ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন। এখানে গহীন বনের নিস্তব্ধতা, ঝর্ণাধারা এবং চা-বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। সিলেট বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন এই উদ্যানে সর্বোচ্চ ৩০ জনে একত্রে ক্যাম্পিং করতে পারবেন।

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান

সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় প্রায় ২৪৩ হেক্টর জায়গা জুড়ে অবস্থিত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের পূর্ব নাম ছিল রঘুনন্দন হিল রিজার্ভ ফরেস্ট। এখানে গভীর বনে ট্র্যাকিং এবং গাছের উপরে বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চারাস এক্টিভিটি করার সুযোগ রয়েছে।

মারায়ন তং

বান্দরবান জেলার আলীকদম থানার মিরিঞ্জা রেঞ্জে অবস্থিত মারায়ন তং পাহাড়ের চূড়া বাংলাদেশে ক্যাম্পিংয়ের জন্য সবচেয়ে প্রসিদ্ধ একটি নাম। যদিও বর্তমানে এখানে রাতে ক্যাম্পিং বন্ধ রয়েছে। তবুও দিগন্তজোড়া পাহাড় আর দূরে সাপের মতো বয়ে চলা মাতামুহুরী নদী, ফসলের ক্ষেত যেন এক কল্পনার রাজ্যে নিয়ে যায়।

রাতের ক্যাম্পিং

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত

সূর্যাস্তের দৃশ্য বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতে বেশ আকর্ষণীয়। খোলামেলা পরিবেশ, ঝাউ গাছের সারি, জেগে উঠা সবুজ ঘাসের চর, পিকনিক স্পট ইত্যাদি সব মিলিয়ে বাঁশবাড়িয়া তাঁবুতে রাত্রী যাপনকারীদের জন্য অপূর্ব সৌন্দর্য নিয়ে অপেক্ষা করছে। চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতের অবস্থান।

রেমা-কালেঙ্গা জাতীয় উদ্যান

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত রেমা-কালেঙ্গা জাতীয় উদ্যান সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি। অপরূপ প্রকৃতি, বণ্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য এবং জীব বৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ উদ্যানের লেকের তীর ক্যাম্পিং করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয়।

কাপ্তাই লেক

রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত কাপ্তাই লেক সবুজে মোড়া পাহাড়, সুনীল জল এবং চোখ জুড়ানো নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ এই কৃত্রিম লেকটিকে প্রকৃতি যেন তার সমস্ত রুপের সুধা উজাড় করে দিয়ে সাজিয়েছে। আপনার সময় সুযোগ মতো বছরের যেকোন সময় কাপ্তাই লেকের পাড়ে ক্যাম্পিং করতে চলে যেতে পারেন।

সহস্রধারা ঝর্ণা

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় চন্দ্রনাথ রির্জাভ ফরেস্টের চিরসবুজ বনাঞ্চল নিয়ে গড়ে তোলা সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের শোভাবর্ধনকারী অনন্য এক প্রাকৃতিক নিদর্শনের নাম সহস্রধারা ঝর্ণা। চমৎকার এই ঝর্ণার পাদদেশে ক্যাম্পিং করার যাবতীয় জিনিসপত্র ভাড়ায় পাওয়া যায়। বাংলাদেশের ঝর্ণাগুলোতে শীতকালে পানি তুলনামূলক কম থাকলেও সহস্রধারা ঝর্ণায় ক্যাম্পিংয়ের জন্য শীতকালই উপযুক্ত সময়।

বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানে রয়েছে খৈয়াছড়া, নাপিত্তাছড়ার মত বেশকিছু নয়নাভিরাম ঝর্ণা। এই উদ্যানের বাওয়া ছড়া ও সহস্র ধারা লেক ক্যাম্পিংয়ের জন্য প্রসিদ্ধ। বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানে ক্যাম্পিংয়ের প্রয়োজনীয় সমস্ত উপকরণ পাওয়া যায়।

নাজিমগড় ট্যান্ট ক্যাম্প

সিলেটে সারি নদীর তীরে অবস্থিত নাজিমগড় ট্যান্ট ক্যাম্পে ট্র্যাকিং, কায়াকিং এবং নৌকা ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। এখানে অর্থের বিনিময়ে সকল ধরণের আধুনিক সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়।

নিওক্যাম্পারস

ঢাকার সাভারে অবস্থিত নিওক্যাম্পারসকে সৌহার্ধ্যপূর্ণ ক্যাম্প সাইট হিসাবে অভিহিত করা যায়। এখানে বিভিন্ন শারীরিক এক্টিভিটি ছাড়াও কার্পেন্টারি, মৃৎশিল্প তৈরি, ট্রেজার-শিকার, পাখির ঘড়ি, ক্যাম্পফায়ার এবং বার-বি-কিউ ব্যবস্থা রয়েছে।

দেবতাখুম

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাসা খালের পাড়ে মারমা পাড়া শীলবান্ধার দেবতাখুম যেন পাহাড়ের ভাজে থাকা আরেকটি খুমের স্বর্গরাজ্য। মুগ্ধ চোখে কোন এক পূর্নিমা রাত কাটানোর জন্য বেড়িয়ে পড়ুন দেবতাখুমের উদ্দেশ্যে। চোখ, প্রকৃতি কোন কিছুই আপনাকে নিরাশ করবেনা। সেই সাথে সত্যিকারের কায়াকিংয়ের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন খুমের এই স্বর্গরাজ্যে।

মায়াবিনী লেক

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় ৪০ একর উঁচু-নিচু পাহাড়ি জায়গায় ১৫ একর নিসর্গময় মায়াবিনী লেক-কে কেন্দ্র করে মায়াবিনী লেক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলা শহর থেকে মাত্র ৩০ মিনিট দূরত্বে হওয়ায় ক্যাম্পিংয়ের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি দুশ্চিন্তা করার সুযোগ নেই। পাহাড়ের নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য্য, বিশাল আকাশ আর লেকের স্বচ্ছ শান্ত জল সহজেই মনকে নির্মল আনন্দে মাতিয়ে তোলে।

** আপনার পছন্দের তালিকায় আরও কোন ক্যাম্পিং সাইট এর নাম থাকলে আমাদের জানান **

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।