পুর্ব পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত কাতারের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজধানী শহর দোহা (Doha)। আধুনিক স্থাপত্যের আকর্ষণীয় সব স্থাপনা, অদ্ভুত সুন্দর আইল্যান্ড, বিলাসী হোটেল রিসোর্ট ও ইতিহাস ঐতিহ্য সমৃদ্ধ জাদুঘর পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র দোহা। ২০২২ সালের ফিফা বিশ্ব কাপের আয়োজক ও ভেন্যু হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে দোহা শহরকে। আর তাই নতুন করে পর্যটকদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই শহর।

দোহার দর্শনীয় স্থান

কাতার (Qatar) এর দোহাতে দেখার মতো রয়েছে অসংখ্য জায়গা। আর তাই সময় নিয়ে বেড়াতে আসলে ভালোভাবে এই শহর ঘুরে দেখতে পারবেন। দোহার সবচেয়ে আকর্ষনীয় পর্যটন গন্তব্যের মধ্যে আছে –

ইসলামিক আর্ট মিউজিয়াম (Museum Of Islamic Art) : লুভর পিরামিডের স্থপতি আই এম পেই এর ডিজাইন করা চুনাপাথরের তৈরি এই স্থাপত্য দোহার একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। প্রায় ৩,৭৭,০০০ বর্গফুট জায়গা নিয়ে গড়ে উঠা এই জাদুঘরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইসলামিক আর্টের সংগ্রহশালা রয়েছে। এখানের তিনটি তালায় খুবই অসাধারন কিছু শিল্প ও চিত্র শিল্পের প্রদর্শনী করা আছে। এদের মধ্যে সিরামিক্স , গ্লাস , টেক্সটাইল ওমেটালের উপর খোঁদাই করা শিল্প সহ এন্টিকের পাণ্ডুলিপির মতো বিশেষ কিছু নিদর্শন আছে যা নিঃসন্দেহে পর্যটকদের মুগ্ধ করবে।

ইসলামিক আর্ট মিউজিয়াম; ছবি: wtjournal.com

সৌক ওয়াকিফ (Souq Waqif) : এই স্থাপত্য দোহারের একটি বিশেষ আকর্ষণ। বহু শতাব্দী আগে বেদুঈনরা নৌকা বা উঠের পিঠে চড়ে এখানে ভেরা, ছাগল ও পশম এর বিনিমিয়ে বেচা কেনা করতো। তখন পানির কারনে ব্যবসায়িরা দাড়িয়ে দাড়িয়ে তাদের অস্থায়ী দোকান থেকে ব্যবসার যাবতীয় কাজ সামলাতো। যেহেতু তারা দাড়িয়ে কেনাবেচা করতো তাই সেই কারণে আরবি “ওয়াকিফ” মানে দাঁড়ানো থেকে এই মার্কেটের নামকরন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯ শতাব্দীর দিকে এই পুরো মার্কেটটিকে আরও উন্নত করে কিছু মাটির ও কাঠের দোকান নির্মাণ করা হয়। আবার একই সাথে বেশ কিছু সুন্দর কাতারি ভবন পুনরুদ্ধার করা হয়। দোহার মধ্যে সবচেয়ে ঐতিহ্য বাহী মার্কেট প্লেস হিসেবে এই স্থান পরিচিত। এখানে ঐতিহ্যবাহী কাতারি পোশাক, মেয়েদের মাথার জন্য “বুখনক” নামের বিশেষ কাপড়, বিভিন্ন মশলা, আতর ও ধূপ পাওয়া যায়। এখানের কিছু কিছু দোকান জাদুঘরের মতো যেখানে প্রাচীন তলোয়ার, ভাঙ্গা জাহাজের বিভিন্ন অংশ ও আরব দেশের বিভিন্ন গহনা পাওয়া যায়।

দোহা করনিছে (Doha Corniche) : দোহা উপসাগর ঘিরে প্রায় ৭ কিলো জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই শহরাঞ্চল কাতারের মধ্যে জনপ্রিয় একটি পর্যটন স্থান। সমুদ্র সৈকতের পাড়ে অবস্থিত এই জায়গায় দোহার বার্ষিক ছুটির দিনগুলোতে বিভিন্ন আয়োজন করা হয়ে থাকে, যেমন- কাতার ন্যাশনাল ডে, ন্যাশনাল স্পোর্টস ডে এর মতো বিশেষ দিনগুলো এখানে উদযাপন করা হয়। অবসর কাটানোর জন্য অনেকেই চলে আসে এখানে। বিশেষ করে ছুটির দিন গুলোতে বিকেল বেলা এখানে প্রচণ্ড ভিড় হয়। এখান থেকে শহরের চমৎকার ভিউ চোখে পড়বে। আবার সমুদ্র দেখার সাথে সাথে অনেকেই করনিছের সবুজ বাগানে ঘুরে বেরাতেও পছন্দ করে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে সাগরের পার দিয়ে হাটলে এক ধরনের শীতল অনুভূতি হয় যা নিমিষেই শরীরের ক্লান্তি দূর করে দেয়। এখানে নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর ও সুযোগ আছে।

