সিডনি (Sydney) অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় শহর যেখানে প্রায় ৫০ লাখ লোকের বাস। গ্লোবালাইজেশনের যুগে এসে জীবন ও জীবিকার খোঁজে নানা ঐতিহ্যের নানা দেশের মানুষ ঠাই নিয়েছে সিডনী শহরে। তাই এখানে আস্তে আস্তে গড়ে উঠছে নানা জাতির মিশেলে এক অন্যরকম পর্যটন এর সমাহার। তাই যখন সিডনিতে থাকবার, ঘুরে বেড়াবার বা খাবার জায়গা খোঁজা হয় তখন এই শহরটি অনেক অনেক সুযোগ নিয়ে তার পর্যটকদের আমন্ত্রণ জানায় সোৎসাহে।

সিডনির দর্শনীয় স্থান

সিডনি শহরে দেখার মত আছে অনেক দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা। আপনার হাতের সময় ও আপনার আগ্রহ অনুযায়ী ঘুরে দেখতে পারেন বিভিন্ন জায়গা। উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে রয়েছে –

সিডনি অপেরা হাউস (Opera House) : অস্ট্রেলিয়া (Australia) বলতেই চোখের সামনে ভেসে উঠে পাল তোলা নৌকার মতো এক দালানের ছবি যা অপেরা হাউস নামে পরিচিত। এই আইকনিক বিল্ডিং ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ এর একটি এবং প্রতিদিন হাজার হাজার লোক সমাগম হয় এখানে। অপেরা হাউসের সবচেয়ে ভাল ভিউ পেতে হলে কাছেই মিসেস ম্যাকাউরে’স চেয়ার নামের উঁচু জায়গায় যাওয়া আবশ্যক। চাইলে টিকেট কেটে অপেরা হাউসের ভিতরে ঢুকে ঘুরবার সুব্যবস্থাও রয়েছে। অপেরা হাউসের কাছাকাছি রয়েছে অনেকগুলো ঘুরবার স্থান। লুনা এমিউজমেন্ট পার্ক, তারঙ্গা জু, মাদাম তুসোস মিউজিয়াম হলো এদের মধ্যে অন্যতম।

সিডনি হারবার ব্রিজ (Sydney Harbour Bridge) : অপেরা হাউসের পরেই সিডনির বিখ্যাত হারবার ব্রিজের জন্য। এখান থেকে প্রায় পুরো শহরের একটি সুন্দর দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায় এবং ছবি তোলার জন্য এই স্থানটি আইকনিক। এই ব্রিজে পায়ে হেঁটে উঠবার সুব্যবস্থা আছে এবং বলা হয় সন্ধ্যা বা ভোরে ব্রিজ থেকে পুরো শহরের এক অভূতপূর্ব ছবি উপভোগ করা যায়। নানারকম ক্লাইম্বের ব্যবস্থা থাকলেও হারবার ব্রিজে কম পরিশ্রমে উঠবার জন্য এক্সপ্রেস ক্লাইম্ব সবচেয়ে জনপ্রিয়।

সিডনি হারবার ব্রীজ
সিডনি হারবার ব্রিজ; Source : Lonelyplanet

ডার্লিং হারবার (Darling Harbour) : সিডনির টুরিস্ট হাব হলো এই ডার্লিং হারবার। এখান থেকে নীল সাগর ও শহরের এক ব্যস্ত চিত্র চোখে সারাক্ষণ ভাসবে। সন্ধ্যায় আলোতে আলোতে ভোরে উঠলে হারবারের দৃশ্য পাল্টে যায় অদ্ভুতভাবে। সিফুড রেস্টুরেন্টের এক অফুরন্ত সমাহার দেখতে পাওয়া যায় এখানে।

বন্ডি বিচ (Bondi Beach) : বন্ডাই বিচ সিডনির নামকরা সমুদ্রসৈকত গুলোর মধ্যে একটি। গরমে সূর্যস্নান করতে এখানে বিপুল পরিমাণ মানুষের আগমন হয়। সাদা বালি, শান্ত ঢেউ এবং অসংখ্য ক্যাফে ও রেস্টুরেন্টের জন্য বন্ডাই বিচ তুমুল জনপ্রিয়। বন্ডাই বিচে বছরের সারাসময় ভীড় থাকে তাই এখানে সকাল সকাল যাওয়া ভাল।

