তুরস্কের কেন্দ্রিয় এনাটোলিয়া অঞ্চলে অবস্থিত কাপ্পাডোসিয়া (Cappadocia) যা একসময় রোমান সম্রাজ্যের একটি প্রদেশ ছিল। বর্তমানে আঁকা বাঁকা ভ্যালি ও প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা অসংখ্য শিলা পাথর দিয়ে ঘেরা পুরো শহরটার বিস্তৃতি পাহাড় জুড়ে। আর এখানকার রূপকথা, ঐতিহ্যবাহী খাবার, নিরিবিলি পরিবেশ আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য অনেক পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে তুরস্ক (Turkey) এর কাপ্পাডোসিয়া শহর।

কাপ্পাডোসিয়ার দর্শনীয় স্থান

লুনার ল্যান্ডস্কেপ, মাটির নিচের শহর, গুহার ভিতরের চার্চ ও হট এয়ার বেলুন (Hot Air Balloon) রাইডের জন্য বিখ্যাত এই শহরে দেখার মতো অনেক জায়গা আছে। শহরের কিছু বিশেষ উল্লেখযোগ্য জায়গা তুলে ধরা হল-

আন্ডার গ্রাউন্ড সিটি (Underground City) : কাপ্পাডোসিয়ার আদিম অধিবাসীরা তীব্র শীত ও বন্য প্রাণীদের আক্রমন থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য পাথরের নিচে আশ্রয় নিত। পরবর্তীতে রোমান সৈন্যদের হাত থেকে রক্ষার জন্য প্রথম খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বিরা এখানে লুকিয়ে থাকা নিরাপদ মনে করতো। মাটির নিচের এই জায়গা গুলো আন্ডারগ্রাউন্ড সিটি নামে পরিচিত। তেমনি একট হলো কায়মাকলি আন্ডার গ্রাউন্ড সিটি (Kaymakli Underground City)। এখানে ৮ টি ফ্লোর আছে তবে পর্যটকদের জন্য শুধুমাত্র ৪টি ফ্লোর উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এখানকার স্থাপত্য শিল্প নিঃসন্দেহে পর্যটকদের মুগ্ধ করবে। কোনও ধরনের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ছাড়া হাতে বানানো সরঞ্জাম দিয়ে ওয়ানারি, ভেন্টিলেসন স্পেস, স্টোরেজ রুম, শয়ন কক্ষ এমনকি চার্চ ও বানিয়েছিল এখানের আদিবাসীরা যা সত্যিই বিস্ময়কর।

আন্ডারগ্রাউন্ড সিটির ভিতর, Source : ourmakerturkey

পাসা বা (Pasabag) : কাপ্পাডোসিয়ার গোরেমে থেকে এভানোস আসার পথে জেলভেতে দেখা মিলবে এই সুন্দর ভ্যালির। কাপাডোসিয়া বেড়াতে আসলে অধিকাংশ পর্যটক এখানে আসতে পছন্দ করে বিশেষ করে এখানকার “ফেইরি চিমনি (Fairy Chimneys)” র জন্য। ফেইরি চিমনি মূলত বহু বছর আগেরভূ-স্তরের ক্ষয়ের কারণে প্রাকৃতিক ভাবে গড়ে উঠা চিমনির মতো দেখতে উঁচু পাথর। লোক মুখে প্রচলিত আছে,এখানে নাকি পাতাল রাজ্যের পরীরা থাকত তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে ফেইরি চিমনি। তবে খ্রিষ্ট ধর্মের প্রথম দিকে ৪র্থ থেকে ৫ম শতাব্দীর সময় সন্ন্যাসীরা এখানে আশ্রয় নিয়েছিল। এখানে চমৎকার কিছু আর্থ পিলার দেখতে পারবেন।

কাভুসান ভিলেজ (Cavusin Village) : এভানোসে অবস্থিত এই ভিলেজে দুটি বাইজেন্টাইন চার্চ আছে। এই গ্রামে ঢোকা মাত্রই কিছু অদ্ভুত সুন্দর দেয়াল চিত্র চোখে পড়বে। হাইকিং করে এখানকার যেকোনো পরিত্যক্ত বাড়ির উপরে উঠলে কাপ্পাডোসিয়ার সবচেয়ে পুরনো সেন্ট জনস ব্যাপিস্টের চার্চ চোখে পড়বে।