দা পার্ল কাতার (The Pearl Qatar): প্রায় চার বর্গ কিলো জায়গা জুড়ে গড়ে উঠা কৃত্রিম দ্বীপযা দেখতে খোলা ঝিনুকের মাঝে মুক্তোর মতো আর এই কারনেই এই নামকরনের সার্থকতা। এখানের প্রায় দুই বর্গ মাইল জায়গা জুড়ে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, শপিং কমপ্লেক্স, ভিলা, ক্যাফে ও রেস্তোরা বিস্তৃত।এখানে আসলে ভাবতে অবাক লাগবে যে কৃত্রিম ভাবে এত সুন্দর দ্বীপ গড়ে তুলা যায় আর তাই পর্যটকরা এই দ্বীপের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বারবার এখানে আসে। বিশেষ করে যখন এই দ্বীপের মাঝ থেকে ভাসমান নৌকা গুলো দেখবেন তখন অদ্ভুত সুন্দর লাগবে আর এই দ্বীপের আসল সৌন্দর্য বোঝা যাবে। এখানে বিলাস বহুল ইয়টে ঘুরে বেরানোর সুযোগ আছে। আর  সারা বছরই এখানে কোনও না কোনও প্রদর্শনী চলতে থাকে।    

দা পার্ল কাতার; callisonrtkl.com

ন্যাশনাল মিউজিয়াম (National Museum Of Qatar) : সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া এই কাতার ন্যাশনাল মিউজিয়াম দোহার দ্বিতীয় বৃহত্তম জাদুঘর। এখানে কাতারের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সম্ভাব্য নানা চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।পর্যটরা এখানে বেশ আকর্ষণীয় কিছু চিত্র শিল্প ও অন্যান্য শিল্পের প্রদর্শনী দেখতে পারবে। আরব সংস্কৃতির এক অন্যান্য উদাহরন এই জাদুঘর যা ইসলামিক স্থাপত্য পুনর্বাসনের জন্য ১৯৮০ সালে আগা খান পুরষ্কার পায়। এখানে বছরের বিভিন্ন সময় বেশ কিছু প্রদর্শনী হয়ে থাকে। কাতারের সিটিজেনদের জন্য এখানে প্রবেশ মূল্য ফ্রী হলেও বাইরেরে নাগরিকদের জন্য এখানের প্রবেশ মূল্য ২৪৬ দিরহাম।    

মাতহাফ আরব মিউজিয়াম অফ মডার্ন আর্ট (Mahtaf Arab Museum Of Modern Art) : ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরে আরব দেশের সাথে সাথে সমসাময়িক বিভিন্ন শিল্পের প্রদর্শনী করা হয়েছে যা মূলত নতুন শিল্পীদের সৃজনশীলতা ও নতুন কোনও পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হয়েছে। কাতারের মধ্যে এই জাদুঘর দোহার সংস্কৃতির এক গুরত্বপূর্ণ অংশ। এখানে আরবের বিভিন্ন শিল্পীদের চিত্র শিল্প রয়েছে আর প্রায় সব সময়ই এখানে প্রদর্শনী হয়ে থাকে। 

মিয়া পার্ক (Mia Park) : দোহা ওয়াটারফ্রন্টের পাশে অবস্থিত সবুজে ঘেরা এই পার্ক। এখানে বেশ কিছু ক্যাফে আছে যেখান থেকে পুরো দোহা শহরের সিটি ভিউ অনেক সুন্দর ভাবে দেখা যায়। বাচ্চাদের খেলার জন্য দোহা শহরের মধ্যে একটি উপযুক্ত জায়গা। এখানে সপ্তাহের কিছু দিন বাজারও বসে। ছুটির দিনে এখানে অনেকেই পিকনিক করতে আসে। এখানে আউটডোরে সিনেমা, কায়াকিং ট্যুর ও ফিটনেস সেশনের ও ব্যবস্থা আছে।

