করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী কিছুদিন কোথাও ভ্রমণ থেকে বিরত থাকুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন ও সচেতন থাকুন। করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সকল তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন

থাইল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে ফাংঙ্গা ও ট্রাং আইল্যান্ডের মাঝে, ক্রাবি নদীর তীরে অবস্থিত ভ্রমণ পিপাসুদের পছন্দের শহর ক্রাবি। যারা ছুটিতে দেশের বাইরে যাওয়ার কথা ভাবছেন তারা নিশ্চিন্তে পরিবারসহ বা একক ভাবে ঘুরে আসতে পারেন থাইল্যান্ড (Thailand) এর এই শহর থেকে।

ক্রাবির দর্শনীয় স্থান

পুরো ক্রাবি শহরে জুড়ে রয়েছে অসংখ্য বীচের সমাহার। প্রতিটা বীচের সৌন্দর্য আলাদা আর নজরকাড়া। তবে বীচে ঘুরে বেড়ানো ছাড়াও আরো বেশ কিছু জায়গা আছে ক্রাবি শহরে। পর্যটকদের সুবিধার্থে কিছু বিশেষ জায়গার কথা তুলে ধরা হল-

রাইলে বীচ ও গুহা (Railay Beaches & Caves) : ক্রাবিতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে রাইলে বীচ সকল পর্যটকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। এখানকার সাদা বালি, চারদিকের মনোরম পরিবেশ, স্বচ্ছ পানি আর চমৎকার আবহাওয়া পর্যটকদের জন্য এক নির্মল আনন্দের উৎস। এখানে দেখতে পারবেন চুনাপাথরের গুহা ও আর নানা ধরনের ইয়ট পার্টি। তবে পায়ে হেঁটে পুরো বীচ ঘুরে দেখলে বেশী ভালো লাগবে।

ফি ফি আইল্যান্ড (Phi Phi Island) : ক্রাবি শহর থেকে ৪৫ কিলো দূরে অবস্থিত এই আইল্যান্ড ভ্রমণ প্রেমীদের প্রধান আকর্ষণ। ফি ফি ডন ও ফি ফি লে এই দুটো দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে এই আইল্যান্ড। প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে চাইলে অবশ্যই যেতে হবে এই জায়গায়। ক্রাবি শহর থেকে ফেরিতে বা নিজেরা স্পীড বোট ভাড়া করে যেতে পারেন এই আইল্যান্ডে। এখানে স্কুবা ড্রাইভিং করার সাথে সাথে নানা ধরনের বীচ পার্টিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এখানকার মায়া বে নামের সবুজ উপহ্রদ পর্যটকদের পছন্দের একটি জায়গা।

থাং তেয়াও ফরেস্ট ন্যাচারাল পার্ক এবং ইমারল্যান্ড পুল (Thung Teao Forest Natural Park And Emerald Pool) : অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ এই পার্কের। গাঢ় সবুজ বর্ণের বড় বড় গাছ, বন্য প্রাণীর স্বাচ্ছন্দে বিচরণ ও পার্কের মাঝের সুন্দর ঝর্ণা এক অলৌকিক সৌন্দর্যের সৃষ্টি করছে।প্রকৃতি প্রেমী ও ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি উপযুক্ত জায়গা এই পার্ক। ইচ্ছে হলে ইমারল্যান্ড লেকের সবুজ বর্ণের স্বচ্ছ পানিতে ডুব দিয়ে হারিয়ে যেতে পারেন এখানকার সুন্দর রাজ্যে।

ওয়াট থাম সুয়া বা টাইগার কেভ টেম্পল ( Wat ThamSuaOr Tiger Cave Temple) : ক্রাবির বিশেষ একটি জায়গা হল এই গুহা যা “টাইগার কেভ” নামেও পরিচিত। এর ভিতরে বেশ কিছু মন্দির ও তীর্থ যাত্রীদের জন্য ঘর আছে। কিছু সন্ন্যাসী এখানে জন্ম থেকেই আছে। লোকেমুখে প্রচলিত এই গুহায় গৌতম বুদ্ধের খুব প্রিয় একটি বাঘ ছিল তাই এই গুহার নামকরন করা হয় টাইগার কেভ। গুহার শীর্ষে উঠলে বুদ্ধের পদচিহ্ন সংরক্ষিত স্থান দেখা যাবে।