বন্ডী বীচ, সিডনি; Source : Sydney.com

রয়াল ন্যাশনাল পার্ক (Royal National Park) : ২৬ কিলোমিটার জুড়ে থাকা এই পার্কটি সিডনির জনপ্রিয় ছুটির দিন কাটাবার স্থানগুলোর মধ্যে একটি। শহরের মাঝে প্রকৃতির এক অসাধারন নিদর্শন এই পার্কে গেলে দেখা যায়। এখানে সময় কাটাতে কোন ফি এর দরকার নেই। সমুদ্রের পাশে এই পার্কটির অবস্থান হওয়ায় এখান থেকে সৈকতের আনন্দ উপভোগ করা যায়। এছাড়া এখানে ট্রেইল ওয়াক, হাইকিং, রক অভজারভেশন সহ নানারকম ব্যবস্থা রয়েছে।

রয়াল বোটানিক গার্ডেন (Royal Botanic Gardens) : ন্যাশনাল পার্কের পর বিশাল জায়গা নিয়ে আছে রয়াল বোটানিক গার্ডেন। এই বাগানে অস্ট্রেলিয়ার প্রায় সবরকম গাছপালা অতি যত্নে সংরক্ষণ করা হয়। অস্ট্রেলিয়ান বুশ্ল্যান্ড ও সমস্ত বুশ ফুড এর স্বাদ নেবার জন্য এটি একটি আদর্শ জায়গা।

কুইন ভিক্টোরিয়া বিল্ডিং (Queen Victoria Building) : আর্কিটেকচারের প্রতি আগ্রহ থাকলে কুইন ভিক্টোরিয়া বিল্ডিং হলো সিডনির আকর্ষণীয় দালানের একটি। ১৮৯৩ সালে তৈরি এই দালানটি রোমানেস্ক ডিজাইন দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং এর নিচের দিকে প্রায় ২০০ টি ব্র্যান্ড সম্বলিত একটি আধুনিক শপিং মল বর্তমানে চালু আছে। দালানের গ্লাস পেইন্টিং এবং মোজাইক এর কাজ দেখতে এবং মূলত কেনাকাটার জন্য টুরিস্ট্রা এখানে প্রতি বছর ছুটে আসে।

ভিক্টোরিয়া বিল্ডিং সিডনি

ব্লু মাউন্টেন (Blue Mountains) : শহর বাদ দিয়ে অন্য কিছু দেখতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে ব্লু মাউন্টেনে। এখানে দেখা যায় ইউক্যালিপটাসের বন, ছোট ছোট ঝর্না এবং অসংখ্য প্রাকৃতিক কিন্তু অন্যরকম দেখতে পাহাড়। এখানকার থ্রি সিস্টার সাইট, কাটুম্বা গ্রাম, ক্যাবেল রাইড, সিনিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য ট্রেন রাইড সহ আরও অনেক কিছু করবার সুযোগ আছে।

আরও পড়ুন : অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ভ্রমণ গাইড

এছাড়াও সিডনিতে তুমুল জনপ্রিয় কিছু স্থান হলো হাইড পার্ক, টাউন হল, ক্যাম্প কোভ, প্যাডিংটন মার্কেট, চায়না টাউন, পাওয়ার হাউস মিউজিয়াম, সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড ও নানারকমের আর্ট মিউজিয়াম। এসমস্ত জায়গা দেখতে লাখ লাখ পর্যটক ও লোকাল মানুষ প্রতিদিন জমা হয়।

সিডনি ভ্রমণের সময়

সিডনিতে অন্যান্য জায়গার মতো প্রবল ঠাণ্ডা পরে না বা তুষারপাত হয়না বলে বছরের যেকোনো সময়ই ঘুরে বেড়াবার জন্য উপযুক্ত। তবে অক্টোবর, নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি, মার্চের শেষের দিক থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সিডনি ঘুরবার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এই সময়গুলোতে গরম কম থাকে এবং স্কুল বন্ধ না থাকায় পর্যটনের জায়গাগুলোতে ভীড় অনেক কম থাকে।

সিডনিতে যাবার উপায়

বাংলাদেশ থেকে সিডনিতে যাবার জন্য বিমান ভ্রমণের সুযোগ নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। এক্ষেত্রে এয়ারলাইন্স ও কোন সময়ে বুকিং দিচ্ছেন তার উপর ভিত্তি করে খরচের তারতম্য হতে পারে।