অ্যাস্পায়ার পার্ক (Aspire Park) : পুরো পরিবার সহ কাতারে ঘুরে বেড়ানোর জন্য একটি সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ। এই পার্কের অ্যাস্পায়ার টাওয়ার পর্যটকদের জন্য আরেক বিশেষ আকর্ষণ। ৩০০ উচ্চতা বিশিষ্ট এই টাওয়ার ১৫ তম এশিয়ান গেমসের সময় বিশাল এক মশাল হিসেবে কাজ করেছিল। তবে বর্তমানে একটি সুন্দর হোটেলে পরিনত হয়েছে এই টাওয়ার।

বানানা আইল্যান্ড (Banana Island) : এই দ্বীপের পানির মাঝে দেখা মিলবে অসংখ্য জেলি ফিশের আর রয়েছে অনেক কলা গাছ মূলত এই কারনেই এই আইল্যান্ডের নাম এমন রাখা হয়েছে। এখানের ভিউয়ের সাথে মালদ্বীপের আইল্যান্ড গুলোর কিছুটা মিল আছে।যদিও কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা তবে নিঃসন্দেহে পর্যটকদের ভালো লগার মতো একটি দ্বীপ।

বানানা আইল্যান্ড, দোহা; businessinsider.com

ফ্যাল্কন সৌক (Falcon Souq) : কাতারের ঐতিহ্যের সন্ধান পেতে চাইলে চলে যেতে পারেন এখানে। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এখানে রেলিংএ বসে থাকা অসংখ্য ফ্যাল্কন পাখীদের দেখা মিলবে। ফ্যাল্কন পাখীদের পালক দিয়ে তৈরি বিভিন্ন জিনিস পাবেন যেমন- ফ্যাল্কন হেলমেট। আর এখানের প্রতিটি স্টোরে আরাম করে চা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। আবার ফ্যাল্কন পাখীদের জন্য এখানে সৌক ওয়াকিফ ফ্যাল্কন নামের একটি হসপিটাল ও আছে।

এছাড়াও যেতে পারেন খালিফা ইন্টারন্যাশনাল টেনিস এন্ড স্কোয়াশ স্টেডিয়াম, সীলাইন বীচ রিসোর্ট, ইসলামিক কালচারাল সেন্টার, কাতারা কালচারাল ভিলেজ, কাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরি, বারজান টাওয়ার, নিউ সালাতা পার্ক ও টর্নেডো টাওয়ারের মতো জায়গায়।

কিভাবে যাবেন দোহা

প্রায় ২৪ টি ফ্লাইটের মধ্যে কাতার এয়ার লাইন্স সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলাদেশ থেকে কাতারের দোহাতে যাওয়ার জন্য। ঢাকা থেকে কাতার এয়ার ওয়েজে ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে যেতে পারবেন কাতারের দোহাতে।

খরচ

বিমানে ঢাকা থেকে কাতারের দোহাতে যেতে প্রায় ৪৫,০০০- ৬৮,০০০ টাকা খরচ হবে। তবে বিমানের টিকেট কমের মধ্যে কেনার জন্য অবশ্যই অনলাইনের Farecompare, Kayak, Cheapflights এ সহ অন্যান্য সাইটগুলো একটু চেক করে দেখবেন। এখানে থাকা খাওয়া ও বিমানে বাংলাদেশ থেকে যাতায়াত সহ  ৪ দিন ৩ রাত থাকতে প্রায় ৯০,০০০- ১,২০,০০০ টাকা খরচ হবে।

কোথায় থাকবেন

দোহার করচিছে, ওয়েস্ট বে, দা পার্ল, মুশেরিব এলাকাতে থাকার জন্য বেশ কিছু ভালো মানের হোটেল ও হোস্টেল আছে। যেমন- কাতার ইয়ুথ হোস্টেল, প্রাইভেট কজি রুম ইন দোহা, কিউ হোস্টেল, লা ভিলা প্যালেচ হোটেল, গ্রীন গার্ডেন হতেল, কর্প এক্সিকিউটিভ দোহা সুইটস, স্ট্রাটো হোটেল বাই ওয়ারওয়িক, ভিক্টোরিয়া হোটেল, কপথর্নে হোটেল দোহা, লা ভিলা সুইটস হোটেল, দা টাউন হোটেল দোহার মতো হোটেল ও হোস্টেল গুলোতে ৩,৮০০- ৪,২০০ টাকার মধ্যে দুই জনেরথাকার জন্য রুম পেয়ে যাবেন। আবার বানানা আইল্যান্ডে থাকার জন্য অনেক ধরনের ভালো সুযোগ সুবিধা সহ বেশ ভালো কিছু হোটেল ও রিসোর্ট খুঁজে পাবেন। এজন্য অনেকেই দোহার চেয়ে বানানা আইল্যান্ডে থাকতে বেশী পছন্দ করে।

