ফিলিপাইনের লুজন দ্বীপের একটি উপকূলীয় শহর ম্যানিলা (Manila)। একসময় স্পেন, আমেরিকা ও জাপানের অধীনে থাকা রাজধানী ম্যানিলা শহরে ভিন্ন ভিন্ন দেশের সংস্কৃতি ও বেশ কিছু ঐতিহ্য রয়ে গিয়েছে। আর তাই ইতিহাস আঁকড়ে রাখা এই শহরকে “প্রাচ্যের রোম” বলা হয়। তবে ঐতিহাসিক স্থাপনা ছাড়াও ম্যানিলা শহরে সুন্দর পার্ক ও বিনোদনের নানা আয়োজনসহ অসংখ্য পর্যটন স্থান রয়েছে। আর তাই তো জনপ্রিয় এই পর্যটন শহরে দূর দূরান্ত থেকে অসংখ্য পর্যটক ভিড় জমায়।

ম্যানিলাতে দর্শনীয় স্থান

ঘনবসতি পূর্ণ ম্যানিলা শহরের কলোনিয়াল স্থাপত্য, আধুনিক স্কাই স্ক্যাপার ও ইন্ট্রামুরোস সিটি পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ। এছাড়াও পুরো শহর জুড়ে রয়েছে চার্চ, পার্ক ও ইতিহাসকে ধারন করা বেশ কিছু জাদুঘর যা পর্যটকদের নিঃসন্দেহে ভালো লাগার মতো।

ফোর্ট সেন্টিগো (Fort Santigo)

ম্যানিলা শহরের ইতিহাস ও তাদের সংস্কৃতির ব্যাপারে জানার জন্য পর্যটকদের জন্য একটি প্রধান আকর্ষণীয় স্থান এই পুরাতন স্প্যানিশ দুর্গ। ১৫৯৩ সালে স্প্যানিশ নাবিক ও গভর্নর মিগুএল লপেজ দে লেগাজপি দুর্গটি নির্মাণ করেন। ফোর্ট সেন্টিগো দুর্গ ম্যানিলা শহরের অভ্যন্তরীণ প্রাচীরগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় প্রায় কয়েকশ আমেরিকান কয়েদি এই দুর্গের অন্ধকারে দমবন্ধ হয়ে ও ক্ষুধার যন্ত্রণায় মারা গিয়েছিলো। এখানের সুসজ্জিত গ্রাউন্ড এবং কর্নারের প্রতিটি কাঠামো যত্নের সাথে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে আর প্রাচীন কেল্লাসহ অন্যান্য স্থাপনা ও প্রতিটি নিদর্শন যেন প্রাচীন ইতিহাস ধারন করে আছে। এখানে ফিলিপাইনের জাতীয় নেতা জোস রিযেলের জাদুঘর পর্যটকদের জন্য এক বিশেষ আকর্ষণ। এছাড়াও দুর্গের মধ্যে সুন্দর একটি উদ্যান,পদ্ম ফুল দিয়ে ভরা একটি পুকুর ও প্রবেশ দ্বারের কাছে একটি ঝর্ণা আছে। এছাড়াও রেস্ট রুম, ক্যাফে, গিফট শপ ও পর্যটকদের জন্য একটি তথ্য কেন্দ্র রয়েছে। দুর্গ দেখার জন্য এখানে গাইড পাওয়া যায়। আবার সাইকেল ভাড়া নিয়েও দুর্গ ঘুরে দেখার সুযোগ রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকা ফোর্ট সেন্টিগো দুর্গে বড়দের জন্য প্রবেশ মূল্য ৩১৯ টাকা।

রিযেল পার্ক (Rizel Park)

প্রায় ১৪৩ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠা রিযেল পার্ক ম্যানিলা শহরের একটি জনপ্রিয় স্থান। “লুনেটা পার্ক” বা শুধু “লুনেটা” নামেও পরিচিত এই পার্ক ফিলিপাইনের একটি ঐতিহাসিক নগর উদ্যান। পার্কের ভিতরে একটি ভাস্কর্যের বাগান আছে যা ফিলিপাইনের জাতীয় নেতা জোস রিযেলের সম্মানে নির্মাণ করা হয়েছে। তাই এখানের স্মৃতিস্তম্ভ ও ল্যান্ডমার্কগুলোর শিলালিপি পড়লে ফিলিপাইনের ইতিহাস অনেকাংশে জানা যাবে। বাগানের চারদিকে ছড়িয়ে থাকা মিউজিক স্পিকারে শুনতে পারবেন লো বিটের মিউজিক। আর ইচ্ছে হলে ঘোড়া ভাড়া করে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। অনেকেই বিকালের দিকে এখানে হাঁটতে আসে। আর রাতের বেলায় এখানের রঙ্গিন ঝর্ণার বর্ণিল সজ্জা নজরে পরার মতো। তবে রিযেল পার্কে বসার জায়গার তুলনায় পর্যটকদের ভিড় অনেক বেশী। বিশেষ করে সন্ধ্যা ৬ টার সময় মিউজিকাল ঝর্ণা দেখার জন্য রিযেল মনুমেন্টের সামনে বেশ ভিড় হয়।

