জাপানের ব্যস্ততম রাজধানী টোকিও (Tokyo) শহরে প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শনের সাথে সাথে রয়েছে আধুনিক অনেক স্থাপনা। প্রায় ৪৭ টি ভিন্ন ভিন্ন শহরাঞ্চলে বিভক্ত টোকিও শহর পূর্বে এডো নামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে শপিং, বিনোদন, সংস্কৃতি এবং বৈচিত্র্যময় খাবারের জন্য টোকিও শহরের জনপ্রিয়তা পুরো বিশ্বজুড়ে। এছাড়া শহরের চমৎকার কিছু জাদুঘর, ঐতিহাসিক মন্দির, বাগান ও নান্দ্যনিক স্থাপত্যশৈলীর কারণে পর্যটকদের বাকেট লিস্টে টোকিও শহরের অবস্থান সবার শীর্ষে।

টোকিও এর দর্শনীয় স্থান

টোকিও শহর জুড়ে দেখার মতো রয়েছে অসংখ্য জায়গা। বিভিন্ন প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপনা দেখার যেমন সুযোগ আছে তেমনি পাওয়া যাবে ইযু এবং ওগাসাওয়ারা দ্বীপের বীচের আনন্দ।

টোকিও স্কাই ট্রি (Tokyo Skytree)

জাপানের সুমিডায় অবস্থিত টোকিও স্কাই ট্রি একটি সম্প্রচার ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। ৬৩৪ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট এই টাওয়ার ২০১১ সালের মার্চ মাসে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্বয়ংসম্পূর্ণ টাওয়ার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এখান থেকে আসাকুসা এরিয়া ও সুমিডা রিভার ব্যাংকের দৃশ্য সবচেয়ে সুন্দরভাবে দেখা যায়। এই টাওয়ারের ৩৫০ ও ৪৫০ মিটার উচ্চতায় পর্যটকদের জন্য দুটি অবজারভেশন ডেক রয়েছে।

৩৫০ মিটার উচ্চতার অবজারভেশন ডেক “টেম্বো ডেক” হিসেবে পরিচিত এবং এটি মূলত তিনটি লেভেলে বিস্তৃত। উপরের লেভেলের প্রশস্ত জানলা দিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি এঙ্গেলে শহরের সবচেয়ে সুন্দর প্যানোরোমিক ভিউ দেখার সুযোগ হবে। মাঝের ফ্লোরে আছে একটি সুভেনিয়র শপ, আর সবার নিচের ফ্লোরে একটি ক্যাফে ও গ্লাস প্যানেল রয়েছে যেখান থেকে টাওয়ারের নিচের সব রাস্তা গুলো দেখা যায়। ৪৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত “টেম্বো গ্যালারি” মূলত একটি বাঁকানো সিঁড়ি যা ঘুরার সাথে সাথে উচ্চতাও বাড়তে থাকে। এই ডেকের উপরের ফ্লোরের অবজারভেশন ডেক থেকে আরও সুন্দর ভাবে টোকিও শহরের ভিউ দেখা যায়। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত টোকিও স্কাই ট্রি খোলা থাকে। ১ ঘণ্টার মধ্যে ভালো ভাবে ঘুরে দেখা যায়। টেম্বো ডেক ও টেম্বো গ্যালারি ঘুরে দেখার জন্য বড়দের এন্ট্রি ফি ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০ ইয়েন। তবে বৈধ ভিসা প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক টুরিস্টদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া এই টাওয়ারে একটি একুয়ারিয়াম ও প্ল্যানেট থিয়েটার আছে।

সেঞ্জো-জি (Senso-Ji)