ডেভরেন্ট ভ্যালি (Devrent Valley) : কাপ্পাডোসিয়ার দর্শনীয় স্থানের মধ্যে “পাইন ভ্যালি” হিসেবেও পরিচিত এই ভ্যালি বেশ জনপ্রিয়। এখানের চারপাশের দৃশ্য বেশ সুন্দর। এক পরাবাস্তব দৃশ্যের অবতারণ হয় যখন ভ্যালির খোঁদাইকৃত পাথরের রঙ প্রতিদিন সূর্যাস্তের সময় পরিবর্তন হয়ে থাকে। মূলত এখানে অতিরিক্ত আগ্নেয়গিরি ও ভূ-স্তরের ক্ষয়ের কারনের এই ধরনের বিশেষ পরিবর্তন হয়েছে যা পূর্ণিমার সময় এক ঐশ্বরিক সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে। আর তাই এই জায়গা লুনার ল্যান্ড স্কেপ দেখার জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন পশুর আকৃতি দিয়ে বেশ কিছু ভাস্কর্য তৈরি করা হয়েছে যা দেখলে মনে হবে যেন কোনও ভাস্কর্যের চিড়িয়াখানায় এসেছেন।

গোরেমে ন্যাশনাল পার্ক (Goreme National Park) : এই পুরো পার্ক জুড়ে প্রাচীন চার্চ, গুহা ও অন্যান্য বেশ কিছু স্থাপনা আছে যা ঘুরে দেখতে বেশ ভালো লাগবে। এই ঐতিহাসিক স্থানে ঘোরার জন্য সাথে একটি গাউড বই বা কোনও ট্যুর গাইড থাকলে ভালো। বিশ্ব ঐতিহ্য বাহী স্থান হিসেবে ১৯৮৪ সাল থেকে এই স্থান স্বীকৃত। এখানে একটি উন্মুক্ত জাদুঘর আছে। প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০ পর্যন্ত খোলা থাকে এই পার্ক।

জেলভে ওপেন এয়ার মিউজিয়াম (Zelve Open Air Museum) : গুহার মধ্যে অবস্থিত এই জাদুঘর কাপ্পাডোসিয়ার একটি বিশেষ আকর্ষণ। এই গুহার আঁকাবাঁকা খাঁড়া পথ ধরে হাটার সময় গুহার ভিতরের অভ্যন্তরীণ কাঠামো চোখে পরার মতো। এক ধরনের এডভেঞ্চারের অনুভূতি আসে এখানে ঘুরতে আসলে।

ওপেন এয়ার মিউজিয়াম

টাউন অফ এভানোস(Town Of Avanos) : কাপ্পাডোসিয়ার লাল নদী হিসেবে পরিচিত কিজিলিরমার্কের তীরে অবস্থিত টাউন অফ এভানোস। কাপ্পাডোসিয়ার গোরেমে থেকে ৮কিলো দূরে এই স্থান পর্যটকদের প্রানবন্ত করার মতো এক জায়গা। এখানে পর্যটকদের জন্য একটি আধুনিক হামাম( তুর্কিশ স্নানাগার) আছে।

উছিসার ভিলেজ (Uchisar Village) : এই গ্রামের উছিসার ক্যাসেল পর্যটকদের জন্য বেশ আকর্ষণীয়। এই ক্যাসেলটি কাপ্পাডোসিয়ার সর্বোচ্চ শীর্ষ বিন্দুতে অবস্থিত। এখান থেকে আশে-পাশের দৃশ্য গুলো দেখতে বেশ ভালো লাগে। আর এই ক্যাসেল থেকেই একটু দূরে এরসিয়েস পর্বত চোখে পড়বে।

এছাড়াও সময় থাকলে ঘুরে আসতে পারেন সগানলি ভ্যালি (Soganli Valley), রেড রোজ ভ্যালি (Red Rose Valley), ইহলারা ভ্যালি (Ihlara Valley), ডেরিনকুয়ু আন্ডার গ্রাউন্ড সিটি (Derinkuyu Underground City) এর মতো জায়গা থেকে।

আর এখানের হট এয়ার বেলুন রাইডিং সারা বিশ্ব জুড়ে বিখ্যাত। তাই এখানে আসলে হট এয়ার বেলুন রাইডে উঠার মজা নিতে ভুলবেন না। আবার একই সাথে হর্স রাইডিং এর সুযোগ আছে।

যাওয়ার উপযুক্ত সময়

কাপ্পাডোসিয়াতে মে থেকে জুন, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। কারন এই সময় গরমটা কম থাকে আর রাতে বেশ ঠাণ্ডা থাকে। আর এপ্রিলের প্রথম দিকে প্রচণ্ড বাতাস থাকার কারনে হট এয়ার বেলুন রাইডের মজা নিতে পারবেন না। তাই এখানে যাওয়ার ক্ষেত্রে এপ্রিল মাসের সময় টা এড়িয়ে চলুন।