ম্যানিলা ওশেন পার্ক (Manila Ocean Park)

পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য বিনোদনের একটি উপযুক্ত জায়গা এই পার্ক যেখানে সারাদিন আনন্দে কাটিয়ে দিতে পারবেন। এখানে বিশাল বড় একুরিয়ামে বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণীদের দেখা মিলবে। এছাড়াও নানা প্রজাতির মাছ, পাখি ও সরীসৃপ প্রাণী দেখার পাশাপাশি পানির নিচে শার্কের সাথে সাঁতার কাটারও সুযোগ হবে। এখানে সামুদ্রিক বিভিন প্রাণীর উপর তথ্য নির্ভর বিভিন্ন শো হয়ে থাকে। আর ট্রেইনারদের বিশেষ তত্ত্বাবধানে সি অ্যানিম্যালদের সাথে ছবি তোলার সুযোগ আছে। এখানের সিম্ফনি ফাউন্টেইন শো, বার্ড শো, টকিং পেঙ্গুইন শো, সি লায়ন শো, ফিশ স্পা এবং গিফট শপ পর্যটকদের জন্য এক বিশেষ আকর্ষণ। ম্যানিলা ওশেন পার্কে জনপ্রতি ১২৮২ টাকায় (ফিলিপাইনের হিসেবে ৩০০ পেসো) ৩ ঘণ্টা ঘুরে বেরানো যাবে।

সান অগাস্টান চার্চ (San Agustan Church)

ম্যানিলার অভ্যন্তরীণ শহরে অবস্থিত রোমান ক্যাথলিক সান অগাস্টান চার্চ ফিলিপাইনের সবচেয়ে প্রাচীন একটি চার্চ। চার্চটি পূর্বে ম্যানিলা শহরের প্রতিষ্ঠাতা ও নগরীর প্রথম জেনারেল মিগুয়েল লোপেজ ডি লেজাজপির বাস ভবন ছিল। প্রায় ৪০০ বছর পুরানো এই চার্চকে ঘিরে অসংখ্য বিল্ডিং আছে যা ঘুরে ঘুরে দেখতে বেশী ভালো লাগে। এছাড়াও পোড়ামাটির সুন্দর কিছু মূর্তি ও পেইন্টিং আছে। একই সাথে এখানের বাগানে কাটানো সময়ও বেশ উপভোগ্য। আর প্রায় সব সময়ই এখানে বিভিন্ন ধরনের ইভেন্টের আয়োজন করা হয়ে থাকে। ট্যুর গাইড নিয়ে ঘুরলে জানা যাবে অনেক ইতিহাস, আর জনপ্রতি এখানে এন্ট্রি ফি ৮৫৫ টাকা।

ন্যাশনাল প্লানেটারিয়াম (National Planetarium)

জাতীয় জাদুঘরের অধীনে পরিচালিত ন্যাশনাল প্লানেটারিয়াম মূলত একটি প্ল্যানেট থিয়েটার। ১৬ মিটার লম্বা গম্বুজ আকৃতির এই থিয়েটার পাদ্রে বুরগোস এভিনিউয়ের জাপানিজ গার্ডেন ও চাইনিজ গার্ডেনের মাঝে রিযেল পার্কে অবস্থিত। এই থিয়েটারে মূলত জ্যোতিশাস্ত্রের উপর ভিত্তি করে প্ল্যানেটের তিনটি শো দেখানো হয়। তারাদের গতিবিধি কিভাবে আমাদের জীবনে প্রভাব ফেলে ও সোলার সিস্টেমের অনেক কিছু জানা যাবে এই শো গুলো দেখলে। আর তাই বাচ্চাদের সাথে সাথে বড়দেরও ভালো লাগাবে এখানে আসলে। এখানের সুসজ্জিত দেয়াল ও সিলিং-এর মাঝে অন্ধকারে জ্বলজ্বল করা প্ল্যানেট এক ভিন্ন ধরনের আবহের সৃষ্টি করে। মঙ্গলবার থেকে রবিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকা এই থিয়েটারে শো দেখার জন্য জনপ্রতি টিকিটের মূল্য ২১৩ টাকা।