সিডনীতে ভ্রমণের জন্য অস্ট্রেলিয়ার টুরিস্ট ভিসা আবশ্যক। এক্ষেত্রে টুরিস্ট ভিসা আবেদনের জন্য লাগবে কমপক্ষে ৬ মাসের মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট। সাথে পুরাতন যত পাসপোর্ট আছে এবং পূর্বে কোথাও ভিসা আবেদন বাতিল হলে সেই দেশের কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা চিঠি। অস্ট্রেলিয়ান ভিসার ফিল আপ এবং ভিসা আবেদনকারীর স্বাক্ষর করা ফর্ম। এছাড়া লাগবে বর্ডার ছাড়া, সাদা ব্যকগ্রাউন্ডে তোলা 35mm x 45mm সাইজের দুটি পাসপোর্ট সাইজ সদ্য তোলা ছবি। এয়ারলাইন ও হোটেল রিসারভেশন, অস্ট্রেলিয়ায় কেউ থাকলে তার কাছ থেকে পাওয়া ইনভিটেশন লেটার, এনওসি লেটার, গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও স্যালারি স্লিপ এবং পেশাগত জায়গার সমস্ত প্রকার প্রমান ভিসার সাথে জমা দিতে হয়।

সমস্ত কাগজপত্রের সাথে ভিসা অফিসারকে উদ্দেশ্য করে একটি কভার লেটার দিতে হয় যাতে আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য, ব্যায়ভার, দেশে ফেরত আসবার নিশ্চয়তা, থাকবার ব্যবস্থা ইত্যাদি বর্ণনা করে ভিসার আবেদন করতে হয়। সমস্ত কাগজপত্র ঠিক থাকলে এবং কোন প্রকার তথ্য গোপন না করলে দ্রুত ভিসা পাওয়া সম্ভব। এখানে টুরিস্ট ভিসা ফি ৯০৪০ টাকা তবে সাথে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি ক্লায়েন্ট অনুযায়ী বায়োম্যাট্রিক কালেকশন এর জন্য সাথে আরও প্রায় ৩০০০ টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হয়।

সিডনিতে কোথায় থাকবেন

সিডনি সি বি ডি হচ্ছে তাদের জন্য থাকবার উপযুক্ত জায়গা যারা শহরের মাঝখানে থাকতে চায়। এখান থেকে পর্যটনের জায়গাগুলো যেমন অপেরা হাউস, পিট স্ট্রিট, সেন্ট্রাল ইত্যাদিতে হেঁটে ঘুরে আসা সম্ভব।দা রক্স নামের জায়গাটি তাদের জন্য উপযুক্ত যারা হোটেল থেকে অপেরা হাউস, সিডনি হারবার, হারবার ব্রিজের দৃশ্য দেখতে চান। এখানে বাজেট সাশ্রয়ী হোটেল আছে আবার ৫ তারকার হোটেলেরও কমতি নেই।যাতায়াত এর সুবিধার জন্য যারা সিডনিতে বাস এবং ট্রেনের উপর নির্ভর করতে চান তাদের জন্য সেন্ট্রালে হোটেল খোঁজা সবচেয়ে সুবিধাজনক। এখানে প্রচুর ব্যাকপ্যাকার হোস্টেল এবং মিড রেঞ্জের হোটেল আছে যা পকেট এর যত্ন নিয়ে ভ্রমনকে সাশ্রয়ী করবে।

যারা হোটেলে না থেকে শহর থেকে একটু দূরে মহল্লা গুলোতে থাকতে চান তারা গামট্রি এবং এয়ার বি আন বি নামক ওয়েবসাইটে খোঁজ নিয়ে দেকহতে পারেন। এছাড়া নিজের বাজেট অনুযায়ী হোটেল খুঁজবার জন্য বুকিং ডট কম, ট্রিপ এডভাইসর, মাইট্রিপ ডট কম ইত্যাদি ওয়েবসাইটের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