ক্লোং থম হট স্প্রিংস (Klong Thom Hot Springs) : থাং তেয়াও ফরেস্ট ন্যাচারাল পার্ক থেকে বেশ কাছে এই ঝর্ণা। চকচকে সাজানো পাথরের উপর দিয়ে উষ্ণ গরম পানির প্রবাহ দেখতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন এই জায়গা থেকে। এই গরম পানির রহস্য হল ক্লং থম আগ্নেয়গিরির উত্তপ্ত চেম্বারে এই ঝর্ণার উৎস। লোকে মুখে এটা বিশ্বাস করা হয় যে এই গরম পানি অনেক ধরনের চর্ম রোগের প্রতিকার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এর পাশেই আছে শীতল পানির প্রবাহ।

খাও খানাম নাম (KhaoKhanab Nam) : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত এই জায়গা। এই উপসাগরের দুই দিকেই পাহাড়। পাহাড়ের উপর উঠলে অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য চোখে পড়ে। এছাড়াও গুহার ভিতরে প্রাচীন ইতিহাসের নানা জিনিস চোখে পড়বে।

ফ্রা নাং বীচ (Phra Nang Beach) : এই শান্ত বীচের সৌন্দর্য দেখতে অনেক পর্যটক ভিড় জমায় এখানে। এই বীচ ক্রাবির ঐতিহ্য ও প্রথাগত বিশ্বাসের প্রতীক যা প্রাচীন রাজকুমারী ফ্রা নাং কে উৎসর্গ করা হয়েছে। এই বীচের প্রচলিত কল্পকাহিনী পর্যটকদের আরও বেশী আকর্ষণ করে এখানে আসতে। এখানে বীচে সময় কাটানোর সাথে সাথে গুহার ভিতরের প্রাচীন নানা কাহিনী শোনার এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা হবে।  

ক্রাবি এলিফ্যান্ট স্যাংচুরি (Krabi Elephant Sanctury) : হাতিদের এই অভয়ারণ্য পর্যটকদের ক্রাবি ভ্রমণে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। আপনি হাতিদের নিজ হাতে খাওয়ানো ছাড়াও ওদের স্বাভাবিক নানা কর্মকাণ্ড দেখতে পারবেন।

আ নাং বীচ (Ao NangBeach) : আও নাং দক্ষিণ থাইল্যান্ডের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত। এখানে সমুদ্রে ডাইভ করার অনেকগুলো স্পট আছে তাই ডাইভিং এর জন্য এই বীচ সবচেয়ে উপযুক্ত। বড় বড় নৌকা ভাড়া করে এখানকার চুনা পাথরের আইল্যান্ড সহ আসে পাশে অন্যান্য বীচগুলো যেমন – কোহ হং, কোহ পোডা ও কোহ গাই ঘুরে আসতে পারবেন। এখানে পানিতে ডাইভিং করার সাথে সাথে স্নোরকেলিং ও রক ক্লাইম্বিং ও করতে পারেন।

কো হং আইল্যান্ড (Kohhong Island) : এই আইল্যান্ড ন্যাশনাল মেরিন পার্কের অংশ।এখানে আরও চারটি আইল্যান্ড আছে এজন্য এটা “দা ফোর আইল্যান্ড” নামেও পরিচিত। আ নাং থেকে স্পীড বোট বা লংট্রেইল বোটে এখানে যাওয়া যায়। এখানে কায়াকিং করতে পারবেন।

নোফার্টারা বীচ  (Noppharathara Beach) : আও নাং বীচের সাথে অবস্থিত এই বীচ মূলত একটি শুকনো নদী। স্থানীয় লোকজন ছাড়াও বাইরের পর্যটকদের কাছে এই বীচ বেশ পছন্দের। এখানকার অগভীর পানিতে জলখেলায় মেতে উঠতে সবাই পছন্দ করে।

এছাড়াও যেতে পারেন ক্রাবি শেল সিমিট্রি, থান বক খরানি (Thai Bok Khorani),জিয়ান্তা (Jianta), ওয়াট কাও করাওয়ারাম (Wat Kaew Korawaram) ,আও লুক ম্যানগ্রোভ এন্ড কেভস, হুয়াউ তোহ ওয়াটার ফলস, টুপ আইল্যান্ড এর মতো জায়গায়।

ক্রাবির বিশেষ আকর্ষণ

ক্রাবি নাইট মার্কেট, ক্রাবি লেকেপ্যাডেল বোট চালানো,আন্দামান সমুদ্রে স্পীড বোটে ঘোরা, আর্ট লেনে ক্রাবির ঐতিহ্যবাহী নাচ ও গান, স্কুবা ড্রাইভিং ও বীচের নানা ধরনের পার্টি।