ন্যাশনাল মিউজিয়াম (National Museum)

ফিলিপাইনের ফাইন আর্ট, প্রত্নতত্ব, উদ্ভিদ বিদ্যা ও প্রাকৃতিক ইতিহাস সংগ্রহের সাথে সাথে ফিলিপাইনদের শিল্পীদের বিভিন্ন চিত্র শিল্পের প্রদর্শনী করা হয়েছে এই জাদুঘরে। প্রায় ২-৩ ঘণ্টা সময় লাগে এই জাদুঘর দেখতে। আর সবচেয়ে বড় কথা এখানে কোন এন্ট্রি ফি নেই।

এছাড়া যেতে পারেন কাসা ম্যানিলা (ফিলিপাইনের কলোনিয়াল পিরিয়ডের সময় স্প্যানিশদের জীবন যাত্রার নানা চিত্র এই জাদুঘরে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে), মানি মিউজিয়াম (ফিলিপাইনের আদি থেকে বর্তমান অর্থ ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক এই জাদুঘরে তুলা ধরা হয়েছে), আপসাইড ডাউন মিউজিয়াম (এডভেঞ্চার ও বিনোদনের এক ভিন্ন আয়োজন রয়েছে এখানে আর বিশেষ করে ছবি তোলার জন্য এই জায়গা খুব বিখ্যাত), প্যাসো পার্ক (স্প্যানিশ কলোনিয়াল সময়ের এই সিমেট্রি বর্তমানে পার্ক হিসেবে পরিচিত, এখানে বিভিন্ন ইভেন্টের আয়োজন করা হয়), স্টার সিটি (বিনোদনের নানা আয়োজনে সাজানো এমিউজমেন্ট পার্ক), মেরিনা নর্থ সিমেট্রি, স্ট্যাচু অফ দে সেন্টিনেল অফ ফ্রিডম, আয়ালা ট্রাই এঙ্গেল গার্ডেনস, কোকোনাট প্যালেস, ম্যানিলা ক্যাথেড্রাল, ম্যানিলা জু, শান্ত ডমিঙ্গ চার্চ, গ্রীনবেল্ট পার্ক, আরোসেরস ফরেস্ট পার্ক ও সান্তা ক্রুজ চার্চ-এর মতো জায়গায়।

পড়ুন : পালাওয়ান আইল্যান্ড ভ্রমণ গাইড

কিভাবে যাবেন ম্যানিলাতে

ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর এয়ার লাইন্স,ক্যাথে প্যাসিফিক বা মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সে যেতে পারবেন ফিলিপাইন (Philippines) এর ম্যানিলাতে। তবে সরাসরি কোনও ফ্লাইট নেই তাই ট্রানজিটে ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর ও কুয়ালালামপুরে থামতে হয়। সেই ক্ষেত্রে এয়ারলাইন্স ও ট্রানজিটের উপর নির্ভর করে বাংলাদেশ থেকে ম্যানিলা যেতে প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা থেকে ১৬ ঘণ্টার মতো সময় লাগে।

ম্যানিলা ভ্রমণ খরচ

বিমানে বাংলাদেশ থেকে ফিলিপাইনে যেতে খরচ হবে প্রায় ২৯,০০০-৩৮,৫০০ টাকা। আর টুরিস্ট স্পট গুলো ঘুরে দেখা, হোটেলে থাকা, খাওয়া-দাওয়া ও বাংলাদেশ থেকে বিমানে যাতায়াত সহ সব মিলিয়ে ম্যানিলা শহরে ৪ দিন ৫ রাত থাকতে ৬৫,০০০- ৭৫,০০০ টাকার মতো খরচ হবে।