টোকিওর আসাকুসাতে প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির সেঞ্জো জি অবস্থিত, যা টোকিওর জনপ্রিয় মন্দিরের মধ্যে অন্যতম। আসাকুসা স্টেশন থেকে হাঁটা দূরত্বে যাওয়া যাবে এই মন্দিরে। সপ্তম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরে দুইটি প্রধান গেট, প্যাগোডা ও একটি হল আছে। এখানে প্রবেশ করার সাথেই “কামিনারিমন গেট” চোখে পড়বে যেখান থেকে সেঞ্জো-জি গেটে প্রবেশ করতে হয়। বিভিন্ন ধরনের লাল রঙের লণ্ঠনে এই গেট সাজানো। ছবি তোলার জন্য এই জায়গা পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণ। প্রথম গেট পার হবার পর সেঞ্জো-জি মন্দিরের প্রধান হলে ঢুকতে পারবেন যা মূলত “নাগামিসে স্ট্রীট” হিসেবে পরিচিত। প্রায় ২৫০ মিটার চওড়া এই শপিং স্ট্রীটে জাপানের ঐতিহ্যবাহী অনেক কিছু পাওয়া যায়। মেইন হলের আগে আরেকটি বড় গেট আছে যা “হোযোমন গেট” হিসেবে পরিচিত। গেটের একটু দূরে ৫ তালা প্যাগোডা অবস্থিত যেখানে সবসময়ই পর্যটক ও বিভিন্ন পূজারীদের ভিড় থাকে। মন্দিরটি দিন রাত ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকলেও মন্দিরের মেইন হল সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। তবে পর্যটকরা সকাল বা রাতের যেকোন সময় এখানে যেতে পারে। রাতের বেলা মেইন হল ও নাকামিসে স্ট্রীটের দোকান বন্ধ থাকে। আর সূর্যাস্তের পর রাত ১১ টা পর্যন্ত এখানের আলো জ্বালানো থাকে। রাতের বেলা ভিড় কম থাকে বলে অনেকেই ছবি তোলা এবং একান্তে ঘুরার জন্য এখানে আসে। এই মন্দিরে সারাবছর জুড়ে জাপানের বিভিন্ন উৎসবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে।

টোকিও টাওয়ার (Tokyo Tower)

৩৩৩ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট এই টাওয়ার টোকিওর দ্বিতীয় উঁচু টাওয়ার। বিশ্বযুদ্ধের পর অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে নতুন ভাবে জাপানের পুনর্জাগরনের প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলা টোকিও টাওয়ারের সাথে আইফেল টাওয়ারের কাঠামোগত মিল আছে। টাওয়ারের ১৫০ মিটার উচ্চতার প্রধান ডেক থেকে শহরের আকর্ষণীয় কিছু ভিউ দেখা যায়। এখানে দাড়িয়ে থাকার জন্য কিছু “লুক ডাউন উইন্ডো”, সুভেনিয়র শপ ও ক্যাফে আছে।

টোকিও টাওয়ারের ২৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত টোকিওর তৃতীয় সর্বোচ্চ অবজারভেশন ডেক থেকে আশেপাশের ভবন গুলোর প্যানোরোমিক ভিউ অনেক সুন্দর দেখায়। “টপ ডেক” নামের এই অবজারভেশন ডেকে ঘুরার সময় একটি কমপ্লিমেন্টারি ড্রিঙ্কস খেতে দেওয়া হয় এবং টাওয়ারের কিছু বিশেষ স্থিরচিত্র দেখানো হয়। টোকিও টাওয়ারের একদম নিচে “ফুট টাউন বিল্ডিং” অবস্থিত যেখানে অসংখ্য সুভেনিয়র শপ, ক্যাফে ও রেস্টুরেন্ট আছে। “ওয়ান পিস টাওয়ার” নামের ইনডোর এমিউজমেন্ট পার্কের “ওয়ান পিস শো” এখানকার বিশেষ আকর্ষণ। সকাল ৯ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত খোলা থাকা টোকিও টাওয়ারের একটি ডেকে প্রবেশ মূল্য ৯০০ ইয়েন আর দুইটি ডেকে ঘোরার জন্য খরচ করতে হবে ২৮০০ ইয়েন। আর সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত খোলা থাকা ওয়ান পিস টাওয়ারে প্রবেশ মূল্য ৩২০০ ইয়েন।

মেইঞ্জি জিঙ্গু (Meiji Jingu)

টোকিওর শিবুয়ার অবস্থিত এই মন্দির সম্রাট মেইজি ও তার স্ত্রীকে উৎসর্গ করে নির্মাণ করা হয়েছে। গাছ গাছালিতে পরিপূর্ণ মন্দিরের একটি নির্দৃষ্ট গাছে কাঠের বোর্ডে অনেককে নিজের ইচ্ছেগুলো লিখে ঝুলিয়ে রাখতে দেখা যায়, যা মূলত এক ধরনের বিশ্বাস থেকে করা হয়। তবে তার জন্য ৫০০ ইয়েন খরচ করে কাঠের বোর্ড ও গুড লাক পাউচ কিনতে হয়। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত এখানে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো সময়। মন্দিরে প্রবেশের পূর্বে হাত-মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে কিছু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। রাতের বেলা চারদিকে লুন্ঠন জ্বালানো হলে এক অদ্ভুত মায়াবী পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