ক্রাবি তে যাওয়ার উপায়

বাংলাদেশ থেকে ব্যাংকক : ঢাকা থেকে ব্যাংককে যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি এয়ারলাইন্স আছে। এয়ার এশিয়া, লায়ন থাই এয়ার, নক এয়ার থেকে আপনার পছন্দ মতো যেকোন একটি বেছে নিতে পারেন। চট্টগ্রাম বিমান বন্দর থেকেও ব্যাংকক যাওয়া যায়।

ব্যাংকক থেকে ক্রাবি : ক্রাবি তে যাতে পারেন বাস, গাড়ি, ট্রেন বা প্লেনে। ট্রেনে যাওয়ার ক্ষেত্রে, সরাসরি ব্যাংকক থেকে ক্রাবি তে যাওয়ার কোনও ট্রেন নেই, তাই প্রথমে ব্যাংকক থেকে সুরাত থানি রেলওয়ে স্টেশনে যেতে হবে তারপর ওখান থেকে ক্যাব ভাড়া করে ক্রাবি যেতে হবে। বাসে যাওয়ার ক্ষেত্রে, ব্যাংকক সাউথার্ন বাস স্টেশন থেকে প্রতিদিন ক্রাবি তে যাওয়ার বাস ছাড়ে।

গাড়িতে গেলে দুই ভাবে যাওয়া যায় ক্রাবি তে। ব্যাংকক থেকে ছুম্পন, রানং এবং ফাংঙ্গা হয়ে ক্রাবিতে যাওয়া যায়। আবার ছুম্পন এর রাস্তা হয়ে আও লেউক হাইওয়ে দিয়েও ক্রাবি যাওয়া যায়। এই রাস্তায় কম ঘুরতে হয়। তাই গাড়ি দিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ড্রাইভার কে আও লেউক হাই ওয়ে দিয়ে যেতে বললে কম সময়ে ক্রাবিতে যাওয়া যাবে।

বিমানে যাওয়ার ক্ষেত্রে, ব্যাংকক থেকে থাই এয়ার লাইন্স, থাই এশিয়া, নক এয়ার এবং ব্যাংকক এয়ার লাইন্স এর বিভিন্ন ফ্লাইট প্রতিদিন ক্রাবি তে যাতায়াত করে। বিমানে ক্রাবিতে পৌছাতে দেড় ঘণ্টার মতো সময় লাগে।

কোথায় থাকবেন (হোটেল ও রিসোর্ট)

ক্রাবিতে বেশ কিছু হোটেল আছে থাকার জন্য। যেমন-  সিরি ক্রাবি, স্লীপ হোয়েল এক্সপ্রেস, ক্রাবি মারিনা সিভিউ, আপো হোটেল, কে এল বুটিক হোটেল, ক্রাবি সিটি সিভিউ হোটেল, লা লা মুন ক্রাবি, জে হলিডে ইন, বাইফার্ন ম্যানশন, স্নোজ হোটেল, বান পুনমানুস, বান আন্দামান হোটেল গুলোতে ৮০০- ১৫০০ এর মধ্যে দুই জনের থাকার রুম পাবেন। আবার ফি ফি তেও থাকার জন্য ভালো হোটেল ও রিসোর্ট আছে।

ক্রাবি ভ্রমণ খরচ

অন্তত ৩ সপ্তাহ আগে বুকিং দিয়ে রাখলে বিমানে কম খরচে ১৪০০-২০০০ বাথের ( ১ বাথ = ২.৭৬ টাকা) মধ্যে ব্যাংকক থেকে ক্রাবি যাওয়া যায়। আর ৩/৪ জন মিলে রুম শেয়ার করে থাকলে জন প্রতি ৪০০-৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে যাবে। আর স্পীড বোটের প্যাকেজ নিয়ে ক্রাবির বিভিন্ন বীচ ঘুরে আসতে চাইলে ৩০০০-৩৫০০ টাকা খরচ হবে, সব মিলিয়ে ঢাকা থেকে ৪দিন ৩ রাতের জন্য একক ভাবে ৪৮,০০০-৫৩,০০০ টাকায় ঘুরে আসতে পারবেন ক্রাবি শহর থেকে। আর কয়েকজন মিলে গ্রুপ করে গেলে খরচ আরো একটু কম হবে।