কোথায় থাকবেন – হোটেল ও রিসোর্ট

ম্যানিলা শহরের এস এম মল অফ এশিয়া, রিযাল পার্ক, এস এম ম্যানিলা, চায়না টাউন ও ইন্ট্রামুরোসে থাকার জন্য বেশ কিছু ভালো মানের এপার্টমেন্ট, হোটেল, গেস্ট হাউজ ও হোম স্টে আছে। এদের মধ্যে বাহায় এনজি লাহাত, মাং বেন ডর্মেটোরি, বেড এন্ড ব্রুহাউজ, দেসপাচিতো ডেল সল, ৩৭জেড ডাচ ইন, রবার্টটোস ডাচ ইন, ম্যানিলা বেক প্যাকার্স লজ, জেসিপি রুম রেন্টালস, পালিন্স এপার্টমেন্টস স্টুডিয়ো ইউনিট এট এসএম লাইট রেসিডেন্স, যেন রুম টেনথ আভে কুবাও, রেড রোজ এর মতো হোটেলগুলোতে ৪৫০- ১১৫০ টাকার মধ্যে দুইজনের থাকার জন্য রুম পেয়ে যাবেন।

কোথায় কি খাবেন

ম্যানিলা শহরে খাবারের ভিন্নতা চোখে পরার মতো। আর ভিন্ন ভিন্ন রেস্টুরেন্টের মধ্যে বার পিন্টোক্সস, ব্ল্যাক বার্ড,বাইট, আর্লি বার্ড ব্রেকফাস্ট, সাবরোসো কমফোর্ট ফুডে বেশ ভালো মানের খাবার পাবেন। আর খাবারের মধ্যে হালো হালো ( রেড বিন, কোকোনাট, জেলি, ফল ও আইস ক্রিমের সমন্বয়ে মিষ্টি এক খাবার) , বুকো পাই ( অনেকটা কাস্টার্ড পাইয়ের মতো), ম্যাক্সিকান ফ্রাইড চিকেন, কিনিলাও (মাছ, পিয়াজ, কোকোনাট ভিনেগার ও লেবু দিয়ে তৈরি ঝাল খাবার), কারে কারে ( বিভিন্ন সবজির সাথে পিনাট বাটার ) এর মতো ভিন্ন ধর্মী খাবার গুলো খেয়ে দেখতে পারেন। আবার রিযেল পার্কের ভিতরে বেশ কিছু ভালো ফুড স্টল আছে। এখানে কম দামে ভালো মানের খাবার খুঁজে পাবেন।

কোথায় কি কিনবেন

ম্যানিলা শহরের মল অফ এশিয়া, রবিন্সনস গ্যালেরিয়া, প্লাজা মিরিন্ডা, ও সালসেডো সেন্টারে কেনাকাটার জন্য অনেক কিছু খুঁজে পাবেন। আবার ব্যাকলারান, গ্রিন হিলস, এস এম মলস ও কুবাও তে সস্তার মধ্যে কেনাকাটা করতে পারবেন। আর টুরিস্ট স্পটের মধ্যে, ফোর্ট সেন্টিগোতে বাইরে যাওয়ার গেটের সাথে বেশ কিছু গিফট শপ খুঁজে পাবেন। এখানে বেশ ভালো কিছু গিফট আইটেম ও সুভেনিয়র কিনতে পারবেন। আবার সান অগাস্টান চার্চে একটি সুভেনিয়র চার্চ আছে যেখানে বই, পোস্ট কার্ড ও সুভেনিয়র খুঁজে পাবেন।

কিছু ভ্রমণ টিপস

  • বিকাল বেলা ফোর্ট সেন্তিগোতে ঘুরতে বেশী ভালো লাগে আর তখন নদীর ধারে বসে সন্ধ্যার সুন্দর ভিউ দেখার সুযোগ হবে।
  • ফোর্ট সেন্টিগোর গিফট শপে জিনিসের দাম অন্যান্য দোকান থেকে একটু বেশী।
  • রিযেল পার্কে কিছু খুচরা বিক্রেতা সুভেনিয়র বিক্রির সাথে সাথে টাকার বিনিময়ে ছবিও তুলে দেয়।
  • রিযেল পার্কে দিনের বেলা প্রচণ্ড গরম থাকে তাই সেই ক্ষেত্রে সান প্রোটেকশন নিয়ে বের হবেন অন্যথায় বিকেলের দিকে এখানে যাওয়া ভালো।
  • ন্যাশনাল প্লানেটারিয়ামে ছবি বা কোনও ভিডিও করা নিষেধ তাই এখানের নির্দেশিত নিয়মাবলী গুলো মেনে চলবেন।
  • ম্যানিলা ওশেন পার্কে সকাল সকাল যাওয়ার চেষ্টা করবেন তাহলে সবগুলো শো দেখতে পারবেন।
  • ম্যানিলা ওশেন পার্কে প্যাকেজের মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ আছে।

Feature Image : Piotr Kupczak

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।