ইম্পেরিয়াল প্যালেস (Imperial Palace)

টোকিও স্টেশনের কাছে অবস্থিত জাপানের সম্রাটের প্রধান বাসস্থানের নাম ইম্পেরিয়াল প্যালেস। পার্কের মতো বিশাল এরিয়া নিয়ে গড়ে উঠা এই প্যালেসে ব্যাক্তিগত আবাসস্থল, সংরক্ষণাগার, জাদুঘর ও প্রশাসনিক ভবন আছে। প্যালেসের পুর্ব দিকের গেটের ব্রিজ থেকে সবচেয়ে সুন্দর আইকোনিক ভিউ দেখা যায়। এখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট সাথে আনতে হবে।

টোকিও জাপান
টোকিও জাপান

টোকিও ন্যাশনাল মিউজিয়াম (Tokyo National Museum)

১৮৭২ সালে স্থাপিত এই জাদুঘরটি জাপানের সবচেয়ে পুরনো জাদুঘর। ৪০ বছর আগের জাপান ও এশিয়ার সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের নানা বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এখানে। ভিন্ন ভিন্ন ভবনে প্রাচীন নানান রকম নিদর্শনের প্রদর্শনী করা আছে। জাদুঘরে জনপ্রতি এন্ট্রি ফি ৬২০ ইয়েন।

ওবাইডা (obaida)

টোকিও বে-র কৃত্রিম বীচে অবস্থিত ওবাইডা বিনোদন কেন্দ্র পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। বীচের সিসাইড পার্ক থেকে মাউন্ট ফুজির চমৎকার দৃশ্য চোখে পড়ে। আর মিরাইকান সাইন্স মিউজিয়ামে রোবট দেখার সুযোগ হবে।

মাউন্ট মিটাকে (mount mitake)

টোকিও শহর থেকে একটু দূরে হাইকিং করার জন্য একটি আদর্শ স্থানের নাম মাউন্ট মিটাকে। মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগের পাশাপাশি এখানে পাহাড়, পাথরের বাগান, মন্দির এবং আকর্ষণীর ঝর্ণা দেখতে পারবেন। সারাদিনের জন্য সময় নিয়ে গেলে বেশী ভালো লাগবে।

এডো টোকিয়ো মিউজিয়াম (Edo Tokyo Museum)

এডো পিরিয়ডের সময়ে টোকিও শহরের বিভিন্ন ইতিহাস এডো টোকিয়ো মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে। তবে বর্তমানে জাগলিং ও পেপার কাটিং বা অরিগামির উপর বিশেষ গুরত্ব দেওয়া হয়েছে। এই জাদুঘরে এন্ট্রি ফি জনপ্রতি ৬০০ ইয়েন।

ইযু আইল্যান্ড (Izu Island)

জাপানের আগ্নেয়গিরি দ্বীপের মধ্যে ইযু আইল্যান্ড অন্যতম। এখানে স্কুবা ডাইভিং করার সাথে সাথে আগ্নেয়গিরি ও পাহাড়ের দেখা মিলবে।

এছাড়া যেতে পারেন রিকুজি-ইন (Rikuji-En), শিনজুকু গুএয়েন ন্যাশনাল পার্ক (Shinjuku Gyoen National Park),রোপোঞ্জি হিলস (Ropponji Hills), গিবলি মিউজিয়াম (Ghibli Museum), হারাজুকু (Harajuku), রোপোঞ্জি (ROPPONj), টোকিয়ো ডিজনিসি (Tokyo Disneysea),উএনো পার্ক (Ueno Park), টোকিয়ো ডিজনি রিসোর্ট (Tokyo Disney Resort), মাউন্ট তাকাও (Mount Takao), রেইনবো ব্রিজ ( Rainbow Bridge), সুমিডা পার্ক এন্ড একুয়ারিয়াম (Sumida Park & Aquarium), ওমোতেসান্ডো (Omotesando), মরি আর্ট মিউজিয়াম (Mori Art Museum), টোকিয়ো মিডটাউন (Tokyo Midtown), শোয়া মেমোরিয়াল পার্ক (Showa Memorial Park) ও ইডো ক্যাসেল (Edo Castle) এর মতো জায়গায়।

টোকিওতে কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে ক্যাথে ড্রাগন, থাই লায়ন এয়ারলাইন্স, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স বা চায়না সাউথার্ন ফ্লাইটে ট্রানজিটের মাধ্যমে টোকিও যেতে পারবেন। এয়ারলাইন্সের উপর নির্ভর করে ঢাকা থেকে টোকিও যেতে ৮ ঘণ্টা থেকে ১৬ ঘণ্টার মতো সময় লাগে।