কিভাবে যাবেন কাপ্পাডোসিয়াতে

ইন্তানবুল (Istanbul) থেকে ট্রেনে, গাড়িতে, বাসে বা প্লেনে যাতে পারেন কাপ্পাডোসিয়া। তবে বিমানে যাওয়া সবচেয়ে ভালো কারন সময় অনেক কম লাগে। বিমানে মাত্র  ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট যেখানে বাসে সময় লাগে ১১-১২ ঘণ্টা। প্লেনে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইস্তানবুলের কামাল আতাতুর্ক বিমান বন্দর বা সাবিহা এয়ারপোর্ট থেকে টার্কিশ এয়ার লাইন্স বা পেগাসাস এয়ার লাইন্সে কাপ্পাডোসিয়ার নেভসেহির (Nevsehir) বা কায়সেরি (Kayseri) এয়ারপোর্টে যেতে হবে। তারপর এয়ারপোর্ট থেকে গাড়ি বা ট্যাক্সি ভাড়া করে গন্তব্য স্থলে চলে যেতে পারবেন। আবার কোনও ভালো হোটেল বুকিং করলে হোটেল থেকেই এয়ারপোর্টে রিসিভ করার জন্য রিসিপ্সনিস্ট যায় আর যাতায়াত খরচও তাদের হোটেলের ভাড়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে।

বাসে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইস্তানবুলের বুয়ুক অটোগার (Buyuk Otogar) থেকে রাতের বাসে রওনা দিলে সকালে কাপ্পাডোসিয়ার গোরেমে যেতে পারবেন। সাধারনত বাস ইস্তানবুল থেকে রাত ১১.৪৫ এর দিকে ছাড়ে আর সকাল ৮.৩০ টায় গোরেমে পৌঁছে। কাপ্পাডোসিয়া যাওয়ার জন্য ইস্তানবুলে নেভসেহির সায়াহাত ও মেট্রো ট্যুরিজমের বেশ কিছু ভালো বাস সার্ভিস আছে।

ট্রেনে যাবার ক্ষেত্রে, ইস্তানবুল থেকে আনকারা ও কন্যা হয়ে কাপ্পাডোসিয়া পৌঁছে। তারপর স্টেশন থেকে বাস বা ভাড়া গাড়িতে শহরের ভিতর চলে যেতে পারবেন।  আবার ইস্তানবুল থেকে গাড়ি ভাড়া করেও যেতে পারেন। তবে সেই ক্ষেত্রে খরচ ও সময় দুটোই অনেক বেশী লাগবে।

কোথায় থাকবেন

কাপ্পাডোসিয়ার প্রধান শহর গোরেমে ও আভানোসে থাকার জন্য অনেক হোটেল ও হোস্টেল আছে। যেমন- হোটেলস ক্রেজিহর্স, ট্রাভেলারস কেভ হোটেল, আলিস গেস্ট হাউজ, হুইস্পার কেভ হাউজ, কাপ্পাডোসিয়া সেন্টার কেভ হোস্টেল, হ্যাপিডোসিয়া, ভ্যালি পার্ক হোটেল, আয়ডিনলি কেভ হোটেল, ন্যাচার ল্যান্ড হোস্টেল গুলোতে ২৩০০-৩৫০০ টাকার মধ্যে দুই জনের থাকার জন্য ডাবল বেডের এক রুম পেয়ে যাবেন।

আরও পড়ুন : ইস্তানবুল ভ্রমণ গাইড

ভ্রমণ খরচ খরচ

ইস্তানবুল থেকে বিমানে কাপ্পাডোসিয়া যেতে ৮০০০-১১০০০ টাকা খরচ হবে। আর এখানে বিশেষ আকর্ষণ হট এয়ার বেলুন রাইডের জন্য আলাদা একটা খরচের ব্যাপার আছে। তবে এই রাইডের খরচ নির্ভর করে কবে ও কতক্ষণ এই রাইডে থাকবেন। আর পিক সিজন হলে দাম অনেক বেশী হয়। তবে জনপ্রতি আনুমানিক ২৫০০-৩৫০০ টাকার মতো খরচ হবে এই রাইডের জন্য। সব মিলিয়ে কাপ্পাডোসিয়াতে ৫ দিন ৪ রাতের জন্য থাকলে বাংলাদেশ থেকে বিমানে ইস্তাবুল হয়ে কাপ্পাডোসিয়া যাতায়াত সহ ১,২০০০০-১,৫০০০০ টাকা খরচ হবে।