কোথায় ও কি খাবেন

এখানে খাওয়ার জন্য বেশ কিছু ভালো মানের রেস্টুরেন্ট আছে। যেমন- আল বানুছে ক্যাফেটেরিয়া (Al Banuche Cafateria, এখানে সস্তায় বেশ ভালো মানের সকালের নাস্তা পাওয়া যায়), এমআরএ রেস্টুরেন্ট এন্ড বেকারি ( Mra Resturent And Bakery, এখানে সাপ্তাহিক বুফে খাওয়ার ব্যবস্থা আছে), তুর্কী সেন্ট্রাল, আমজাদ থাই স্ন্যাক্স, রডিজিও, ফর্ক রেস্টুরেন্ট, আফগান ব্রাদার্স, টফু হাউজ এর মতো রেস্টুরেন্টে বেশ ভালো মানের খাবার পাবেন। আর দোহার বিশেষ খাবারের মধ্যে চিকেন বিরিয়ানি, মাসালা দোসা, সাল্টা, মাছবুস, আকবর জুজেহ বা স্যাফ্রন চিকেন, বাকলাভা বেশ ভালো লাগবে। আর আদানি নামের বিশেষ এক ধরনের চা পাওয়া যায় যা অবশ্যই টেস্ট করবেন। আর টুরিস্ট স্পটগুলোর মধ্যে, মিউজিয়াম অফ ইসলামিক আর্টে ঘুরতে গেলে নিচের ক্যাফে বা উপরের আইডিএএম(idam) এ খেতে পারেন। সৌক ওয়াকিফেও বেশ কিছু ক্যাফে ও রেস্তুরা আছে যা মার্কেট বন্ধ থাকলেও প্রায় সারাদিন খোলা থাকে, এখানের হালুয়া বা অন্যান্য মিষ্টি খাবার স্বাদে অতুলনীয়। আবারদা পার্ল কাতারের বীচের রেস্টুরেন্ট বা ক্যাফেতে বসে কফি সহ খেতে পারেন বিভিন্ন খাবার। বানানা আইল্যান্ডের রেস্টুরেন্টের খাবারও বেশ মজার। এখানে বুফেতে খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।

কোথায় ও কি কিনবেন

এখানে সৌক ওয়াকিফ, দোহা সিটি সেন্টার, দা পার্ল, ওমানি সৌদ, ভিলেজিও শপিং মলে কেনাকাটা করতে পারবেন। এখানে কেনাকাটা করার জন্য ঐতিহ্যবাহী পোশাক, মশলা, হ্যান্ডি ক্র্যাফটস আইটেম, ব্যাগ ও সুভ্যেনিয়র খুঁজে পাবেন। আর এখানে খাঁটি সোনা ও মুক্তোর গহনা পাওয়া যায়। তাই অনেকেই দুবাই থেকে এই ধরনের গহনা কিনতে পছন্দ করে।

কিছু টিপস

  • বিমানের টিকেট আগেই কেটে রাখার ব্যবস্থা করলে খরচ কম পড়বে।
  • ট্রানজিটের কারণে যদি দোহা এয়ারপোর্টে আপনার বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয় তাহলে কাতার এয়ারওয়েজ ও কাতার ট্যুরিজম বোর্ডের ফ্রি দোহা সিটি ট্যুরে দোহা ঘুরে দেখতে পারবেন কোন রকম ফি ছাড়াই।
  • মার্চ মাসে এখানে কাতার ইন্টারন্যাশনাল ফুড ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়। তাই মার্চ মাসে দোহাতে ঘুরতে আসলে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা হবে।
  • মিউজিয়াম অফ ইসলামিক আর্টে প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টায় ৪০ মিনিটের ফ্রি ট্যুরের সুযোগ থাকে।
  • সৌক ওয়াকিফের কিছু দোকান ১ টায় বন্ধ হয়ে আবার বেলা ৪ টায় খুলে। তাই এখানে কেনাকাটা করার জন্য সময়ের দিকে খেয়াল রাখবেন।
  • দোহা করনিছের রাতের বেলার সৌন্দর্য মিস করবেন না।
  • বানানা আইল্যান্ডে সাঁতার কাটার ক্ষেত্রে সাবধানে থাকবেন কারন পানিতে প্রচুর জেলি ফিশ আছে।

ফিচার ইমেজ : tiq.qa

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।