কোথায় ও কি খাবেন

ক্রাবির সি বীচের কাছে বেশ কিছু ভালো মানের হোটেল আছে। ওখানে পাবেন নানা ধরনের সামুদ্রিক খাবার। আবার, ক্রাবি শহরের ভিতরেও দা হিল টপ, লা লে গ্রিল্ল, ব্লু ম্যাঙ্গো,আনিং রেস্টুরেন্ট নামের বেশ কিছু ভালো মানের রেস্তোরা আছে।আর ক্রাবির নাইট মার্কেটে ( ক্রাবি ওয়াকিং স্ট্রীট , চাও ফাহ নাইট মার্কেট) নানা ধরনের স্ট্রীট ফুড পাবেন যেমন ফাদ থাই (ফিস সস, লেবু, চিনি ও তেঁতুলের রস দিয়ে ভাজা নুডুলস), কানন জীন (পাতলা স্প্যাগোটির সাথে মাছ আর সস), নুডলস সুপ, গ্রীন পাপায়া সালাদ, খাও মক কাই (হলুদ ভাতের সাথে চিকেন), খাও মান কাই (আঠালো ভাতের সাথে মুরগি, সালাদ,সস ও সুপ), নারিকেলের পুডিং খেয়ে দেখতে পারেন। আছে। এছাড়াও ক্রাবিতে নানা ধরনের ফল ও তার জুস খেতে পারবেন, আমাদের দেশি ফল হলেও ক্রাবির আম ও তরমুজের স্বাদ মুখে লেগে থাকার মতো।

কেনাকাটা

এখানকার প্রায় প্রতিটা বীচেই অনেক দোকান আছে কেনাকাটার জন্য। আর মূল শহরের মধ্যেক্রাবির লোকাল মার্কেটে, Ao Nang’s Catalunga Walking Street Market, Nopparattara Plaza সাবাই বা বার এন্ড সুভ্যানিয়র শপ, KlongMuang Plaza তে স্থানীয় নানা ধরনের জিনিস পাবেন। এখান থেকে নানা ধরনের হ্যান্ডমেড জুয়েলারি, হাতে বোনা কাপড়, গিফট আইটেম ও সুভ্যানিয়র কিনতে পারবেন।

ক্রাবি ভ্রমণ টিপস

  • অক্টোবর থেকে মে এই আট মাসের যেকোনো সময় যেতে পারেন ক্রাবি শহরে। এই সময় ক্রাবি শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পরিপূর্ণ ভাবে ধরা পড়ে পর্যটকদের নজরে।
  • ক্রাবিতে ঘোরার জন্য ৪দিন সময় নিয়ে ঘুরলে বেশ ভালোভাবে পুরো শহর ও মোটামুটি সবগুলো বীচ ঘুরে দেখতে পারবেন। আর ফিফি আইল্যান্ডে অবশ্যই ১ রাত থাকবেন ফিফির সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করার জন্য।
  • ক্রাবি পোর্টের কাছাকাছি কোনও হোটেলে উঠলে হাঁটা দূরত্বের মধ্যে দোকানপাট খুঁজে পেতে ও যাতায়াত করতে সুবিধা বেশী।
  • প্রায় সব রেস্টুরেন্টে মুসলিমদের জন্য হালাল খাবার রাখার পাশাপাশি মুসলিমদের জন্য বসার আলাদা ব্যবস্থাও আছে ।
  • রাতের দিকে ক্যাব বা ট্যাক্সি চালক দাম একটু বেশী চায়, তাই দিনের মধ্যেই ঘোরাঘুরি শেষ করলে ভালো। 
  • ক্রাবির বিভিন্ন আইল্যান্ড ঘোরার জন্য প্রাইভেট স্পীডবোটের প্যাকেজ আছে। যেকোনো প্যাকেজ বেছে নিলে কম সময়ে বিভিন্ন আইল্যান্ড ঘুরতে সুবিধা হবে। আবার কিছু প্যাকেজের সাথে স্নোরিং বা স্কুবা ড্রাইভিং ও লাঞ্চের খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে। তাই আগে থেকেই  প্যাকেজের সবকিছু ভালো মতো বুঝে তারপর প্যাকেজ নির্বাচন করবেন।
  • ফিফির মায়া বে উপহ্রদে এখন নামা যায় না। স্পীড বোট থেকেই যা দেখার দেখতে হবে। ২০২১ সাল পর্যন্ত মায়া বে আপাতত পর্যটকদের জন্য বন্ধ।     
  • স্পীড বোটে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণের সময় কিছু শুকনা খাবার সাথে রাখুন, কারন স্পীড বোটে ভ্রমণের সময় কোথাও ওভাবে নেমে খাওয়ার সুযোগ নেই।
  • ক্রাবি শহর বেশ পরিষ্কার তাই ভিন্ন দেশের পর্যটক হিসেবে আপনারাও পরিষ্কার পরিচ্ছনতা বজায় রাখুন।

ফিচার ইমেজ : Adventureinyou.com

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।