কোথায় ও কি খাবেন

কাপ্পাডোসিয়া শহরের মধ্যে বেশ কিছু ভালো রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে আছে, যেমন- টপ ডেক রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে সাফাক, কফেডোসিয়া, ইঞ্চি কেভ রেস্তুরেন্ট, পাম্পকিন গোরেমে রেস্টুরেন্ট এন্ড আর্ট গ্যালারী, নস্টালজি রেস্টুরেন্ট, ওল্ড কাপ্পাডোসিয়া ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্ট পরিবার বা বন্ধু বান্ধব সহ একসাথে বসে খাওয়ার জন্য ভালো খাবারের সাথে ভালো পরিবেশ পাবেন। আর খাবারের মধ্যে এখানের ডিবেকের পোটারি কাবাব, তাভুক সিস (বাচ্চাদের বেশ পছন্দের), আদানা কাবাব, উরফা কাবাব, ইস্কেন্দার( পাউরুটি, মাংস, ইস্কেন্দার সস,টমেটো ও দই দিয়ে তৈরি), ক্রাল ডোনের স্পেশাল দুরুম (অনেকটা রোলের মত) আর মিষ্টি খাবারের মধ্যে কুনাফা, লকুম, বাকলাভা খেয়ে দেখবেন । আর টার্কিশ কফি ও চা অবশ্যই খাবেন, ভিন্ন এক স্বাদ পাবেন। আবার এখানে ভিন্ন ধরনের কিছু খাবার ও পাওয়া যায় যেমন-ড্রাইড এপ্রিকট, পেস্টিল, পেকমেজ ও ড্রাইড ক্রিম। এগুলো অনেক দিন সংরক্ষণ করে রেখে খাওয়ার জন্য ভালো।

কোথায় ও কি কিনবেন

এখানের এক এক মার্কেটে এক রকম জিনিস ভালো পাওয়া যায়। যেমন- নাইলে আর্ট গ্যালারিতে আর্টস ও ক্র্যাফটের জিনিস, গোরেমের মার্কেট গুলোতে কার্পেট ও সিরামিক্সের জিনিস, কেয়সারিতে খুচরা জিনিস পত্র, জামা-কাপড় আর উছিসারে জুয়েলারি ভালো পাবেন। এখান থেকে মূলত কার্পেট, সিরামিকের জিনিস, হ্যান্ডি ক্র্যাফটসের বিভিন্ন আইটেম ও স্যুভেনিয়র কিনতে পারবেন।

কিছু ভ্রমণ টিপস

  • ইস্তানবুল থেকে কাপ্পাডোসিয়া যাওয়ার বিমানের টিকেট আগে থেকেই কেটে রাখলে অনেক কমে পাওয়া যাবে।
  • এখানে কিছু কোম্পানি আছে যারা অনলাইনে কম খরচে ট্রান্সপোর্টের ব্যবস্থা করে থাকে। তাই আগে থেকেই নেটে একটু খোঁজ খবর নিলে সুবিধা হবে।
  • আন্ডার গ্রাউন্ড সিটিতে এক একটা রুমে যাওয়ার মাঝে বেশ কিছু টানেল আছে। টানেলে যাবার সময় সাবধানে যেতে হবে, কারন বাঁকানো রাস্তা হবার কারনে অনেক সময় এখানে মাথা ঘুরাতে পারে।
  • গোরেমে ন্যাশনাল পার্কে সকাল সকাল গেলে ভালো ভাবে ঘুরতে পারবেন।
  • ফেইরী চিমনির ভিতরে এমনকি উপরে উঠারও সুযোগ আছে। আর এখানে ছবি তোলার সুযোগ মিস করবেন না।
  • এভানোসে অবস্থিত সিরামিক ও পটারি শপে একবার হলেও ঢু মারবেন।
  • টাকা একটু বেশী খরচ করে হলেও বিলাসবহুল কেভ হোটেলে থাকতে পারেন, গুহার ভিতরে থাকার এই আমেজ আর কোথাও খুঁজে পাবেন না।          
  • রাতের কাপ্পাডোসিয়া শহর অন্য রকম এক আবহ তৈরি করে আর তাই তুর্কিশ নাইট দেখতে রাতের বেলা শুধু শহর দেখতে বের হলে ভালো লাগবে।

ফিচার ইমেজ : Private Istanbul Tours

শেয়ার করুন সবার সাথে

ভ্রমণ গাইড টিম সব সময় চেষ্টা করছে আপনাদের কাছে হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপন করতে। যদি কোন তথ্যগত ভুল কিংবা স্থান সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকে মন্তব্যের ঘরে জানান অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ পাতায় যোগাযোগ করুন।
দৃষ্টি আকর্ষণ : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। কোন আর্থিক ক্ষতি বা কোন প্রকার সমস্যা হলে তার জন্যে ভ্রমণ গাইড দায়ী থাকবে না।