কোথায় কি খাবেন

যেহেতু সিডনিতে বর্তমানে নানা দেশ থেকে মানুষজন এসে বসতি গড়ছে ফলে দিন দিন এখানে খাবার এর বেলায় আসছে ঐতিহ্যের পরিবর্তন এবং পাওয়া যাচ্ছে বৈচিত্র্য। এখানে প্রচুর ইন্ডিয়ান দোকান রয়েছে এছাড়া লাকেম্বা, রকডেল, মিন্টোর মতো বাঙালি বসতিপূর্ণ জায়গায় আছে বাঙালি রেস্টুরেন্ট। এছাড়াও হালাল খাবারের জন্য রয়েছে লেবানিজ, টারকিশ, আরবীয় খাবারের দোকান। এখানে প্রতি মিলে ২০ থেকে ৩০ ডলার লাগবে। একটু সস্তায় খেতে চাইলে যেকোনো জায়গায় কে এফ সি, ম্যাকডোনাল্ডস, হাংরি জ্যাক্স, ডমিনোস থাকে। এছাড়া স্ট্রিট ফুডের শপগুলোতে হালাল স্ন্যাকপ্যাক পাওয়া যায়। এসমস্ত জায়গায় ৫ ডলার থেকে ১৫ ডলারের ভিতরে মিল ভরপুট খাওয়া সম্ভব।

কেনাকাটা

ফ্যাশন সচেতনদের জন্য সিডনি অনেক বড় বড় শপিংমল নিয়ে নানারকম জিনিসের পসরা সাজিয়ে বসে আছে। সিডনির সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় শপিং মল হলো পিট স্ট্রিট শপিং মল। ইন্টারন্যাশনাল রিটেইল ব্র্যান্ডের প্রায় সব দোকান এখানে আছে। পিট শপিং মলের আসেপাশে ছোট ছোট আরও অসংখ্য শপিং মল আছে। তাই এখানে পুরো একটি দিন অনায়াসে কাটিয়ে দেওয়া সম্ভব। কুইন ভিক্টোরিয়া বিল্ডিং, ওয়ার্ল্ড স্কয়ার, শেফ্লি প্লাজা জনপ্রিয় শপিং এর জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম। কেউ যদি প্রয়োজনীয় নিত্য ব্যবহারের জিনিস বা গ্রসারি শপিং করতে চান তবে প্রায় প্রতি মহল্লাতেই কোলস, উলসওরথ বা আলদি নামের চেইন শপ আছে তার জন্য। একটু সস্তায় নানারকম জিনিস কিনতে চাইলে মলের ভিতরে কে মারট, টারগেট, বেস্ট এন্ড লেস নামের দোকান আছে যেখান থেকে কমে অনেক বিচিত্ররকমের সুন্দর জিনিস কেনা সম্ভব। পর্যটনের স্থানগুলোতে স্ট্রিট শপ বসে প্রচুর তবে স্বভাবতই সেখানে টুরিস্টদের জন্য দাম বেশী হয় জিনিসপত্রের।

অন্যান্য জরুরী বিষয়

  • অস্ট্রেলিয়ায় খাবার আনার ব্যাপারে প্রচন্ড কড়াকড়ি সুতরাং যেকোনো খাবার বিমানে ভ্রমণের সময় সাথে থাকলে তা এয়ারপোর্টে ডিক্লেয়ার করা আবশ্যক। এক্ষেত্রে ডিক্লেয়ার না করলে ২০০ থেকে ১০০০ ডলার জরিমানা হতে পারে।
  • সিডনিতে কম খরচে ঘুরবার জন্য প্রত্যেকের অপাল কার্ড করা খুব জরুরী। অপাল কার্ড দিয়ে বাসে, ট্রেনে ,ফেরীতে চড়া যায় এবং প্রায় প্রত্যেক ট্রেন স্টেশনে অপালে টাকা ভরবার মেশিন থাকে। রবিবারে সিডনির ভেতরে যতদূরেই যাওয়া হোকনা কেন বা যত যানেই ওঠা হোক না কেন অপালে সবমিলিয়ে ২.৭০ ডলারের বেশী কাটেনা। এয়ারপোর্ট এবং রাস্তায় অনেক দোকানে অপাল কার্ড পাওয়া যায়।
  • সিডনি তে ঘুরতে বের হতে হলে একদম সকাল সকাল বের হতে হয় কারণ এখানে সবকিছু তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে যায়।
  • সিডনি টুরিস্টদের জন্য খুব নিরাপদ শহর তারপরও রাতে ঘুরতে বের হলে অন্ধকার এবং একদম খালি রাস্তা পরিহার করা উচিত।
  • অস্ট্রেলিয়া নিজে একটি দ্বীপ এবং এর আসেপাশের পানি রাফ বলে পরিচিত। তাই এখানে সমুদ্রে নামলে সবসময় লাইফগারডের কথা শোনা এবং শারক নেট খেয়াল করে চলা খুব জরুরী।

ফিচার ইমেজ : Fabholidays.in

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।