কোথায় থাকবেন

টোকিওর সেঞ্জো-জি টেম্পল, উএনো পার্ক, টোকিয়ো ষ্টেশন, টোকিও টাওয়ারে থাকার জন্য রয়েছে বেশ কিছু ভালো মানের হোটেল, এপার্টমেন্টস ও গেস্ট হাউজ। এদের মধ্যে গেস্ট হাউজ ট্রেস, ইউনিজো ইন টোকিয়ো হাতছোবরি, টোকিও গোগো হাউজ, ওয়ার্ল্ড ট্রাভেলার হাউজ হিকারি, খাওসাও টোকিও অরিগামি, স্টায়তো, হোটেল মেইগেতসু,হোটেল নিউ তছিগিয়া, ইকোনোমি হোটেল হোটেইয়ার এর মতো হোটেল ও গেস্ট হাউজে ২,৩০০ থেকে ৩,৪০০ টাকার মধ্যে এক রুমে দুইজন থাকতে পারবেন।

খরচ

বিমানে বাংলাদেশ থেকে জাপান (Japan) এর টোকিও যেতে খরচ হবে জনপ্রতি ২৯,৫০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা। আর টোকিও শহরে ঘুরা-ঘুরি, যাতায়াত এবং থাকা খাওয়া সহ ৪ দিন ৩ রাত থাকতে জনপ্রতি ৬৫,০০০ থেকে ৭৫,০০০ টাকা খরচ হবে।

কোথায় কি খাবেন

টোকিওতে খাবারের মধ্যে এডো ধাঁচের সুশি, টেম্পুরা, রামেন, তাকোয়াকি, ইয়াকিতরি, সাশিমি, উদোন, ওকোনোমিয়াকি বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। আর টুরিস্ট স্পটের মধ্যে টোকিয়ো স্কাই ট্রির টেম্বো ডেকে “মুসাশি” নামের একটি স্কাই রেস্টুরেন্ট আছে যেখানে ফ্রেঞ্চ ও জাপানিজ ফিউশন খাবার খেতে পারবেন। সেঞ্জো-জির নাগামিসে স্ট্রীটে খাবারের অনেক স্টল আছে। এখান থেকে স্থানীয় বিভিন্ন খাবার খেতে পারবেন। টোকিও টাওয়ারের ওয়ান পিসের দ্বিতীয় তালায় ফুড কোর্ট আছে। ওবাইডাতে বেশ কিছু সুশি বার আছে। মাউন্ট মিটাকেও লাঞ্ছ ও হালকা নাস্তা খাওয়ার জন্য ভালো কিছু রেস্টুরেন্ট আছে।

কোথায় কি কিনবেন

টোকিও স্কাই ট্রির নিচের তালায় শপিং করার জন্য তিনশোয়ের অধিক দোকান আছে। এখানে সুভেনিয়র থেকে শুরু করে ডিজাইনার অনেক কালেকশন পাওয়া যাবে। ওবাইডাতে বেশ কিছু শপিং মল আছে তাদের মধ্যে আকুয়া সিটি ও ভেনাস ফোর্ট বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। আবার সেঞ্জো-জিতে স্থানীয় অনেক জিনিস খুঁজে পাবেন।

ভ্রমণ টিপস

  • টোকিও স্কাই ট্রিতে সূর্যাস্তের ২ ঘণ্টা আগে যাওয়া ভালো।
  • অনলাইন বা এজেন্সির মাধ্যমে টোকিও স্কাই ট্রির টিকেট কাটার চেষ্টা করবেন।
  • সেঞ্জো-জি মন্দিরে ঘুরতে গেলে মন্দিরের সামনে থেকে রিক্সা নিয়ে পুরো আসাকুরা শহর ঘুরে দেখতে পারবেন।
  • ট্র্যাভেল এজেন্ট এর মাধ্যমে টোকিও টাওয়ারের ওয়ান পিস টাওয়ারে ঘুরতে গেলে ২০০ ইয়েন ডিস্কাউন্ট পাওয়া যায়।
  • ইম্পেরিয়াল প্যালেসে প্রতিদিন মাত্র ৩০০ জন পর্যটক প্রবেশ করতে পারে তাই এখানে যেতে চাইলে অন্তত এক মাস আগে বুকিং দিতে হবে।

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।